ঢাকা ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী Logo যেসব দেশে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ার পরও কার্যকর হয়নি Logo শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী Logo জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটিতে বড় রদবদল Logo মেঘমল্লার বসুর আত্মহত্যার চেষ্টা, হাসপাতালে ভর্তি Logo একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাবেন জামায়াত আমীর Logo ভারতীয় স্পাইসজেটকে আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিলো বাংলাদেশ Logo ঝটিকা মিছিল চলাকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ৮ কর্মী আটক Logo ইউনূস সরকারের শেষ সময়ের বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বিতর্ক কেন? Logo প্রথম আলোয় হামলা: অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা-ফাওজুল কবীর

ব্ল্যাক মেইলারের যন্ত্রণায় লাইভে কাঁদলেন খোরশেদ

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০১:৪৮:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২১
  • / ১০৪২ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ

এক নারী ব্ল্যাক মেইলারের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে ফেসবুকে সস্ত্রীক লাইভে এসে কাঁদলেন নারায়ণগঞ্জের আলোচিত কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। এসময় তিনি সরকারের কাছে তার পরিবারের নিরাপত্তার দাবি জানান। লাইভে এসে তিনি অভিযোগ করেন, সাদিয়া আক্তার ওরফে শিউলি ওরফে খুকু মনি ওরফে নিশো নামে এক নারী তাকে বিয়ে করতে নানাভাবে হয়রানি করছেন। এছাড়া তাকে অপহরণ করার পাশাপাশি স্ত্রী ও সন্তানদের হত্যার হুমকি দিয়েছেন ওই নারী।
শনিবার ইফতারের পর ফেসবুকে লাইভে আসেন করোনা রোগীদের লাশ দাফন করে আলোচিত হয়ে ওঠা কাউন্সিলর খোরশেদ। এসময় তার পাশে স্ত্রী আফরোজা খন্দকার লুনাও ছিলেন। লাইভে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই কথা বলেন।
লাইভে কাউন্সিলর খোরশেদ বলেন, করোনার শুরু থেকেই আমি আক্রান্তদের সেবা ও দাফন-সৎকার করছি। এক পর্যায়ে গত মে মাসে আমি ও আমার স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হই।

এ সময় অক্সিজেনের অভাবে আমার স্ত্রীকে আইসিইউতে ভর্তি করতে হয়। তখন সিদ্ধান্ত নিই, অক্সিজেনের জন্য করোনায় আক্রান্ত যারা সমস্যায় পড়বেন তাদের বিনামূল্যে অক্সিজেন সাপোর্ট দেবো।

এ সময় একটি অনলাইন পোর্টালের একটি সংবাদের নিচে ওই নারী মন্তব্য করেন- তিনি অক্সিজেন দিতে চান এবং আমার সঙ্গে ফেসবুকে যোগাযোগ করে অক্সিজেন সিলিন্ডার দেন। তখন থেকেই তিনি আমার সঙ্গে ফেসবুকে কানেক্টটেড এবং কথা বলা শুরু করেন।

[irp]

এক পর্যায়ে আমি বুঝতে পারি, তার মতলব ভিন্ন এবং আমি তাকে তখন দূরে সরাতে চেষ্টা করি এবং বোঝাই। তার ভার্সিটি পড়ুয়া ছেলেকেও আমি ঘটনা জানাই। তখন সে আমাকে বলে- তার মা হয়তো দুষ্টুমি করছে, এ রকম কিছু সম্ভব নয়। তাতেও কাজ হবে না বুঝে আমি নভেম্বর-ডিসেম্বরে তার ভগ্নিপতিকে জানাই। এতে সে আরও ক্ষুব্ধ হয়।
তারপর আমার স্ত্রীকেও বুঝিয়ে বলি, আমার স্ত্রীও বলে যে সে আমার সঙ্গে দুষ্টামি করছে হয়তো। এরপর একবার তিনি আমাকে বিয়ে করবে ঠিক করে গাড়ি ও কাজী নিয়ে আমার বাড়িতে আসে আমাকে উঠিয়ে নেওয়ার জন্য। পরে আমার স্ত্রী ও লোকজন তাকে আটকায়। তিনি আমাদের জীবন বিষিয়ে তুলেছেন। আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষসহ সবার কাছে গেছেন। তবে আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞ, সবাই তার কৌশল বুঝতে পেরে তাকে অবজ্ঞা করেছে।
তিনি বলেন, সম্মানকে ভয় পাই বলেই এতোদিন মুখ খুলিনি। আমি ধৈর্য ধরেছি, কারণ আল্লাহ হয়তো একটি ফয়সালা করবেন। তবে দুদিন আগে নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় দুটি পত্রিকায় আমাকে জড়িয়ে এ সংক্রান্ত নিউজ হওয়ায় আমি নিজেই বিষয়টি সবার কাছে বলতে এসেছি। আমার পাশে থাকার জন্য আমি সাংবাদিক, আমার রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও প্রতিপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞ।
তিনি আরও বলেন, ২১শে জানুয়ারির পর থেকে হোয়াটস অ্যাপে, ম্যাসেঞ্জারে, টেলিফোনে আমাদের হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। আমার পরিবারের সবাইকে মারাত্মক মানসিক অত্যাচার করছেন। সর্বশেষ আমার স্ত্রী ও বড় সন্তান নকিবকে তুলে নিয়ে হত্যা করবে বলেও হুমকি দেয়। আমি এসব ঘটনায় শুরু থেকেই সরকারি সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে লিখিতভাবে জানিয়েছি।
এক পর্যায়ে ওই নারী ছড়িয়ে দেয়, ধানমন্ডির এক বুটিকস ব্যবসায়ী নারীকে আমি বিয়ে করেছি এবং দুই বউ নিয়ে গ্যাঁড়াকলে আছি। এ ধরনের কোন ঘটনা সত্য নয় এবং স্থানীয় দুটি পত্রিকায় এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয় যা দুঃখজনক।
এসব বলতে গিয়ে কাউন্সিলর খোরশেদ কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন, সাইদা শিউলি নামে এই নারী এক ভয়ঙ্কর চরিত্রের অধিকারী। তার সঙ্গে প্রশাসন ও উচ্চ মহলের বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চ পদস্থ ব্যক্তিদের চলাফেরা রয়েছে। তিনি একজন ব্যবসায়ী এবং তিনবার বিয়ে করেছেন। এই নারীর দুই সন্তান রয়েছে যারা ভার্সিটিতে পড়ে এবং এক মেয়ে দশম শ্রেণিতে পড়ে।
খোরশেদ বলেন, এতোদিন সহ্য করেছি, আর পারছি না। অনেকে লজ্জায় আমার কাছে জিজ্ঞাসা করতে পারেন না। শুভাকাঙক্সক্ষী হিসেবে আপনাদের কাছে এ ঘটনার বিচার চাই। সাংবাদিক ভাইরা লেখনি ও প্রচার প্রচারণার মাধ্যমে আমাকে এ অবস্থা থেকে বাঁচান। আমি এ নির্যাতন থেকে উদ্ধার হতে মুক্তি চাই। আমি আমার পরিবারের কাছেও ক্ষমা চাই এসব ঘটনার।
তিনি বলেন, সম্মান তৈরি হতে অনেক সময় লাগে। আমার সে সম্মান নষ্ট করে দিচ্ছে পরিকল্পনা করে। আমি বাসা বাড়িতে সময় না দিয়ে আপনাদের সেবায় দিন-রাত পার করছি এবং নিজের একটি অবস্থান করছি। কেন আমার সুনাম নষ্ট করে আমার ক্ষতি করতে চাইছে এর কারণ উদঘাটন করে আমাকে মুক্তি দিন।
তার স্ত্রী আফরোজা খন্দকার লুনা বলেন, হঠাৎ একদিন ওই নারী বাড়ির নিচে কাজী নিয়ে হাজির হন। পরে আমরা তাকে ধরলে তিনি বলেন, আমার বড় ভাই খোরশেদ। দুই ঘণ্টা পর বলেন, একদিন পরে আপনাকে বলবো সব। পরের দিন আমাকে বলেন, আমি খোরশেদকে ভালোবাসি। আমি তাকে চাই। আপনি অনুমতি দেন। আমি সংসার বুঝি না, সংসার আপনার সঙ্গে করবে আর আমার সঙ্গে শুধু ফোনে কথা বলবে আর আমাকে সময় দেবে। উনার এ ধরনের কথায় আমার মনে হয়েছে, উনি সুস্থ না। পরে তাকে আমি তার পথ দেখতে বলি।
এ সময় তিনি আমাকে টাকা পয়সা অফার করেন এবং যা প্রয়োজন দেবেন বলে জানায়। আমি বলি, যদি আপনি আমাদের উপকার করতে চান তাহলে খোরশেদকে ছেড়ে চলে যান। এতে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে আমাকে হুমকি দেয় এবং আমার পরিবারের সবাইকে হত্যা করবে বলে জানায়।
তিনি আরও বলেন, এরপর আমাদের ওয়ার্ডের সচিবকে ফোন দিয়ে বলেছেন, আমাকে ও আমার পরিবারের সবাইকে হত্যা করবে। আমার সঙ্গে তার সব কথার রেকর্ড আছে। সাংবাদিকসহ যে কেউ চাইলে আমরা এসব রেকর্ডিং দেব। আমি রাষ্ট্রের কাছে আমার স্বামী ও পরিবারের নিরাপত্তা চাই।

 

ট্যাগস :

ব্ল্যাক মেইলারের যন্ত্রণায় লাইভে কাঁদলেন খোরশেদ

আপডেট সময় : ০১:৪৮:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২১

অনলাইন ডেস্কঃ

এক নারী ব্ল্যাক মেইলারের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে ফেসবুকে সস্ত্রীক লাইভে এসে কাঁদলেন নারায়ণগঞ্জের আলোচিত কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। এসময় তিনি সরকারের কাছে তার পরিবারের নিরাপত্তার দাবি জানান। লাইভে এসে তিনি অভিযোগ করেন, সাদিয়া আক্তার ওরফে শিউলি ওরফে খুকু মনি ওরফে নিশো নামে এক নারী তাকে বিয়ে করতে নানাভাবে হয়রানি করছেন। এছাড়া তাকে অপহরণ করার পাশাপাশি স্ত্রী ও সন্তানদের হত্যার হুমকি দিয়েছেন ওই নারী।
শনিবার ইফতারের পর ফেসবুকে লাইভে আসেন করোনা রোগীদের লাশ দাফন করে আলোচিত হয়ে ওঠা কাউন্সিলর খোরশেদ। এসময় তার পাশে স্ত্রী আফরোজা খন্দকার লুনাও ছিলেন। লাইভে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই কথা বলেন।
লাইভে কাউন্সিলর খোরশেদ বলেন, করোনার শুরু থেকেই আমি আক্রান্তদের সেবা ও দাফন-সৎকার করছি। এক পর্যায়ে গত মে মাসে আমি ও আমার স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হই।

এ সময় অক্সিজেনের অভাবে আমার স্ত্রীকে আইসিইউতে ভর্তি করতে হয়। তখন সিদ্ধান্ত নিই, অক্সিজেনের জন্য করোনায় আক্রান্ত যারা সমস্যায় পড়বেন তাদের বিনামূল্যে অক্সিজেন সাপোর্ট দেবো।

এ সময় একটি অনলাইন পোর্টালের একটি সংবাদের নিচে ওই নারী মন্তব্য করেন- তিনি অক্সিজেন দিতে চান এবং আমার সঙ্গে ফেসবুকে যোগাযোগ করে অক্সিজেন সিলিন্ডার দেন। তখন থেকেই তিনি আমার সঙ্গে ফেসবুকে কানেক্টটেড এবং কথা বলা শুরু করেন।

[irp]

এক পর্যায়ে আমি বুঝতে পারি, তার মতলব ভিন্ন এবং আমি তাকে তখন দূরে সরাতে চেষ্টা করি এবং বোঝাই। তার ভার্সিটি পড়ুয়া ছেলেকেও আমি ঘটনা জানাই। তখন সে আমাকে বলে- তার মা হয়তো দুষ্টুমি করছে, এ রকম কিছু সম্ভব নয়। তাতেও কাজ হবে না বুঝে আমি নভেম্বর-ডিসেম্বরে তার ভগ্নিপতিকে জানাই। এতে সে আরও ক্ষুব্ধ হয়।
তারপর আমার স্ত্রীকেও বুঝিয়ে বলি, আমার স্ত্রীও বলে যে সে আমার সঙ্গে দুষ্টামি করছে হয়তো। এরপর একবার তিনি আমাকে বিয়ে করবে ঠিক করে গাড়ি ও কাজী নিয়ে আমার বাড়িতে আসে আমাকে উঠিয়ে নেওয়ার জন্য। পরে আমার স্ত্রী ও লোকজন তাকে আটকায়। তিনি আমাদের জীবন বিষিয়ে তুলেছেন। আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষসহ সবার কাছে গেছেন। তবে আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞ, সবাই তার কৌশল বুঝতে পেরে তাকে অবজ্ঞা করেছে।
তিনি বলেন, সম্মানকে ভয় পাই বলেই এতোদিন মুখ খুলিনি। আমি ধৈর্য ধরেছি, কারণ আল্লাহ হয়তো একটি ফয়সালা করবেন। তবে দুদিন আগে নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় দুটি পত্রিকায় আমাকে জড়িয়ে এ সংক্রান্ত নিউজ হওয়ায় আমি নিজেই বিষয়টি সবার কাছে বলতে এসেছি। আমার পাশে থাকার জন্য আমি সাংবাদিক, আমার রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও প্রতিপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞ।
তিনি আরও বলেন, ২১শে জানুয়ারির পর থেকে হোয়াটস অ্যাপে, ম্যাসেঞ্জারে, টেলিফোনে আমাদের হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। আমার পরিবারের সবাইকে মারাত্মক মানসিক অত্যাচার করছেন। সর্বশেষ আমার স্ত্রী ও বড় সন্তান নকিবকে তুলে নিয়ে হত্যা করবে বলেও হুমকি দেয়। আমি এসব ঘটনায় শুরু থেকেই সরকারি সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে লিখিতভাবে জানিয়েছি।
এক পর্যায়ে ওই নারী ছড়িয়ে দেয়, ধানমন্ডির এক বুটিকস ব্যবসায়ী নারীকে আমি বিয়ে করেছি এবং দুই বউ নিয়ে গ্যাঁড়াকলে আছি। এ ধরনের কোন ঘটনা সত্য নয় এবং স্থানীয় দুটি পত্রিকায় এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয় যা দুঃখজনক।
এসব বলতে গিয়ে কাউন্সিলর খোরশেদ কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন, সাইদা শিউলি নামে এই নারী এক ভয়ঙ্কর চরিত্রের অধিকারী। তার সঙ্গে প্রশাসন ও উচ্চ মহলের বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চ পদস্থ ব্যক্তিদের চলাফেরা রয়েছে। তিনি একজন ব্যবসায়ী এবং তিনবার বিয়ে করেছেন। এই নারীর দুই সন্তান রয়েছে যারা ভার্সিটিতে পড়ে এবং এক মেয়ে দশম শ্রেণিতে পড়ে।
খোরশেদ বলেন, এতোদিন সহ্য করেছি, আর পারছি না। অনেকে লজ্জায় আমার কাছে জিজ্ঞাসা করতে পারেন না। শুভাকাঙক্সক্ষী হিসেবে আপনাদের কাছে এ ঘটনার বিচার চাই। সাংবাদিক ভাইরা লেখনি ও প্রচার প্রচারণার মাধ্যমে আমাকে এ অবস্থা থেকে বাঁচান। আমি এ নির্যাতন থেকে উদ্ধার হতে মুক্তি চাই। আমি আমার পরিবারের কাছেও ক্ষমা চাই এসব ঘটনার।
তিনি বলেন, সম্মান তৈরি হতে অনেক সময় লাগে। আমার সে সম্মান নষ্ট করে দিচ্ছে পরিকল্পনা করে। আমি বাসা বাড়িতে সময় না দিয়ে আপনাদের সেবায় দিন-রাত পার করছি এবং নিজের একটি অবস্থান করছি। কেন আমার সুনাম নষ্ট করে আমার ক্ষতি করতে চাইছে এর কারণ উদঘাটন করে আমাকে মুক্তি দিন।
তার স্ত্রী আফরোজা খন্দকার লুনা বলেন, হঠাৎ একদিন ওই নারী বাড়ির নিচে কাজী নিয়ে হাজির হন। পরে আমরা তাকে ধরলে তিনি বলেন, আমার বড় ভাই খোরশেদ। দুই ঘণ্টা পর বলেন, একদিন পরে আপনাকে বলবো সব। পরের দিন আমাকে বলেন, আমি খোরশেদকে ভালোবাসি। আমি তাকে চাই। আপনি অনুমতি দেন। আমি সংসার বুঝি না, সংসার আপনার সঙ্গে করবে আর আমার সঙ্গে শুধু ফোনে কথা বলবে আর আমাকে সময় দেবে। উনার এ ধরনের কথায় আমার মনে হয়েছে, উনি সুস্থ না। পরে তাকে আমি তার পথ দেখতে বলি।
এ সময় তিনি আমাকে টাকা পয়সা অফার করেন এবং যা প্রয়োজন দেবেন বলে জানায়। আমি বলি, যদি আপনি আমাদের উপকার করতে চান তাহলে খোরশেদকে ছেড়ে চলে যান। এতে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে আমাকে হুমকি দেয় এবং আমার পরিবারের সবাইকে হত্যা করবে বলে জানায়।
তিনি আরও বলেন, এরপর আমাদের ওয়ার্ডের সচিবকে ফোন দিয়ে বলেছেন, আমাকে ও আমার পরিবারের সবাইকে হত্যা করবে। আমার সঙ্গে তার সব কথার রেকর্ড আছে। সাংবাদিকসহ যে কেউ চাইলে আমরা এসব রেকর্ডিং দেব। আমি রাষ্ট্রের কাছে আমার স্বামী ও পরিবারের নিরাপত্তা চাই।