ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে Logo পানছড়িতে অষ্টপ্রহার ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে বিএনপি Logo পানছড়িতে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান Logo আপনারা থাকার কষ্ট করছেন, আমরা এখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিং করে দিতে চাই Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার Logo প্রাণ ফিরছে লোগাং ইউপি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদে Logo পানছড়িতে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক Logo পানছড়িতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া-রাবিশ ব্যবহার Logo মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

রংপুরে উত্তম চাষাবাদ পদ্ধতিতে আলু রপ্তানি কার্যাক্রমের উদ্বোধন

Doinik Astha
Doinik Astha
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৭:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মার্চ ২০২৩
  • / ১০৪৩ বার পড়া হয়েছে

 রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর: জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এবং সারা বাংলা কৃষক সোসাইটির উদ্যোগে রংপুরে উত্তম চাষাবাদ পদ্ধতিতে আলু রপ্তানি কার্যাক্রমের উদ্বোধন শেষে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ওয়াহিদা আক্তার বলেছেন, এবার দেশ থেকে এক লাখ মেট্রিকটনেরও বেশি আলু বিদেশে রপ্তানি করা হবে।

২০১২-১৩সালে এক লক্ষ মেট্রিকটনের উপরে আলু রপ্তানি হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ১৪ সালের পর নানা কারণে আলূ রপ্তানিতে একটা ধ্বস নামে আমরা সেটি কাটিয়ে ওঠার চেষ্ঠা করেছি। গত বছর আমরা প্রায় ৭৮ হাজার মেট্রিনটন আলু বিদেশে রপ্তানি করেছি। আশা করছি দিনদিন আমাদের এধারা অব্যাহত থাকবে। রোববার(১৯মার্চ) দুপুরে রংপুরের পীরগাছা উপজেলার বেলতলী বিরাহিম এলাকায় উত্তম চাষাবাদ পদ্ধতিতে উৎপাদিত আলু রপ্তানি কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন তিনি। কৃষি সচিব বলেন, রপ্তানি বৃদ্ধি সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। আলু রপ্তানিতে সরকার উৎসাহ প্রদান করছে। আমি এফএও এর এমএমআই এবং ডিএই, বিএডিসি, আলু রপ্তানিকারক সমিতি (বিপিইএ) এবং উৎপাদনকারী সংগঠনগুলোর যৌথ প্রচেষ্টা ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত রাখায় তাদের প্রশংসা করি। তৃণমূল পর্যায়ে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের উন্নয়নে এবং দেশের স্বার্থে রপ্তানি প্রক্রিয়া সহজ করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও বলেন, রাশিয়া, ফিজি এবং ভিয়েতনামে আলু রপ্তানি শুরু করার চেষ্টা অব্যাহত আছে। আলু একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল যা এর উৎপাদনকারীদের জীবনমান পরিবর্তন করার ভূমিকা রাখে। গত চার বছর ধরে, রংপুরের আলু উৎপাদনকারী সংগঠনগুলো এফএওর সহায়তায় নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর চাষাবাদ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সমন্বিত নীতি উত্তম চাষাবাদ পদ্ধতি’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে তা কাজে লাগিয়ে রপ্তানি-মানের আলু উৎপাদন করছে। কৃষকরা এধারা অব্যাহত রাখবে বলেও আশাব্যক্ত করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব।

মাঠ পর্যায়ে এফএও, সরকারের প্রতিনিধি, আলু উৎপাদনকারী সংগঠন এবং কৃষকদের অংশগ্রহণে আলু উৎপাদন ও রপ্তানি বিষয়ে একটি ব্যবসা অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানস্থানের পাশে কৃষকরা স্থানীয় ও উন্নত জাতের আলুর প্রদর্শন করেন। আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও গবেষণা সংস্থার সঙ্গেও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (নীতি পরিকল্পনা ও সমন্বয়)রুহুল আমিন তালুকদার, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব আবদুল্লাহ সাজ্জাদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রংপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক আফতাব হোসেন, এগ্রোমি এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালমা রহমান, বাংলাদেশ আলু রপ্তানিকারক সমিতির(বিপিইএ) সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, বিরাহিম আলু উৎপাদনকারী সমবায় সমিতির আলু চাষী সালমা আক্তার আদুরী আলোচক হিসেবে অংশ নেয়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, রংপুর জেলায় দেশের প্রায় এক-চতুর্থাংশ আলু উৎপাদিত হয়। এ বছর আলু চাষীরা ভালো ফলন পেয়েছে এবং ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ আলু রপ্তানিকারক সমিতির (বিপিইএ) সঙ্গে তাদের চুক্তি রয়েছে। কৃষকরা বিশেষভাবে রপ্তানির উদ্দেশ্যে সানশাইন’ নামে একটি নতুন আলু চাষ করতে শুরু করেছে। জাতের দ্রুত বর্ধনশীল এবং উচ্চ ফলন অর্জনে সহায়ক। কৃষক সংগঠনগুলোর জাতীয় পর্যায়ে শীর্ষ সংগঠন ‘সারা বাংলা কৃষক সোসাইটি (এসপিকেএস), এবং এফএও-র আওতাধীন ‘মিসিং মিডল ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পের অংশীদারিত্বের কারণে এই রপ্তানি উদ্যোগের সাফল্য এসেছে। তারা একসাথে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি), বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএআরআই), এবং বিপিইএ-এর সাথে কাজ করেছে। কৃষি মন্ত্রণালয় আলু রপ্তানি বাড়াতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) এবং বিএডিসি-র মাধ্যমে ২০১৯ সাল থেকে উৎপাদনকারীদের সহায়তা দিয়ে আসছে। এফএও’র কান্ট্রি ডিরেক্টর রবার্ট সিমসম বলেন, “বাংলাদেশের কৃষি খাতকে রূপান্তরিত করার দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গির অংশ হিসেবে এফএও আলু সহ প্রধান প্রধান ফসলের রপ্তানি বাড়াতে সরকারের সাথে কাজ করছে।

যথাযথ সহায়তায় বাংলাদেশী আলু উৎপাদনকারীরা প্রতিযোগিতামূলক বাজারে ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক চাহিদা মেটাতে সক্ষম হয়েছে। এটি অন্যান্য ফসলের জন্য একটি সফল মডেল।” আয়োজকদের দেয়া তথ্য বলছে, গত বছর বাংলাদেশে ১ কোটি ১০ লক্ষ মেট্রিক টন আলু উৎপাদন হয়েছে যা চীন এবং ভারতের পরে এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এর মধ্যে ৮ লক্ষ মেট্রিক টন আলু রপ্তানি করা হয়েছে। মালয়েশিয়া থেকে গত বছর অনেক চাহিদা ছিল, যার ফলে বাংলাদেশের আলু রপ্তানির এক তৃতীয়াংশেরও বেশি সেখানে (৩৮ শতাংশ), এরপরে নেপাল ও শ্রীলঙ্কা (প্রত্যেকটিতে ২০ শতাংশ) গিয়েছে। বাংলাদেশ মিয়ানমার (০৯ শতাংশ), সিঙ্গাপুর (০৪ শতাংশ) ছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরাত, ব্রুনাই, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, জর্ডান এবং লেবাননে আলু রপ্তানি করে।

ট্যাগস :

রংপুরে উত্তম চাষাবাদ পদ্ধতিতে আলু রপ্তানি কার্যাক্রমের উদ্বোধন

আপডেট সময় : ০৬:৫৭:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মার্চ ২০২৩

 রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর: জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এবং সারা বাংলা কৃষক সোসাইটির উদ্যোগে রংপুরে উত্তম চাষাবাদ পদ্ধতিতে আলু রপ্তানি কার্যাক্রমের উদ্বোধন শেষে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ওয়াহিদা আক্তার বলেছেন, এবার দেশ থেকে এক লাখ মেট্রিকটনেরও বেশি আলু বিদেশে রপ্তানি করা হবে।

২০১২-১৩সালে এক লক্ষ মেট্রিকটনের উপরে আলু রপ্তানি হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ১৪ সালের পর নানা কারণে আলূ রপ্তানিতে একটা ধ্বস নামে আমরা সেটি কাটিয়ে ওঠার চেষ্ঠা করেছি। গত বছর আমরা প্রায় ৭৮ হাজার মেট্রিনটন আলু বিদেশে রপ্তানি করেছি। আশা করছি দিনদিন আমাদের এধারা অব্যাহত থাকবে। রোববার(১৯মার্চ) দুপুরে রংপুরের পীরগাছা উপজেলার বেলতলী বিরাহিম এলাকায় উত্তম চাষাবাদ পদ্ধতিতে উৎপাদিত আলু রপ্তানি কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন তিনি। কৃষি সচিব বলেন, রপ্তানি বৃদ্ধি সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। আলু রপ্তানিতে সরকার উৎসাহ প্রদান করছে। আমি এফএও এর এমএমআই এবং ডিএই, বিএডিসি, আলু রপ্তানিকারক সমিতি (বিপিইএ) এবং উৎপাদনকারী সংগঠনগুলোর যৌথ প্রচেষ্টা ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত রাখায় তাদের প্রশংসা করি। তৃণমূল পর্যায়ে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের উন্নয়নে এবং দেশের স্বার্থে রপ্তানি প্রক্রিয়া সহজ করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও বলেন, রাশিয়া, ফিজি এবং ভিয়েতনামে আলু রপ্তানি শুরু করার চেষ্টা অব্যাহত আছে। আলু একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল যা এর উৎপাদনকারীদের জীবনমান পরিবর্তন করার ভূমিকা রাখে। গত চার বছর ধরে, রংপুরের আলু উৎপাদনকারী সংগঠনগুলো এফএওর সহায়তায় নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর চাষাবাদ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সমন্বিত নীতি উত্তম চাষাবাদ পদ্ধতি’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে তা কাজে লাগিয়ে রপ্তানি-মানের আলু উৎপাদন করছে। কৃষকরা এধারা অব্যাহত রাখবে বলেও আশাব্যক্ত করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব।

মাঠ পর্যায়ে এফএও, সরকারের প্রতিনিধি, আলু উৎপাদনকারী সংগঠন এবং কৃষকদের অংশগ্রহণে আলু উৎপাদন ও রপ্তানি বিষয়ে একটি ব্যবসা অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানস্থানের পাশে কৃষকরা স্থানীয় ও উন্নত জাতের আলুর প্রদর্শন করেন। আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও গবেষণা সংস্থার সঙ্গেও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (নীতি পরিকল্পনা ও সমন্বয়)রুহুল আমিন তালুকদার, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব আবদুল্লাহ সাজ্জাদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রংপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক আফতাব হোসেন, এগ্রোমি এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালমা রহমান, বাংলাদেশ আলু রপ্তানিকারক সমিতির(বিপিইএ) সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, বিরাহিম আলু উৎপাদনকারী সমবায় সমিতির আলু চাষী সালমা আক্তার আদুরী আলোচক হিসেবে অংশ নেয়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, রংপুর জেলায় দেশের প্রায় এক-চতুর্থাংশ আলু উৎপাদিত হয়। এ বছর আলু চাষীরা ভালো ফলন পেয়েছে এবং ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ আলু রপ্তানিকারক সমিতির (বিপিইএ) সঙ্গে তাদের চুক্তি রয়েছে। কৃষকরা বিশেষভাবে রপ্তানির উদ্দেশ্যে সানশাইন’ নামে একটি নতুন আলু চাষ করতে শুরু করেছে। জাতের দ্রুত বর্ধনশীল এবং উচ্চ ফলন অর্জনে সহায়ক। কৃষক সংগঠনগুলোর জাতীয় পর্যায়ে শীর্ষ সংগঠন ‘সারা বাংলা কৃষক সোসাইটি (এসপিকেএস), এবং এফএও-র আওতাধীন ‘মিসিং মিডল ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পের অংশীদারিত্বের কারণে এই রপ্তানি উদ্যোগের সাফল্য এসেছে। তারা একসাথে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি), বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএআরআই), এবং বিপিইএ-এর সাথে কাজ করেছে। কৃষি মন্ত্রণালয় আলু রপ্তানি বাড়াতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) এবং বিএডিসি-র মাধ্যমে ২০১৯ সাল থেকে উৎপাদনকারীদের সহায়তা দিয়ে আসছে। এফএও’র কান্ট্রি ডিরেক্টর রবার্ট সিমসম বলেন, “বাংলাদেশের কৃষি খাতকে রূপান্তরিত করার দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গির অংশ হিসেবে এফএও আলু সহ প্রধান প্রধান ফসলের রপ্তানি বাড়াতে সরকারের সাথে কাজ করছে।

যথাযথ সহায়তায় বাংলাদেশী আলু উৎপাদনকারীরা প্রতিযোগিতামূলক বাজারে ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক চাহিদা মেটাতে সক্ষম হয়েছে। এটি অন্যান্য ফসলের জন্য একটি সফল মডেল।” আয়োজকদের দেয়া তথ্য বলছে, গত বছর বাংলাদেশে ১ কোটি ১০ লক্ষ মেট্রিক টন আলু উৎপাদন হয়েছে যা চীন এবং ভারতের পরে এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এর মধ্যে ৮ লক্ষ মেট্রিক টন আলু রপ্তানি করা হয়েছে। মালয়েশিয়া থেকে গত বছর অনেক চাহিদা ছিল, যার ফলে বাংলাদেশের আলু রপ্তানির এক তৃতীয়াংশেরও বেশি সেখানে (৩৮ শতাংশ), এরপরে নেপাল ও শ্রীলঙ্কা (প্রত্যেকটিতে ২০ শতাংশ) গিয়েছে। বাংলাদেশ মিয়ানমার (০৯ শতাংশ), সিঙ্গাপুর (০৪ শতাংশ) ছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরাত, ব্রুনাই, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, জর্ডান এবং লেবাননে আলু রপ্তানি করে।