ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে Logo পানছড়িতে অষ্টপ্রহার ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে বিএনপি Logo পানছড়িতে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান Logo আপনারা থাকার কষ্ট করছেন, আমরা এখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিং করে দিতে চাই Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার Logo প্রাণ ফিরছে লোগাং ইউপি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদে Logo পানছড়িতে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক Logo পানছড়িতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া-রাবিশ ব্যবহার Logo মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

রংপুরে মৃত্যুর সাত মাস পর কবর থেকে তরুণীর লাশ উত্তোলন

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৬:২৮:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মার্চ ২০২৩
  • / ১০৫৮ বার পড়া হয়েছে

রংপুরে মৃত্যুর সাত মাস পর কবর থেকে তরুণীর লাশ উত্তোলন

 

রংপুর প্রতিনিধিঃ

 

মৃত্যুর সাত মাস পরে কবর থেকে লাশ উত্তোলন করেন সিআইডি রংপুর । বর্ষা নামে এক তরুণীর। আজ সোমবার সকালে রংপুর নগরীর খাসবাগ এলাকার পারিবারিক কবরস্থান থেকে ওই লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্তের জন্য রমেক মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানাগেছে, নগরীর খাসবাগ এলাকার বেলাল হোসেনর মেয়ে বর্ষা হোসাইন বর্না (২০) আউট সোসিংয়ের কাজ করত। মা শাহিনা বেগম দুই সন্তান বর্ষা ও বাধন মিয়াকে বাড়িতে রেখে ঢাকা পাসপোর্ট অফিসে আয়ার কাজ করেন যান।

 

একই এলাকার রিপন মিয়ার ছেলে মোঃ জিয়াদ হোসেনের সাথে বর্ষার সুসম্পর্ক ছিল। সুসম্পর্ক থাকার কারণে তার নানির বাড়ি আনিয়া বাসা ভাড়া দেন। এক পর্যায়ে জিয়াদ বিয়ের প্রলোভন দেকিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন বর্ষার সাথে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দৌহিক মেলামেশা করে। এক পর্যায়ে বর্ষা গর্ভবতি হয়ে পড়েন। বিষয়টি জিয়াদ ও তার পরিবারকে জানানো হলে তারা বর্ষাকে পেটের বাচ্চা নষ্ট করতে বলেন। বর্ষা জিয়াদ ও তার পরিবারের লোকজনের কথায় রাজি না হওয়ায় তাদের সাথে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। তারা বিভিন্ন ভাবে বর্ষাকে নির্যাতন করতে থাকে। বাচ্চা নষ্ট না করলে মরে যাওয়ার কথা বলে নানান ধরণের কটুক্তি করত। জিয়াদ তার পরিবারের কটুক্তি সহ্য করতে না পেরে গত গত বছরের ২ সেপ্টম্বর রাতে বর্ষা আত্মহত্যা করেন। এঘটনায় ইউডি মামলা করা হয়।

 

পরবর্তিতে রংপুরের নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যূনাল-১ আদালতে ৬ জনকে আসামী করে মা শাহিনা বেগম মামলা করেন। মামলার আসামীরা হলেন জিয়াদ হোসেন, ছবি বেগম, মনি বেগম, সিরাজউদ্দিন , সাজু মিয়া,ও মোঃ রিফাত।

 

এদিকে মামলার সুষ্ঠ তদন্ত ও প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের স্বার্থে গত ১২ জানুয়ারি আদালত অদেশ দেন পারিবারিক কবরস্থান হতে লাশ উত্তোলন করার জন্য। এর ধারাবাহিকতায় সোমবার সকালে মৃত বর্ষা হোসাইন বর্নার লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয় তদন্ত করা জন্য। এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারি কমিশনার ও এক্সিকিইটিভ ম্যাজিস্টেট মালিহা খানম ও মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানার পুলিশ। লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিআইডি রংপুর শামসুল আলম পুলিশ পরিদর্শক রংপুর জেলা ও মেট্রো।

ট্যাগস :

রংপুরে মৃত্যুর সাত মাস পর কবর থেকে তরুণীর লাশ উত্তোলন

আপডেট সময় : ০৬:২৮:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মার্চ ২০২৩

রংপুরে মৃত্যুর সাত মাস পর কবর থেকে তরুণীর লাশ উত্তোলন

 

রংপুর প্রতিনিধিঃ

 

মৃত্যুর সাত মাস পরে কবর থেকে লাশ উত্তোলন করেন সিআইডি রংপুর । বর্ষা নামে এক তরুণীর। আজ সোমবার সকালে রংপুর নগরীর খাসবাগ এলাকার পারিবারিক কবরস্থান থেকে ওই লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্তের জন্য রমেক মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানাগেছে, নগরীর খাসবাগ এলাকার বেলাল হোসেনর মেয়ে বর্ষা হোসাইন বর্না (২০) আউট সোসিংয়ের কাজ করত। মা শাহিনা বেগম দুই সন্তান বর্ষা ও বাধন মিয়াকে বাড়িতে রেখে ঢাকা পাসপোর্ট অফিসে আয়ার কাজ করেন যান।

 

একই এলাকার রিপন মিয়ার ছেলে মোঃ জিয়াদ হোসেনের সাথে বর্ষার সুসম্পর্ক ছিল। সুসম্পর্ক থাকার কারণে তার নানির বাড়ি আনিয়া বাসা ভাড়া দেন। এক পর্যায়ে জিয়াদ বিয়ের প্রলোভন দেকিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন বর্ষার সাথে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দৌহিক মেলামেশা করে। এক পর্যায়ে বর্ষা গর্ভবতি হয়ে পড়েন। বিষয়টি জিয়াদ ও তার পরিবারকে জানানো হলে তারা বর্ষাকে পেটের বাচ্চা নষ্ট করতে বলেন। বর্ষা জিয়াদ ও তার পরিবারের লোকজনের কথায় রাজি না হওয়ায় তাদের সাথে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। তারা বিভিন্ন ভাবে বর্ষাকে নির্যাতন করতে থাকে। বাচ্চা নষ্ট না করলে মরে যাওয়ার কথা বলে নানান ধরণের কটুক্তি করত। জিয়াদ তার পরিবারের কটুক্তি সহ্য করতে না পেরে গত গত বছরের ২ সেপ্টম্বর রাতে বর্ষা আত্মহত্যা করেন। এঘটনায় ইউডি মামলা করা হয়।

 

পরবর্তিতে রংপুরের নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যূনাল-১ আদালতে ৬ জনকে আসামী করে মা শাহিনা বেগম মামলা করেন। মামলার আসামীরা হলেন জিয়াদ হোসেন, ছবি বেগম, মনি বেগম, সিরাজউদ্দিন , সাজু মিয়া,ও মোঃ রিফাত।

 

এদিকে মামলার সুষ্ঠ তদন্ত ও প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের স্বার্থে গত ১২ জানুয়ারি আদালত অদেশ দেন পারিবারিক কবরস্থান হতে লাশ উত্তোলন করার জন্য। এর ধারাবাহিকতায় সোমবার সকালে মৃত বর্ষা হোসাইন বর্নার লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয় তদন্ত করা জন্য। এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারি কমিশনার ও এক্সিকিইটিভ ম্যাজিস্টেট মালিহা খানম ও মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানার পুলিশ। লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিআইডি রংপুর শামসুল আলম পুলিশ পরিদর্শক রংপুর জেলা ও মেট্রো।