ঢাকা ০২:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাষ্ট্র কাঠামোই ধ্বংস করেছে হাসিনা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস

Doinik Astha
Doinik Astha
  • আপডেট সময় : ১০:৪৩:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৪
  • / ১০৭০ বার পড়া হয়েছে

ক্ষমতায় টিকে থাকতে শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, আমি যখন দায়িত্ব গ্রহণ করেছি, তখন দেশের অবস্থা অত্যন্ত করুণ। ক্ষমতায় থাকার জন্য স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছে। বিচার বিভাগের ভঙ্গুর অবস্থা। গণতান্ত্রিক অধিকারকে ১৫ বছর ধরে দমনের মাধ্যমে খর্ব করা হয়েছে। নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি হয়েছে। নতুন প্রজন্ম ভোট ছাড়াই বেড়ে উঠছিল। রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় ব্যাংক লুট করা হয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে দেশের কোষাগার শেষ করা হয়েছে।

গতকাল রোববার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার কূটনীতিকদের ব্রিফ করার সময় তিনি এসব কথা বলেন। এসময় যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, চীন, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনারসহ জাতিসংংঘ এবং বিভিন্ন সংস্থার প্রায় ৫০ জন মিশন প্রধান যোগ দেন। পরে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে দ্বিতীয় বিপ্লব হিসেবে অভিহিত করে নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, লাখো জনতার অভ্যুত্থানে চরম স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে। কিন্তু যাওয়ার আগে নিরাপত্তা বাহিনী এবং শেখ হাসিনার ছাত্র সংগঠন স্বাধীনতা যুদ্ধের পর দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে জঘন্য বেসামরিক হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। ছাত্র আন্দোলনের সময়ে যে হত্যাকাণ্ড হয়েছে, সেটির পূর্ণ ও নিরপেক্ষ তদন্ত করার জন্য জাতিসংঘের নেতৃত্বকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, কিছুদিন আগে জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার টুর্কের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত চাই আমরা। এর জন্য জাতিসংঘের তদন্তকারী দলকে আমরা সব ধরনের সহায়তা দেবো।

ট্যাগস :

রাষ্ট্র কাঠামোই ধ্বংস করেছে হাসিনা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস

আপডেট সময় : ১০:৪৩:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৪

ক্ষমতায় টিকে থাকতে শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, আমি যখন দায়িত্ব গ্রহণ করেছি, তখন দেশের অবস্থা অত্যন্ত করুণ। ক্ষমতায় থাকার জন্য স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছে। বিচার বিভাগের ভঙ্গুর অবস্থা। গণতান্ত্রিক অধিকারকে ১৫ বছর ধরে দমনের মাধ্যমে খর্ব করা হয়েছে। নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি হয়েছে। নতুন প্রজন্ম ভোট ছাড়াই বেড়ে উঠছিল। রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় ব্যাংক লুট করা হয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে দেশের কোষাগার শেষ করা হয়েছে।

গতকাল রোববার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার কূটনীতিকদের ব্রিফ করার সময় তিনি এসব কথা বলেন। এসময় যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, চীন, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনারসহ জাতিসংংঘ এবং বিভিন্ন সংস্থার প্রায় ৫০ জন মিশন প্রধান যোগ দেন। পরে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে দ্বিতীয় বিপ্লব হিসেবে অভিহিত করে নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, লাখো জনতার অভ্যুত্থানে চরম স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে। কিন্তু যাওয়ার আগে নিরাপত্তা বাহিনী এবং শেখ হাসিনার ছাত্র সংগঠন স্বাধীনতা যুদ্ধের পর দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে জঘন্য বেসামরিক হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। ছাত্র আন্দোলনের সময়ে যে হত্যাকাণ্ড হয়েছে, সেটির পূর্ণ ও নিরপেক্ষ তদন্ত করার জন্য জাতিসংঘের নেতৃত্বকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, কিছুদিন আগে জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার টুর্কের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত চাই আমরা। এর জন্য জাতিসংঘের তদন্তকারী দলকে আমরা সব ধরনের সহায়তা দেবো।