রিকসাচালক আনুমৃধার হত্যার রহস্য উদঘাটন
- আপডেট সময় : ১০:৫১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৩
- / ১০৫৮ বার পড়া হয়েছে
রিকসাচালক আনুমৃধার হত্যার রহস্য উদঘাটন
ভাঙ্গা প্রতিনিধিঃ
প্রথমে যাত্রী সেজে রিকশা চালককে হত্যা করার পর নিজেই রিকশাটি চালিয়ে নিয়ে যায় সোহাগ। রিকশাটি পাশের গায়ের একজনের কাছে বিক্রি করে ১৭ হাজার টাকায়। ভাড়ায় যাত্রী সেজে একটি কলাবাগানে নিয়ে হত্যা করা হয় পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সী ইনজিন চালিত রিকশা চালককে।
হত্যাকান্ডের ১১ দিনের মাথায় এসে অভিযুক্ত সোহাগ মৃধাকে গ্রেপ্তারের পর রিকশাচালক আনু মৃধার হত্যার নৃশংস ঘটনার বর্ণনা দেয় গ্রেপ্তারকৃত যুবক। আজ শনিবার দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মোঃ শাহজাহান।
এর আগে শুক্রবার রাতে পুলিশ জেলা সদরের ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রাম থেকে সোহাগকে গ্রেপ্তার করে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় সোহাগকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত সোহাগ একই গ্রামের শাহজাহান মৃধার ছেলে। গত ১৬ এপ্রিল দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে রিকশাচালক আনু মৃধা তার বাড়ি থেকে পাশের শিবরামপুর স্ট্যান্ডে যাওয়ার পথে সোহাগ মৃধা চাঁদপুর যাওয়ার কথা বলে তাকে ৩০ টাকা ভাড়ায় যাত্রী হন। এরপর ঘাস আনার কথা বলে একটি কলাবাগানে নিয়ে গিয়ে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে আনু মৃধাকে। ঘটনার পরেরদিন ১৭ এপ্রিল নিহতের ছেলে পিয়াস মৃধা বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ সুপার জানান, আনু মৃধাকে হত্যার পর তার রিকশাটি পার্শ্ববর্তী রাজবাড়ী জেলার খানখানাপুর গ্রামে মাত্র ১৭ হাজার টাকায় রবিউল মিয়া নামে এক ব্যক্তির মধ্যস্ততায় আরেক রিকশাচালক আক্কাস আলী শেখের কাছে বিক্রি করে দেয় সে। পুলিশ তাদের দুজনকেও গ্রেপ্তার করার পর তাদের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালতে প্রেরণ করে।
জেলা পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ প্রেস ব্রিফিংয়ে অন্যান্যের মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সুমন রঞ্জন সরকার, কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম,এ জলিল, ডিবির ওসি মো. রাকিবুল ইসলামসহ পুলিশ ও প্রিন্ট-ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।















