শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি নিয়ে ভোগান্তি
- আপডেট সময় : ০১:২৩:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২
- / ১০৫৩ বার পড়া হয়েছে
শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি নিয়ে ভোগান্তি
এম এইচ ইলিয়াছঃ
শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিক আইডির ফরম পূরণ ও ডাটা এন্ট্রির জন্য নতুন করে সময় ঠিক করা হয়েছে। নতুন সময়সীমা অনুযায়ী চট্টগ্রাম বিভাগের শিক্ষার্থীদের তথ্য ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পাঠাতে হবে।
শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি ফরম পূরণের প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পিতা-মাতার নামের ভুল থাকা ও জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকার ফলে অনেক শিক্ষার্থীই ইউনিক আইডি করতে পারছেন না। এ নিয়ে শিক্ষাবোর্ডের দায়িত্বশীলদেরও পড়তে হচ্ছে নানা জটিলতায়।
দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীর জন্য ইউনিক আইডি তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই ইউনিক আইডিতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মৌলিক ও শিক্ষা-সংক্রান্ত সব তথ্য থাকবে। এই আইডি থেকেই পরে জাতীয় পরিচয়পত্র পাবে শিক্ষার্থীরা। দেশের তিন কোটিরও বেশি শিক্ষার্থীর জন্য ইউনিক আইডি করছে সরকার।
পাঁচ বছর বয়সী প্রাক-প্রাথমিক থেকে ১৭ বছর বয়সের দ্বাদশ শ্রেণির সব ছাত্র-ছাত্রী পাবে এই ইউনিক আইডি। আইডিতে ১০ বা ১৬ ডিজিটের শিক্ষার্থী শনাক্ত নম্বর থাকবে, যা পরবর্তীতে হবে ওই শিক্ষার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর।
নতুন সময়সীমা অনুসারে, শিক্ষার্থীদের তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম বিভাগে ১৪-২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে, ঢাকা বিভাগে ১-১৬ মার্চের মধ্যে, রাজশাহী ও সিলেট বিভাগে ১৭-৩১ মার্চের মধ্যে, বরিশাল ও খুলনা বিভাগে ১-১২ এপ্রিল পর্যন্ত এবং রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের শিক্ষার্থীদের তথ্য ১৩-২৭ এপ্রিলের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর চট্টগ্রামের প্রোগ্রামার তাপস কুমার সাহা বলেন, শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি করার ক্ষেত্রে নানা জটিলতার কথা আমরাও শুনেছি। তবে এখানে আমাদের করার কিছুই নেই। কারণ এ আইডি তৈরি করছে বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)। তারা সমস্যা সমাধানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর চিফ পরিসংখ্যানবিদ শেখ মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, আমরা প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষককে দায়িত্ব দিয়েছি নিজ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করা জন্য। এজন্য ওই শিক্ষককে ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য একটি করে ফরম দেওয়া হয়েছে। উক্ত ফরম পূরণ করে অনলাইনে পোস্টিং দিবেন দায়িত্বপ্রাপ্ত ওই শিক্ষক।
[irp]
















