ঢাকা ১১:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা যাচাইয়ের আহ্বান উপ-প্রেস সচিবের

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৫:৫০:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / ১২৬৫ বার পড়া হয়েছে

যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির (বেতনভুক্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত) সব শর্ত পূরণ করেছে, তাদের শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি সরকার অবশ্যই বিবেচনা করবে বলে জানিয়েছেন উপ-প্রেস সচিব। তবে তিনি একই সঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন—যেসব প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে এমপিওভুক্ত হয়েছে, তারা আসলেই সরকার নির্ধারিত মানদণ্ড মেনেছে কি না, তা নতুন করে যাচাইয়ের সময় এসেছে।

তিনি তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এক পোস্টে লিখেছেন, “আমাদের এটা ভেবে দেখতে হবে এমপিওভুক্ত হয়েছে কারা? বছরের পর বছর রাজনৈতিক বিবেচনায় এবং তদবিরের মাধ্যমে অনেক প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছে। ছাত্র-শিক্ষক থাকুক বা না থাকুক, কোনো রকম একটা ছাপরি ঘর হলেই তারা তালিকাভুক্ত হয়েছে।”

উপ-প্রেস সচিব আরও উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলেই এই বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়েছে। “গতকাল প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, ২০০-রও বেশি কলেজে একজন শিক্ষার্থীও পাস করেনি। এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলেও একই চিত্র দেখা গেছে,” তিনি লিখেছেন।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যেসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার এমন করুণ অবস্থা, তাদের কেন জনগণের টাকায় অতিরিক্ত অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে?”
তাঁর মতে, এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সত্যিই সরকার নির্ধারিত ক্রাইটেরিয়া মেনেছে কি না, তা এখন তদন্ত করে দেখা জরুরি।

“ক্রাইটেরিয়া মানার ধারে কাছেও অনেক প্রতিষ্ঠান নেই। ফলাফলের অবস্থাও শোচনীয়। এমন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা কেন বাড়তি সুযোগ-সুবিধা পাবেন, সেটা পুনর্বিবেচনা করা দরকার,”— বলেন তিনি।

এমএইচ/আস্থা 

ট্যাগস :

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা যাচাইয়ের আহ্বান উপ-প্রেস সচিবের

আপডেট সময় : ০৫:৫০:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির (বেতনভুক্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত) সব শর্ত পূরণ করেছে, তাদের শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি সরকার অবশ্যই বিবেচনা করবে বলে জানিয়েছেন উপ-প্রেস সচিব। তবে তিনি একই সঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন—যেসব প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে এমপিওভুক্ত হয়েছে, তারা আসলেই সরকার নির্ধারিত মানদণ্ড মেনেছে কি না, তা নতুন করে যাচাইয়ের সময় এসেছে।

তিনি তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এক পোস্টে লিখেছেন, “আমাদের এটা ভেবে দেখতে হবে এমপিওভুক্ত হয়েছে কারা? বছরের পর বছর রাজনৈতিক বিবেচনায় এবং তদবিরের মাধ্যমে অনেক প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছে। ছাত্র-শিক্ষক থাকুক বা না থাকুক, কোনো রকম একটা ছাপরি ঘর হলেই তারা তালিকাভুক্ত হয়েছে।”

উপ-প্রেস সচিব আরও উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলেই এই বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়েছে। “গতকাল প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, ২০০-রও বেশি কলেজে একজন শিক্ষার্থীও পাস করেনি। এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলেও একই চিত্র দেখা গেছে,” তিনি লিখেছেন।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যেসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার এমন করুণ অবস্থা, তাদের কেন জনগণের টাকায় অতিরিক্ত অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে?”
তাঁর মতে, এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সত্যিই সরকার নির্ধারিত ক্রাইটেরিয়া মেনেছে কি না, তা এখন তদন্ত করে দেখা জরুরি।

“ক্রাইটেরিয়া মানার ধারে কাছেও অনেক প্রতিষ্ঠান নেই। ফলাফলের অবস্থাও শোচনীয়। এমন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা কেন বাড়তি সুযোগ-সুবিধা পাবেন, সেটা পুনর্বিবেচনা করা দরকার,”— বলেন তিনি।

এমএইচ/আস্থা