সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ফরিদপুরের ১৩ গ্রামে ঈদ উদযাপন
- আপডেট সময় : ০৩:৩৮:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ এপ্রিল ২০২৩
- / ১০৬৪ বার পড়া হয়েছে
সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ফরিদপুরের ১৩ গ্রামে ঈদ উদযাপন
ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ
প্রতি বছরের মত ব্যাপক উৎসব আর আনন্দ নিয়ে এবারও সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সাথে মিল রেখে ফরিদপুরের বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা উপজেলার ১৩টি গ্রামের বাসিন্দারা পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে।
আজ শুক্রবার (২১ এপ্রিল) উল্লেখিত গ্রামের মানুষ মাহে রমজান মাসের শেষ রোজাটি না রেখে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে পরিবার পরিজন নিয়ে সকালে ঈদের জামাত আদায়, ঈদের উৎসব ধুমধামে পালন করছেন অনাবিল আনন্দের সাথে।
প্রাপ্ত তথ্য সূত্রে জানা গেছে, বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ও রুপাপাত ইউনিয়নের ১০টি গ্রামের মানুষ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে (ঈদ করার জন্য একদিন আগে) মাহে রমজান মাসের রোজা পালন শুরু করে। যার প্রেক্ষিতে একদিন আগে এসকল ১০ গ্রামের সাধারণ জনগণে ঈদ উদযাপন করে থাকেন।
সূত্র মতে আলফাডাঙ্গা উপজেলা সদর ইউনিয়নের শুকুরহাটা, ইছাপাশাসহ ৩টি গ্রামের মানুষ একই সাথে ঈদ উদযাপন করছেন। বিশেষ করে একদিন আগে যারা রোজা ও ঈদ উৎসব উদযাপন করেন এদের সকলেই চট্টগ্রামের মির্জাখিল শরিফের ভক্ত মুরিদান বলে জানিয়েছেন গ্রাম্বাসী।
আলফাডাঙ্গা সরকারি ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মাহিদুল হক বলেন, চট্টগ্রামের মির্জাখিল শরিফের অনুসারীরা সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সাথে মিল রেখে ঈদ পালন করে। তারা তিনটি ঈদের জামাতের নামাজ আদায় করেন। সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে ১১টার মধ্যে জামাত গুলো শেষ হয়।
আলফাডাঙ্গা উপজেলার ধলেরচর গ্রামের বাসিন্দা আবদুল মান্নান বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগে তিন গ্রামের কিছু লোকজন নিয়ে ধলেরচর মাদরাসা ঈদগাহ নামাজ আদায় করতাম। ইমাম অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান মারা যাওয়ার পর থেকে এখানে আর জামাত হয় না বলে সহস্রাইল গিয়ে তাদের অনেকে নামাজ আদায় করেন।
বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশারেফ হোসাইন বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা উপজেলার কয়েকটি গ্রামে ঈদ পালিত হচ্ছে বলে শুনেছি। তারা সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদের উত্সব পালন করে থাকেন লোকমুখে জানতে পারেন।
উল্লেখ্য বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ও রুপাপাত ইউনিয়নের কাটাগড়, সহস্রাইল, মাইটকোমড়া, ভুলবাড়িয়া, রাখালতলী, বারাংকুলা, দড়ি সহস্রাইল এবং আলফাডাঙ্গা উপজেলার ইছাপাশা ও শুকুরহাটাসহ ১৩টি গ্রামের প্রায় কয়েক হাজার মানুষ দীর্ঘ বছর ধরে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে বাংলাদেশের ঈদের একদিন আগে তারা ঈদ উদযাপন করে আসছেন।

















