ঢাকা ০৫:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হত্যার পর লাশ ৭ টুকরো: অপমানের প্রতিশোধ

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০২:৩৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • / ১০০৩ বার পড়া হয়েছে

হত্যার পর লাশ ৭ টুকরো: অপমানের প্রতিশোধ

স্টাফ রিপোর্টারঃ

ঢাকার মতিঝিলে রুমমেট ওবায়দুল্লাহকে হত্যা করে লাশ ৭ টুকরো করেন শাহীন আলম। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তাকে আটক করেছে পুলিশ।

কথাকাটাকাটির জেরে যুবক ওবায়দুল্লাহকে হত্যা করেন তার রুমমেট শাহীন। লাশ গুম করতে দেহ ৭ টুকরো করেন তিনি। এরপর নিজের সাইকেলে করে টুকরো করা লাশ পলিথিনে মুড়িয়ে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দেন। আটকের পর শাহীনের কাছ থেকে এমন তথ্য পেয়েছে পুলিশ।

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে ওবায়দুল্লাহকে হত্যা করা হয়। পরদিন সকালে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা থেকে দেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তদন্তে নামে তারা। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ওবায়দুল্লাহর রুমমেট শাহীনকে আটক করে পুলিশ।

ডিএমপির মতিঝিল জোনের ডিসি হারুন অর রশিদ জানান, মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ ও মতিঝিল হীরাঝিল হোটেলের কর্মচারী শাহীন আলম মতিঝিলের কবি জসীমউদ্‌দীন রোডের একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে ওবায়দুল্লাহকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন শাহীন। অনৈতিক প্রস্তাব ও কথাকাটাকাটির জেরে এই হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

ডিসি হারুন অর রশিদ আরও জানান, আটক শাহীনের দাবি, ওবায়দুল্লাহ তাকে নানাভাবে অপমান করতেন। এ কারণে ক্ষুব্ধ হন। গত শুক্রবার রাতে বাসায় ওবায়দুল্লাহকে হত্যার পর লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে চাপাতি দিয়ে টুকরা করা হয়। লাশ টুকরো করার কাজে ব্যবহৃত চাপাতি ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

ট্যাগস :

হত্যার পর লাশ ৭ টুকরো: অপমানের প্রতিশোধ

আপডেট সময় : ০২:৩৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

হত্যার পর লাশ ৭ টুকরো: অপমানের প্রতিশোধ

স্টাফ রিপোর্টারঃ

ঢাকার মতিঝিলে রুমমেট ওবায়দুল্লাহকে হত্যা করে লাশ ৭ টুকরো করেন শাহীন আলম। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তাকে আটক করেছে পুলিশ।

কথাকাটাকাটির জেরে যুবক ওবায়দুল্লাহকে হত্যা করেন তার রুমমেট শাহীন। লাশ গুম করতে দেহ ৭ টুকরো করেন তিনি। এরপর নিজের সাইকেলে করে টুকরো করা লাশ পলিথিনে মুড়িয়ে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দেন। আটকের পর শাহীনের কাছ থেকে এমন তথ্য পেয়েছে পুলিশ।

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে ওবায়দুল্লাহকে হত্যা করা হয়। পরদিন সকালে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা থেকে দেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তদন্তে নামে তারা। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ওবায়দুল্লাহর রুমমেট শাহীনকে আটক করে পুলিশ।

ডিএমপির মতিঝিল জোনের ডিসি হারুন অর রশিদ জানান, মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ ও মতিঝিল হীরাঝিল হোটেলের কর্মচারী শাহীন আলম মতিঝিলের কবি জসীমউদ্‌দীন রোডের একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে ওবায়দুল্লাহকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন শাহীন। অনৈতিক প্রস্তাব ও কথাকাটাকাটির জেরে এই হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

ডিসি হারুন অর রশিদ আরও জানান, আটক শাহীনের দাবি, ওবায়দুল্লাহ তাকে নানাভাবে অপমান করতেন। এ কারণে ক্ষুব্ধ হন। গত শুক্রবার রাতে বাসায় ওবায়দুল্লাহকে হত্যার পর লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে চাপাতি দিয়ে টুকরা করা হয়। লাশ টুকরো করার কাজে ব্যবহৃত চাপাতি ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।