ঢাকা ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে ক্ষেত্র মোহন ও কমল বিকাশ ত্রিপুরা Logo মেঘমল্লার বসুর আত্মহত্যার চেষ্টা, হাসপাতালে ভর্তি Logo একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাবেন জামায়াত আমীর Logo ভারতীয় স্পাইসজেটকে আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিলো বাংলাদেশ Logo ঝটিকা মিছিল চলাকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ৮ কর্মী আটক Logo ইউনূস সরকারের শেষ সময়ের বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বিতর্ক কেন? Logo প্রথম আলোয় হামলা: অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা-ফাওজুল কবীর Logo বিএনপি’র প্রতি আমার অভিমান শুরু হতে চলেছে-রব রাজা Logo কক্সবাজারে দুর্ঘটনার কবলে ওজিল ও এরদোয়ানের ছেলের গাড়িবহর Logo অস্তিত্বহীন ড. ইউনূসের “থ্রি জিরো” পরিকল্পনা

হাইপোথাইরয়েড সেন্টারের নানা অনিয়ম: মৃত চিকিৎসকের নামে ভুয়া রিপোর্ট

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৪:০৩:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২০
  • / ১০৮৭ বার পড়া হয়েছে

হাইপোথাইরয়েড সেন্টারের নানা অনিয়ম: মৃত চিকিৎসকের নামে ভুয়া রিপোর্ট । মৃত চিকিৎসকের নামে সই দিয়ে মাসের পর মাস রোগীদের দেয়া হতো ভুয়া রিপোর্ট । দশ বছর ধরে থাইরয়েড, হেপাটাইটিসের মতো পরীক্ষার ল্যাব পরিচালনা করলেও সক্ষমতা নেই বললেই চলে। রাজধানীর শ্যামলীতে হাইপোথাইরয়েড সেন্টারের নামে একটি ল্যাবে অভিযানে বেরিয়ে আসে অনিয়মের এ ভয়াবহ চিত্র।

প্রতারণায় রিজেন্ট কিংবা জেকেজিকেও হার মানিয়েছে এই সেন্টারটি। দশ বছর ধরে ল্যাব পরিচালনা করছে হাইপোথাইরয়েড সেন্টার। থাইরয়েডের নানা রিপোর্টসহ হেপাটাইটিস, ব্লাড কালচারসহ চলতো নানা পরীক্ষা। অথচ সেই ল্যাবের এমন বেহাল দশা।

আরো পড়ুনঃ দৈনিক আস্থার সাংবাদিক শেখ সাগরকে বেধড়ক মারধর

রিপোর্ট দিতে ব্যবহার করতো নামি চিকিৎসকের নাম। সর্বশেষ অধ্যাপক মনিরুজ্জামানের স্বাক্ষরে অক্টোবরে রিপোর্ট দেয়া হলেও এই চিকিৎসক করোনায় প্রাণ হারান মে মাসের প্রথম সপ্তাহে। এছাড়া আরো মিলেছে চিকিৎসকের স্বাক্ষর করা অসংখ্য ভুয়া রিপোর্ট।

কর্মচারীরা বলছেন, দুই একটা টেস্ট করা হলেও বাকিগুলো দেয়া হতো অনুমান করে।

তারা বলেন, কিছু কিছু টেস্ট করা হতো। তবে সবগুলোর করা হতো না। বিভিন্ন জেলা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হতো।

হাইপোথাইরয়েড সেন্টার দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কুরিয়ারে স্যাম্পল সংগ্রহ করে মেইলে রিপোর্ট দিতো।

আরো পড়ুনঃ আব্দুর রব মুনা বিশ্বাসের দূর্বৃত্তপনা ও চাঁদাবাজি

এ প্রসঙ্গে অভিযান পরিচালনাকারী বলেন, গত ৫ বছরে কোনো দিন প্রফেসর যথাসম্ভব এখানে বসেই নি। তার মানে সবগুলো রিপোর্টই ফেক। তারা চিকিৎসকদের নামে অগ্রিম সাক্ষর নিয়ে রাখতো। আজব ব্যাপার হলে অন্য হাসপাতালে অভিযান চালানোর সময় দেখেছি চিকিৎসকের পরিবর্তে টেকনিশিয়ানরা সাক্ষর করতো। কিন্তু এখানে পেলাম গাড়ির ড্রাইভাররাও সাক্ষর করে দিচ্ছে।

দুজনকে দুই বছরের কারাদণ্ড ও প্রতিষ্ঠান সিলগালা করেছে র‍্যাব। পাশাপাশি খোঁজা হচ্ছে মালিক বাকেরকে।

এ প্রসঙ্গে অভিযান পরিচালনাকারী বলেন, গত ৫ বছরে কোনো দিন প্রফেসর যথাসম্ভব এখানে বসেই নি। তার মানে সবগুলো রিপোর্টই ফেক। তারা চিকিৎসকদের নামে অগ্রিম সাক্ষর নিয়ে রাখতো। আজব ব্যাপার হলে অন্য হাসপাতালে অভিযান চালানোর সময় দেখেছি চিকিৎসকের পরিবর্তে টেকনিশিয়ানরা সাক্ষর করতো। কিন্তু এখানে পেলাম গাড়ির ড্রাইভাররাও সাক্ষর করে দিচ্ছে।

হাইপোথাইরয়েড সেন্টারের নানা অনিয়ম: মৃত চিকিৎসকের নামে ভুয়া রিপোর্ট

আপডেট সময় : ০৪:০৩:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২০

হাইপোথাইরয়েড সেন্টারের নানা অনিয়ম: মৃত চিকিৎসকের নামে ভুয়া রিপোর্ট । মৃত চিকিৎসকের নামে সই দিয়ে মাসের পর মাস রোগীদের দেয়া হতো ভুয়া রিপোর্ট । দশ বছর ধরে থাইরয়েড, হেপাটাইটিসের মতো পরীক্ষার ল্যাব পরিচালনা করলেও সক্ষমতা নেই বললেই চলে। রাজধানীর শ্যামলীতে হাইপোথাইরয়েড সেন্টারের নামে একটি ল্যাবে অভিযানে বেরিয়ে আসে অনিয়মের এ ভয়াবহ চিত্র।

প্রতারণায় রিজেন্ট কিংবা জেকেজিকেও হার মানিয়েছে এই সেন্টারটি। দশ বছর ধরে ল্যাব পরিচালনা করছে হাইপোথাইরয়েড সেন্টার। থাইরয়েডের নানা রিপোর্টসহ হেপাটাইটিস, ব্লাড কালচারসহ চলতো নানা পরীক্ষা। অথচ সেই ল্যাবের এমন বেহাল দশা।

আরো পড়ুনঃ দৈনিক আস্থার সাংবাদিক শেখ সাগরকে বেধড়ক মারধর

রিপোর্ট দিতে ব্যবহার করতো নামি চিকিৎসকের নাম। সর্বশেষ অধ্যাপক মনিরুজ্জামানের স্বাক্ষরে অক্টোবরে রিপোর্ট দেয়া হলেও এই চিকিৎসক করোনায় প্রাণ হারান মে মাসের প্রথম সপ্তাহে। এছাড়া আরো মিলেছে চিকিৎসকের স্বাক্ষর করা অসংখ্য ভুয়া রিপোর্ট।

কর্মচারীরা বলছেন, দুই একটা টেস্ট করা হলেও বাকিগুলো দেয়া হতো অনুমান করে।

তারা বলেন, কিছু কিছু টেস্ট করা হতো। তবে সবগুলোর করা হতো না। বিভিন্ন জেলা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হতো।

হাইপোথাইরয়েড সেন্টার দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কুরিয়ারে স্যাম্পল সংগ্রহ করে মেইলে রিপোর্ট দিতো।

আরো পড়ুনঃ আব্দুর রব মুনা বিশ্বাসের দূর্বৃত্তপনা ও চাঁদাবাজি

এ প্রসঙ্গে অভিযান পরিচালনাকারী বলেন, গত ৫ বছরে কোনো দিন প্রফেসর যথাসম্ভব এখানে বসেই নি। তার মানে সবগুলো রিপোর্টই ফেক। তারা চিকিৎসকদের নামে অগ্রিম সাক্ষর নিয়ে রাখতো। আজব ব্যাপার হলে অন্য হাসপাতালে অভিযান চালানোর সময় দেখেছি চিকিৎসকের পরিবর্তে টেকনিশিয়ানরা সাক্ষর করতো। কিন্তু এখানে পেলাম গাড়ির ড্রাইভাররাও সাক্ষর করে দিচ্ছে।

দুজনকে দুই বছরের কারাদণ্ড ও প্রতিষ্ঠান সিলগালা করেছে র‍্যাব। পাশাপাশি খোঁজা হচ্ছে মালিক বাকেরকে।

এ প্রসঙ্গে অভিযান পরিচালনাকারী বলেন, গত ৫ বছরে কোনো দিন প্রফেসর যথাসম্ভব এখানে বসেই নি। তার মানে সবগুলো রিপোর্টই ফেক। তারা চিকিৎসকদের নামে অগ্রিম সাক্ষর নিয়ে রাখতো। আজব ব্যাপার হলে অন্য হাসপাতালে অভিযান চালানোর সময় দেখেছি চিকিৎসকের পরিবর্তে টেকনিশিয়ানরা সাক্ষর করতো। কিন্তু এখানে পেলাম গাড়ির ড্রাইভাররাও সাক্ষর করে দিচ্ছে।