ঢাকা ১২:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo সাজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে অবরোধকারীদের গুলি বিনিময় Logo চীনে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প পুতিন ও শি Logo হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পক্ষেই যুক্তরাষ্ট্র: বোরহান কবীর Logo ফুলবাড়ীতে বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ Logo পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজির সাক্ষাৎ Logo সাংবাদিক আলিফ হত্যার বিচার ও জহিরুলের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে শ্রীপুরে মানববন্ধন Logo পুঠিয়ায় সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ মাদ্রাসার দুই ছাত্র Logo ইউনূসকে করের ৬৬৬ কোটি টাকা দিতে বলা হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল Logo চার বছরেও বাস্তবায়ন হয়নি হাইকোর্টের নির্দেশ Logo ইটের বদলে আসছে ব্লক

হাজার হাজার মেট্রিক টন ধান মজুত : আক্ষেপ খাদ্যমন্ত্রীর

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৪:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • / ১১৭৩ বার পড়া হয়েছে

এক শ্রেণির অসাধু চালকল মালিক অবৈধভাবে ধান ও চাল মজুত করে রাখার জন্য চালের বাজার অস্থিতিশীল হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেন, আমার নিজের এলাকায় হাজার হাজার মেট্টিক টন ধান মজুত রয়েছে। তাহলে আমার মনে কেমন লাগে?

খাদ্য ভবন সভাকক্ষে চালকল মালিক ও চাল ব্যাবসায়ী সমিতির সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। খাদ্য সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম এর সভাপতিত্বে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন, কৃষি সচিব মো. নাসিরুজ্জামান, খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক সারোয়ার মাহমুদ প্রমুখ।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে কৃষকদের নিকট দুই শতাংশও ধান নেই। আমি নয় দিন নওগাঁ, বগুড়া, জয়পুরহাট এলাকায় ঘুরেছি। বড় বড় মিলাররা কিছু পরিমাণ ধান মজুত রেখেছে এতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু দেখা গেছে মিল বন্ধ, লাইসেন্সও নবায়ন করেনি অথচ সেসব মিলেও ৫০০, হাজার, দেড় হাজার মেট্রিক টন ধান মজুত রেখেছে। ধানে গাছ গজিয়ে গেছে, এগুলো কার ধান।’

তিনি বলেন, ‘গত দুই দিন আমি গোপন সার্ভে করে প্রায় ৫০টা মিলের খোঁজ পেয়েছি এসব মিলে নিম্নে ২০০ মেট্রিক টন সর্বোচ্চ ৩ হাজার মেট্রিক টন ধান মজুত রয়েছে। এমনকি ৫০০ মেট্রিক টন চালও মজুত রয়েছে। এ সার্ভে যদি আরও সাত দিন করা হয় তাহলে শত শত চালকল পাওয়া যাবে সেখানে এভাবে ধান মজুত রাখা হয়েছে। আড়তদাররাও ধান ও চাল মজুত করে রাখছে।

তিনি আরও বলেন, একটা বন্ধ মিলে ১ হাজার ৪৪৭ মেট্রিক টন ধান ও ৭০০ মেট্রিক টন চাল মজুদ করে রাখা হয়েছে। এটা কী পরিকল্পিতভাবে সরকারকে বেকায়দায় ফেলা হচ্ছে না? যেসব মিল মালিক এ ধরনের অবৈধ মজুত করছেন না, তারাও অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছেন না।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এ রকম সহযোগিতা পেলেতো তাদেরকে কোলে তুলে নিতাম। আমি নওগাঁর মন্ত্রী, নওগাঁর মিল মালিকরা যদি হাজার হাজার মেট্রিক টন ধান ও চাল মজুত করে রাখে তাহলে আমার মনে কী হয়! আমি উত্তরবঙ্গের মন্ত্রী। মিল মালিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা সব জানেন কিন্তু তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন না। আপনারা শুধু এই সেই তথ্য দেন।

হাজার হাজার মেট্রিক টন ধান মজুত : আক্ষেপ খাদ্যমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৫:৩৪:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

এক শ্রেণির অসাধু চালকল মালিক অবৈধভাবে ধান ও চাল মজুত করে রাখার জন্য চালের বাজার অস্থিতিশীল হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেন, আমার নিজের এলাকায় হাজার হাজার মেট্টিক টন ধান মজুত রয়েছে। তাহলে আমার মনে কেমন লাগে?

খাদ্য ভবন সভাকক্ষে চালকল মালিক ও চাল ব্যাবসায়ী সমিতির সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। খাদ্য সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম এর সভাপতিত্বে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন, কৃষি সচিব মো. নাসিরুজ্জামান, খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক সারোয়ার মাহমুদ প্রমুখ।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে কৃষকদের নিকট দুই শতাংশও ধান নেই। আমি নয় দিন নওগাঁ, বগুড়া, জয়পুরহাট এলাকায় ঘুরেছি। বড় বড় মিলাররা কিছু পরিমাণ ধান মজুত রেখেছে এতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু দেখা গেছে মিল বন্ধ, লাইসেন্সও নবায়ন করেনি অথচ সেসব মিলেও ৫০০, হাজার, দেড় হাজার মেট্রিক টন ধান মজুত রেখেছে। ধানে গাছ গজিয়ে গেছে, এগুলো কার ধান।’

তিনি বলেন, ‘গত দুই দিন আমি গোপন সার্ভে করে প্রায় ৫০টা মিলের খোঁজ পেয়েছি এসব মিলে নিম্নে ২০০ মেট্রিক টন সর্বোচ্চ ৩ হাজার মেট্রিক টন ধান মজুত রয়েছে। এমনকি ৫০০ মেট্রিক টন চালও মজুত রয়েছে। এ সার্ভে যদি আরও সাত দিন করা হয় তাহলে শত শত চালকল পাওয়া যাবে সেখানে এভাবে ধান মজুত রাখা হয়েছে। আড়তদাররাও ধান ও চাল মজুত করে রাখছে।

তিনি আরও বলেন, একটা বন্ধ মিলে ১ হাজার ৪৪৭ মেট্রিক টন ধান ও ৭০০ মেট্রিক টন চাল মজুদ করে রাখা হয়েছে। এটা কী পরিকল্পিতভাবে সরকারকে বেকায়দায় ফেলা হচ্ছে না? যেসব মিল মালিক এ ধরনের অবৈধ মজুত করছেন না, তারাও অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছেন না।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এ রকম সহযোগিতা পেলেতো তাদেরকে কোলে তুলে নিতাম। আমি নওগাঁর মন্ত্রী, নওগাঁর মিল মালিকরা যদি হাজার হাজার মেট্রিক টন ধান ও চাল মজুত করে রাখে তাহলে আমার মনে কী হয়! আমি উত্তরবঙ্গের মন্ত্রী। মিল মালিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা সব জানেন কিন্তু তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন না। আপনারা শুধু এই সেই তথ্য দেন।