ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo ময়মনসিংহ রাস্তা বন্ধ করে এনসিপির পথসভা, ভোগান্তিতে যাত্রীরা Logo দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ নারী নিহত; আহত ৪০ Logo ফুলবাড়িয়ায় শিক্ষকের উপর হামলার প্রতিবাদ শিক্ষার্থীদের Logo কাপ্তাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আটক Logo ২০১৮ সালের যুবলীগ নেতা হত্যা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি শেখ হাসিনা Logo আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়া ছয় সমন্বয়ক মীর জাফর-মাসুদ কামাল Logo সুবর্ণচরে সাংবাদিকদের হত্যার হুমকি, থানায় জিডি Logo উত্তরের ৬ জেলার নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক Logo রাঙামাটিতে মায়ের দায়ের কোপে ছেলের মৃত্যু; বাবা-মা আটক Logo রিয়াদে এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্সের উদ্যোগে জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ

১৫ বছর পর বিয়ে বাড়িতে মাকে খুঁজে পেলেন ছেলে

News Editor
  • আপডেট সময় : ১২:৪৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • / ১১৫৭ বার পড়া হয়েছে

১৫ বছর বয়সে মাকে হারিয়ে ফেলেন আলামিন। এরপর বিভিন্ন জায়গায় খুঁজেও মায়ের কোনো সন্ধান পাননি। তবু হাল ছাড়েননি। যেখানেই যেতেন মাকে খুঁজে বেড়াতেন। বিশ্বাস ছিল মাকে একদিন না একদিন পাবেন। অবশেষে এক বিয়ে বাড়িতে এসে মাকে খুঁজে পেয়েছেন তিনি।

শুক্রবার সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউপির চাঁদনিমুখা বাজারে স্থানীয়দের মাধ্যমে মা আবেদা বেগমকে খুঁজে পান আলামিন। দীর্ঘদিন পর মাকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ছেলে। এ সময় মায়ের দুই চোখ বেয়ে পানি পড়তে থাকে।

বীরাঙ্গনা হিসেবে গেজেট-ভুক্তের আবেদনকারী সেই আ.লীগ নেত্রী বহিষ্কার

আলামিনের বাড়ি বাগেরহাটের মোংলা থানার জিরোধারাবাজি এলাকার ঘরখোল গ্রামে। তারা চার ভাই ও দুই বোন।

আলামিন জানান, তাদের মা ১৫ বছর আগে ব্রেনের সমস্যা নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। সব কিছু মনে রাখতে পারেন না। ঝড়-বৃষ্টির এক রাতে তাদের মা আবেদা বেগম বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এলাকায় মাইকিং, থানায় জিডি, বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ দিয়েও মায়ের কোনো খোঁজ পাননি। তবে বিশ্বাস ছিল মা মরেনি। তিনি বেঁচে আছেন। তাই কোথাও গেলে সব কাজের ফাঁকে মাকে একটু খুঁজে দেখতেন। যা অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল।

তিনি বলেন, শুক্রবার দুপুরে প্রতিবেশীর এক আত্মীয়ের বিয়েতে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউপির চাঁদনিমুখা বাজারে আসি। এ সময় মায়ের কথা মনে পড়ে। তখন আশপাশে মাকে খুঁজতে থাকি। বাজারের লোকজন এক নামাজি পাগলির সন্ধান দিলেন। যিনি দুই বছর ধরে এ এলাকায় থাকছেন। বিষয়টি শুনেই বিয়ের বাড়ির কোলাহল ছেড়ে খোঁজাখুঁজি করতে থাকি। একপর্যায়ে গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের পাশের একটি দোকানের নিচে বসা ওই নামাজি পাগলিকে দেখি। আর তিনিই হলেন আমার মা।

গাবুরা ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম জানান, হারিয়ে যাওয়া মাকে খুঁজে পেয়েছেন সন্তানরা। ১৫ বছর পর সন্তানদের কাছে পেয়ে ওই নারী অনেক খুশি হয়েছেন।

ট্যাগস :

১৫ বছর পর বিয়ে বাড়িতে মাকে খুঁজে পেলেন ছেলে

আপডেট সময় : ১২:৪৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

১৫ বছর বয়সে মাকে হারিয়ে ফেলেন আলামিন। এরপর বিভিন্ন জায়গায় খুঁজেও মায়ের কোনো সন্ধান পাননি। তবু হাল ছাড়েননি। যেখানেই যেতেন মাকে খুঁজে বেড়াতেন। বিশ্বাস ছিল মাকে একদিন না একদিন পাবেন। অবশেষে এক বিয়ে বাড়িতে এসে মাকে খুঁজে পেয়েছেন তিনি।

শুক্রবার সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউপির চাঁদনিমুখা বাজারে স্থানীয়দের মাধ্যমে মা আবেদা বেগমকে খুঁজে পান আলামিন। দীর্ঘদিন পর মাকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ছেলে। এ সময় মায়ের দুই চোখ বেয়ে পানি পড়তে থাকে।

বীরাঙ্গনা হিসেবে গেজেট-ভুক্তের আবেদনকারী সেই আ.লীগ নেত্রী বহিষ্কার

আলামিনের বাড়ি বাগেরহাটের মোংলা থানার জিরোধারাবাজি এলাকার ঘরখোল গ্রামে। তারা চার ভাই ও দুই বোন।

আলামিন জানান, তাদের মা ১৫ বছর আগে ব্রেনের সমস্যা নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। সব কিছু মনে রাখতে পারেন না। ঝড়-বৃষ্টির এক রাতে তাদের মা আবেদা বেগম বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এলাকায় মাইকিং, থানায় জিডি, বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ দিয়েও মায়ের কোনো খোঁজ পাননি। তবে বিশ্বাস ছিল মা মরেনি। তিনি বেঁচে আছেন। তাই কোথাও গেলে সব কাজের ফাঁকে মাকে একটু খুঁজে দেখতেন। যা অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল।

তিনি বলেন, শুক্রবার দুপুরে প্রতিবেশীর এক আত্মীয়ের বিয়েতে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউপির চাঁদনিমুখা বাজারে আসি। এ সময় মায়ের কথা মনে পড়ে। তখন আশপাশে মাকে খুঁজতে থাকি। বাজারের লোকজন এক নামাজি পাগলির সন্ধান দিলেন। যিনি দুই বছর ধরে এ এলাকায় থাকছেন। বিষয়টি শুনেই বিয়ের বাড়ির কোলাহল ছেড়ে খোঁজাখুঁজি করতে থাকি। একপর্যায়ে গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের পাশের একটি দোকানের নিচে বসা ওই নামাজি পাগলিকে দেখি। আর তিনিই হলেন আমার মা।

গাবুরা ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম জানান, হারিয়ে যাওয়া মাকে খুঁজে পেয়েছেন সন্তানরা। ১৫ বছর পর সন্তানদের কাছে পেয়ে ওই নারী অনেক খুশি হয়েছেন।