ঢাকা ০৫:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo গুইমারায় শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo খাগড়াছড়িতে অতিঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলিতে সুষ্ঠু ভোট গ্রহণের দাবিতে ৪ প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন Logo মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে নিয়ে মিথ্যাচার কোনোভাবেই কাম্য নয়-মাহদী Logo ১৬ মাসে ৫৬০ হয়রানি, ১১৪৪ সাংবাদিক আক্রান্ত Logo ভোলায় প্রচারকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ Logo উখিয়ায় বিএনপি ছেড়ে ৫শ নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান Logo প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে তারেক রহমান: দ্য ইকোনমিস্ট Logo খাগড়াছড়ি প্রার্থীদের সাথে খাগড়াছড়িতে সেনা বাহীনির মতবিনিময় Logo খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে ৬ প্রার্থীর বৈঠকের গুঞ্জন Logo খাগড়াছড়িতে ২০৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৮৫টিকেই ঝুঁকিপূর্ণ

২২ মামলার পলাতক আসামি এই দম্পতি!

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০২:০৬:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মে ২০২১
  • / ১০৪৬ বার পড়া হয়েছে

বাংলামোটর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাজাপ্রাপ্ত-গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ ২২ মামলার পলাতক আসামি এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৪)।

বৃহস্পতিবার (২৭ মে) দিনগত রাতে কলাবাগান থানাধীন বাংলামোটর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন- এইচ এন এম সফিকুর রহমান (৫৯) ও তার স্ত্রী কাজী সামছুল নাহার মিনা (৫৪)।

র‌্যাব-৪ এর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জিয়াউর রহমান চৌধুরী জানান, সফিকুর রহমান ২০০২ সালে আইডিয়াল কো-অপারেটিভ সোসাইটি লি. নামে একটি সমবায় প্রতিষ্ঠান চালু করেন। এই প্রতিষ্ঠানের তিনি নিজে ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে ছিলেন এবং তার পরিবারের সদস্যরাই ওই প্রতিষ্ঠানের অন্য গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি লোকজনের কাছ থেকে হাজার কোটি টাকা প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন।

 

এরপর ‘আইসিএল রিয়েল স্টেট’ নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠান খুলে আবাসন ব্যবসা শুরু করেন তিনি। এ ব্যবসায় নেমেও তিনি মানুষের সঙ্গে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

 

[irp]

ভুক্তভোগীরা সফিকুরের নামে থানায় ও কোর্টে একাধিক মামলা দায়ের করলেও তিনি ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি দেখাতেন। যার অনেকেই তার বিরুদ্ধে মামলা করতে সাহস পায়নি।

 

এরপরেও তার ও তার স্ত্রীর নামে আদালতের সাজাসহ মোট ২২টি ওয়ারেন্ট ইস্যু হয়। এরপর থেকেই পলাতক ছিলেন এই দম্পতি। গ্রেপ্তার এড়াতে তারা প্রতি দুই-তিন মাস পর বাসা পাল্টানো এবং মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করতে থাকেন।

 

ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে আসামিদের অবস্থান চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব-৪। জানা যায়, গ্রেপ্তার দম্পতির বিরুদ্ধে পল্টন ও চৌদ্দগ্রাম, খিলক্ষেত থানায় দায়ের করা বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। এছাড়া আরো কিছু মামলা তদন্তাধীন।

 

এএসপি জিয়াউর রহমান চৌধুরী আরো জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেছেন এবং তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া প্রতারিত অসংখ্য ভুক্তভোগী এই প্রতারক দম্পতির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

[irp]

ট্যাগস :

২২ মামলার পলাতক আসামি এই দম্পতি!

আপডেট সময় : ০২:০৬:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মে ২০২১

বাংলামোটর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাজাপ্রাপ্ত-গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ ২২ মামলার পলাতক আসামি এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৪)।

বৃহস্পতিবার (২৭ মে) দিনগত রাতে কলাবাগান থানাধীন বাংলামোটর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন- এইচ এন এম সফিকুর রহমান (৫৯) ও তার স্ত্রী কাজী সামছুল নাহার মিনা (৫৪)।

র‌্যাব-৪ এর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জিয়াউর রহমান চৌধুরী জানান, সফিকুর রহমান ২০০২ সালে আইডিয়াল কো-অপারেটিভ সোসাইটি লি. নামে একটি সমবায় প্রতিষ্ঠান চালু করেন। এই প্রতিষ্ঠানের তিনি নিজে ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে ছিলেন এবং তার পরিবারের সদস্যরাই ওই প্রতিষ্ঠানের অন্য গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি লোকজনের কাছ থেকে হাজার কোটি টাকা প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন।

 

এরপর ‘আইসিএল রিয়েল স্টেট’ নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠান খুলে আবাসন ব্যবসা শুরু করেন তিনি। এ ব্যবসায় নেমেও তিনি মানুষের সঙ্গে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

 

[irp]

ভুক্তভোগীরা সফিকুরের নামে থানায় ও কোর্টে একাধিক মামলা দায়ের করলেও তিনি ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি দেখাতেন। যার অনেকেই তার বিরুদ্ধে মামলা করতে সাহস পায়নি।

 

এরপরেও তার ও তার স্ত্রীর নামে আদালতের সাজাসহ মোট ২২টি ওয়ারেন্ট ইস্যু হয়। এরপর থেকেই পলাতক ছিলেন এই দম্পতি। গ্রেপ্তার এড়াতে তারা প্রতি দুই-তিন মাস পর বাসা পাল্টানো এবং মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করতে থাকেন।

 

ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে আসামিদের অবস্থান চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব-৪। জানা যায়, গ্রেপ্তার দম্পতির বিরুদ্ধে পল্টন ও চৌদ্দগ্রাম, খিলক্ষেত থানায় দায়ের করা বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। এছাড়া আরো কিছু মামলা তদন্তাধীন।

 

এএসপি জিয়াউর রহমান চৌধুরী আরো জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেছেন এবং তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া প্রতারিত অসংখ্য ভুক্তভোগী এই প্রতারক দম্পতির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

[irp]