ঢাকা ১২:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী Logo যেসব দেশে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ার পরও কার্যকর হয়নি Logo শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী Logo জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটিতে বড় রদবদল Logo মেঘমল্লার বসুর আত্মহত্যার চেষ্টা, হাসপাতালে ভর্তি Logo একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাবেন জামায়াত আমীর Logo ভারতীয় স্পাইসজেটকে আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিলো বাংলাদেশ Logo ঝটিকা মিছিল চলাকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ৮ কর্মী আটক Logo ইউনূস সরকারের শেষ সময়ের বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বিতর্ক কেন? Logo প্রথম আলোয় হামলা: অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা-ফাওজুল কবীর

অ্যান্টিবায়োটিকের সুষ্ঠু ব্যবহারে প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ১১:১৩:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল ২০২১
  • / ১০৬০ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ

করোনাভাইরাসের চেয়ে আরও মারাত্মক মহামারি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) মোকাবেলায় ৫ প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) রাতে এ সম্পর্কিত উচ্চ স্তরের সংলাপে তিনি এসব পরামর্শ দেন।

এএমআর নিয়ে গঠিত গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপের অংশগ্রহণে এ সংলাপের আহ্বান করেন জাতিসংঘের জেনারেলঅ্যাসেম্বলির প্রেসিডেন্ট। এতে কো-চেয়ার হিসেবে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংলাপে আরও উপস্থিত ছিলেন আরেক কো-চেয়ার বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়া আমোর মোটলে।

[irp]

সংলাপে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া কর্ম প্রস্তাবনা হলো- স্বল্প ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে বিশেষ মনোযোগসহ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক উভয় স্তরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত কর্ম পরিকল্পনাসহ এএমআরে সংহত বহু-বিভাগীয় কর্ম পরিকল্পনা; ভালো উৎপাদন, পরীক্ষাগার অনুশীলন এবং নজরদারি কাঠামো; প্রযুক্তি হস্তান্তর ও মালিকানা ভাগ করে নেয়ার মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যের এবং কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিকগুলোর যথাযথ অ্যাক্সেস; এএমআর নিয়ন্ত্রণের ক্রিয়াকলাপের জন্য টেকসই অর্থায়ন; এবং সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এএমআর মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী জনসচেতনতা।

এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্ব এখন করোনার ধ্বংসাত্মক মহামারি প্রত্যক্ষ করছে। তবে, এএমআরের কারণে ভবিষ্যতে আরও মারাত্মক মহামারি হতে পারে। এই বিপদ সময়মতো মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হওয়ার ফলে মানবজীবন, প্রাণী ও উদ্ভিদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) এক অনুমান অনুসারে, এএমআর থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রতি বছরে ১০ মিলিয়ন মানুষ মারা যাবে এবং অর্থনৈতিক ক্ষতি হতে পারে ট্রিলিয়ন ডলারে, যা খাদ্য সুরক্ষা ও এসডিজির অর্জন এবং সার্বজনীন স্বাস্থ্য কভারেজের দিকে অগ্রগতিকে ব্যাহত করবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে ছয় বছরের (২০১৭ থেকে ২০২২ পর্যন্ত) অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স কনটেনমেন্ট-এআরসি সম্পর্কিত জাতীয় কৌশল পরিকল্পনা এবং জাতীয় কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছি। তদুপরি, এআরসি সম্পর্কিত জাতীয় প্রযুক্তি কমিটি এবং বাংলাদেশ এএমআর প্রতিক্রিয়া জোট গঠিত হয়েছিল। ডব্লিউএইচওর শ্রেণিবিন্যাস নিশ্চিত করতে মানব ও প্রাণী উভয়ের স্বাস্থ্যের জন্য ল্যাবরেটরিভিত্তিক এএমআর নজরদারি নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। একইভাবে, ২০১৯ সাল থেকে আমরা ডব্লিউএইচওর গ্লাস প্ল্যাটফর্মকে এএমআর নজরদারি ডেটা সরবরাহ করে আসছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতের মহামারি প্রতিরোধের জন্য এএমআরের চ্যালেঞ্জগুরো মোকাবিলা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের এএমআরের ওপর গ্লোবাল অ্যাকশন প্ল্যান-২০১৫, এএমআরের ওপর জাতিসংঘের রাজনৈতিক ঘোষণা-২০১৬ বাস্তবায়ন করতে হবে এবং এএমআরের ওপর জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। এএমআর নিয়ে গঠিত গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপের সহ-সভাপতিত্বকারী হিসেবে বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী ও আমি এএমআরের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অবদান রাখতে সকল প্রাসঙ্গিক অংশীজনদের সঙ্গে কাজ করার জন্য প্রস্তুত রয়েছি।

 

ট্যাগস :

অ্যান্টিবায়োটিকের সুষ্ঠু ব্যবহারে প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব

আপডেট সময় : ১১:১৩:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল ২০২১

অনলাইন ডেস্কঃ

করোনাভাইরাসের চেয়ে আরও মারাত্মক মহামারি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) মোকাবেলায় ৫ প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) রাতে এ সম্পর্কিত উচ্চ স্তরের সংলাপে তিনি এসব পরামর্শ দেন।

এএমআর নিয়ে গঠিত গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপের অংশগ্রহণে এ সংলাপের আহ্বান করেন জাতিসংঘের জেনারেলঅ্যাসেম্বলির প্রেসিডেন্ট। এতে কো-চেয়ার হিসেবে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংলাপে আরও উপস্থিত ছিলেন আরেক কো-চেয়ার বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়া আমোর মোটলে।

[irp]

সংলাপে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া কর্ম প্রস্তাবনা হলো- স্বল্প ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে বিশেষ মনোযোগসহ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক উভয় স্তরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত কর্ম পরিকল্পনাসহ এএমআরে সংহত বহু-বিভাগীয় কর্ম পরিকল্পনা; ভালো উৎপাদন, পরীক্ষাগার অনুশীলন এবং নজরদারি কাঠামো; প্রযুক্তি হস্তান্তর ও মালিকানা ভাগ করে নেয়ার মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যের এবং কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিকগুলোর যথাযথ অ্যাক্সেস; এএমআর নিয়ন্ত্রণের ক্রিয়াকলাপের জন্য টেকসই অর্থায়ন; এবং সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এএমআর মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী জনসচেতনতা।

এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্ব এখন করোনার ধ্বংসাত্মক মহামারি প্রত্যক্ষ করছে। তবে, এএমআরের কারণে ভবিষ্যতে আরও মারাত্মক মহামারি হতে পারে। এই বিপদ সময়মতো মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হওয়ার ফলে মানবজীবন, প্রাণী ও উদ্ভিদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) এক অনুমান অনুসারে, এএমআর থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রতি বছরে ১০ মিলিয়ন মানুষ মারা যাবে এবং অর্থনৈতিক ক্ষতি হতে পারে ট্রিলিয়ন ডলারে, যা খাদ্য সুরক্ষা ও এসডিজির অর্জন এবং সার্বজনীন স্বাস্থ্য কভারেজের দিকে অগ্রগতিকে ব্যাহত করবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে ছয় বছরের (২০১৭ থেকে ২০২২ পর্যন্ত) অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স কনটেনমেন্ট-এআরসি সম্পর্কিত জাতীয় কৌশল পরিকল্পনা এবং জাতীয় কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছি। তদুপরি, এআরসি সম্পর্কিত জাতীয় প্রযুক্তি কমিটি এবং বাংলাদেশ এএমআর প্রতিক্রিয়া জোট গঠিত হয়েছিল। ডব্লিউএইচওর শ্রেণিবিন্যাস নিশ্চিত করতে মানব ও প্রাণী উভয়ের স্বাস্থ্যের জন্য ল্যাবরেটরিভিত্তিক এএমআর নজরদারি নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। একইভাবে, ২০১৯ সাল থেকে আমরা ডব্লিউএইচওর গ্লাস প্ল্যাটফর্মকে এএমআর নজরদারি ডেটা সরবরাহ করে আসছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতের মহামারি প্রতিরোধের জন্য এএমআরের চ্যালেঞ্জগুরো মোকাবিলা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের এএমআরের ওপর গ্লোবাল অ্যাকশন প্ল্যান-২০১৫, এএমআরের ওপর জাতিসংঘের রাজনৈতিক ঘোষণা-২০১৬ বাস্তবায়ন করতে হবে এবং এএমআরের ওপর জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। এএমআর নিয়ে গঠিত গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপের সহ-সভাপতিত্বকারী হিসেবে বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী ও আমি এএমআরের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অবদান রাখতে সকল প্রাসঙ্গিক অংশীজনদের সঙ্গে কাজ করার জন্য প্রস্তুত রয়েছি।