ঢাকা ০১:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে ইউজিসির নিষেধাজ্ঞা

Doinik Astha
Doinik Astha
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৭:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ এপ্রিল ২০২৩
  • / ১০৮২ বার পড়া হয়েছে

সজিব হাসান,ডিআইইউ প্রতিনিধি: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে মাঝে মাঝেই আপত্তি প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও তিন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করলো ইউজিসি। পাশাপাশি পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

২৯ মার্চ (বুধবার) ইউজিসির পরিচালক ওমর ফারুকের স্বাক্ষর করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। ‘অবৈধ’ ঘোষিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো- ইবাইস ইউনিভার্সিটি, আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি ও দি ইউনিভার্সিটি অব কুমিল্লা। এ ছাড়া ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে- ব্রিটানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (কুমিল্লা), স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি, ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, আশা ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ও প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটিকে। ‘অবৈধ’ ঘোষিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সম্পর্কে ইউজিসি বলেছে, এ তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাময়িক অনুমতিপত্রের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। ফলে ২০১০ সালের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রমের আর কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুমোদিত কোনো ক্যাম্পাস ও ঠিকানা এবং চ্যান্সেলর তথা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ করা ভিসি, প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার নেই। অর্থাৎ বৈধ কোনো কর্তৃপক্ষ নেই। এর ফলে এ তিন ইউনিভার্সিটির একাডেমিক, প্রশাসনিক, আর্থিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি, পরীক্ষা ও ফলাফল এবং একাডেমিক সনদের আইনগত কোনো ভিত্তি নেই।

অন্যদিকে, নির্ধারিত সময়ে স্থায়ী ক্যাম্পাসে না যাওয়ায় স্টামফোর্ড, ভিক্টোরিয়া, আশা এবং প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটিতে ১ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ রয়েছে, যা আগামীতে অব্যাহত থাকবে। এ ছাড়া ইবাইস, সেন্ট্রাল ইউনির্ভাসিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ও ব্রিটেনিয়া ইউনিভার্সিটিতে (কুমিল্লা) বোর্ড অব ট্রাস্টিজের দ্বন্দ্ব রয়েছে। এর বাইরে একাধিক ব্যক্তি এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানা দাবি করে আদালতে মামলা করেছেন। যা এখনও বিচারাধীন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বলছে, বর্তমানে দেশে অনুমোদিত ১১০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে কমিশনের অনুমতিক্রমে ১০২টি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রাষ্ট্রপতির (চ্যান্সেলর) নিয়োগ করা ভিসি (উপাচার্য) রয়েছেন ৭০টিতে। বাকি ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয় উদ্যোক্তাদের নিয়োগ করা উপাচার্য দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে।

ট্যাগস :

আট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে ইউজিসির নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় : ০৩:৫৭:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ এপ্রিল ২০২৩

সজিব হাসান,ডিআইইউ প্রতিনিধি: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে মাঝে মাঝেই আপত্তি প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও তিন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করলো ইউজিসি। পাশাপাশি পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

২৯ মার্চ (বুধবার) ইউজিসির পরিচালক ওমর ফারুকের স্বাক্ষর করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। ‘অবৈধ’ ঘোষিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো- ইবাইস ইউনিভার্সিটি, আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি ও দি ইউনিভার্সিটি অব কুমিল্লা। এ ছাড়া ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে- ব্রিটানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (কুমিল্লা), স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি, ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, আশা ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ও প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটিকে। ‘অবৈধ’ ঘোষিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সম্পর্কে ইউজিসি বলেছে, এ তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাময়িক অনুমতিপত্রের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। ফলে ২০১০ সালের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রমের আর কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুমোদিত কোনো ক্যাম্পাস ও ঠিকানা এবং চ্যান্সেলর তথা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ করা ভিসি, প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার নেই। অর্থাৎ বৈধ কোনো কর্তৃপক্ষ নেই। এর ফলে এ তিন ইউনিভার্সিটির একাডেমিক, প্রশাসনিক, আর্থিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি, পরীক্ষা ও ফলাফল এবং একাডেমিক সনদের আইনগত কোনো ভিত্তি নেই।

অন্যদিকে, নির্ধারিত সময়ে স্থায়ী ক্যাম্পাসে না যাওয়ায় স্টামফোর্ড, ভিক্টোরিয়া, আশা এবং প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটিতে ১ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ রয়েছে, যা আগামীতে অব্যাহত থাকবে। এ ছাড়া ইবাইস, সেন্ট্রাল ইউনির্ভাসিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ও ব্রিটেনিয়া ইউনিভার্সিটিতে (কুমিল্লা) বোর্ড অব ট্রাস্টিজের দ্বন্দ্ব রয়েছে। এর বাইরে একাধিক ব্যক্তি এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানা দাবি করে আদালতে মামলা করেছেন। যা এখনও বিচারাধীন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বলছে, বর্তমানে দেশে অনুমোদিত ১১০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে কমিশনের অনুমতিক্রমে ১০২টি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রাষ্ট্রপতির (চ্যান্সেলর) নিয়োগ করা ভিসি (উপাচার্য) রয়েছেন ৭০টিতে। বাকি ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয় উদ্যোক্তাদের নিয়োগ করা উপাচার্য দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে।