ঢাকা ০৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo জনপ্রতিনিধিদেরকে বাদ দিয়ে দলীয় লোক দিয়ে ত্রাণ বিতরণের নির্দেশ ইউএনও’র Logo ইউনুচ সরকারের ব্যয় বিতর্কে অনিশ্চয়তায় পাতাল মেট্রো রেল প্রকল্প Logo রাজপথে ফিরছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ! Logo ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইন-সুফল পাচ্ছে দেশ Logo জয়নুল আবদিন ফারুককে সতর্ক করল বিএনপি Logo সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন, বাধা নেই কারামুক্তিতে Logo নির্বাচিত সরকারের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করছে ভারত Logo জামিন পেলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর: কারামুক্তিতে নেই বাধা Logo ঘুষ চাওয়ার ঘটনা সামনে আসায় আইসিটি’র বিচারপ্রক্রিয়ার উপর আস্থা কমবে Logo অভিযোগ-প্রশ্নে জর্জরিত জুলাই হত্যার বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

ইউনুচ সরকারের ব্যয় বিতর্কে অনিশ্চয়তায় পাতাল মেট্রো রেল প্রকল্প

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • / ১০২৪ বার পড়া হয়েছে

ইউনুচ সরকারের ব্যয় বিতর্কে অনিশ্চয়তায়
পাতাল মেট্রো রেল প্রকল্প

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সদ্য বিদায় নেওয়া ড. ইউনুচ এর নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যয় বিতর্কে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রেল প্রকল্প।

রাজধানীর বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর এবং নদ্দা থেকে পূর্বাচল এই দুই রুটে নির্মাণাধীন প্রকল্পটির কাজ এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।

২০২২ সালে শুরু হওয়া কাজের এখন পর্যন্ত নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করতে পারেনি ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। উল্টো যে দুটি অংশের কাজের জন্য দরপত্র শেষে চুক্তি হয়েছিল, সেগুলোও থেমে গেছে।

কাজ শুরু না হওয়ায় প্রভাব পড়ছে প্রকল্পের খরচে। জাপানের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকার অর্থায়নে আন্তর্জাতিক টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০২২ সালের দিকে প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৮-১৯ সালে ধারণামূলক নকশার ভিত্তিতে উন্নয়ন প্রকল্প (ডিপিপি) প্রস্তুত করা হয়। ডিপিপি অনুযায়ী প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫২ হাজার ৫শ ৬১ কোটি টাকা।

এমআরটি-১ প্রকল্পের কর্মকর্তারা বলেন, পাইপলাইন স্থাপনের কাজ দেরি হলে পাতালপথে মেট্রোরেল নির্মাণও পিছিয়ে যাবে। তখন নির্মাণসামগ্রীর বাজারমূল্য বেড়ে গেলে প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি পাবে।

পাতাল পথে মেট্রোরেল নির্মাণ শুরুর আগে পরিকল্পনা ছিল কুড়িল বিশ্বরোড এলাকা থেকে কিছু যানবাহন পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়ক হয়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, স্বদেশ প্রপার্টিজ এলাকা হয়ে আফতাবনগর হাউজিং এলাকার মধ্য দিয়ে রামপুরা আসবে।

সিপি-০৪ প্যাকেজের আওতায় এ স্টেশনগুলো নির্মাণে আন্তর্জাতিক ঠিকাদার নিয়োগ করা হবে। এ লক্ষ্যে এখন বিভিন্ন দরপত্রের আর্থিক মূল্যমান নিরীক্ষা চলছে।

এমআরটি-১ প্রকল্পের কর্মকর্তারা বলছেন, ঠিকাদার নিয়োগের আগে ইউটিলিটি স্থানান্তর কাজ শেষ না করা গেলে মেট্রোরেল প্রকল্পের দাতা সংস্থা জাইকা নির্মাণকাজে নানা আপত্তি জানাবে। কারণ, মেট্রোরেল চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ঠিকাদার নিয়োগে জাইকার সম্মতিপত্র নিতে হবে।

এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের ভূতল (আন্ডারগ্রাউন্ড) অংশে ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর ২৪ কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ব্রিগেড বেশ কয়েকজন ঠিকাদার নিয়োগ করেছে। তবে ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ গতি না পাওয়ায় সেই ঠিকাদাররা প্রগতি সরণিতে কাজ শুরু করতে পারছেন না।

এমআরটি-১ প্রকল্পের কর্মকর্তারা আবুল কাসেম ভূঁঞা বলেন, ‘উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতায় যে সড়কগুলো রয়েছে, তাতে খোঁড়াখুঁড়ি করতে গেলে তাদের অনুমতি নিতে হয়। প্রকল্প অফিস থেকে আমরা আবেদন জানালেও অনেক সময় তাদের সহযোগিতা মিলছে না।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

ইউনুচ সরকারের ব্যয় বিতর্কে অনিশ্চয়তায় পাতাল মেট্রো রেল প্রকল্প

আপডেট সময় : ০৪:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

ইউনুচ সরকারের ব্যয় বিতর্কে অনিশ্চয়তায়
পাতাল মেট্রো রেল প্রকল্প

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সদ্য বিদায় নেওয়া ড. ইউনুচ এর নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যয় বিতর্কে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রেল প্রকল্প।

রাজধানীর বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর এবং নদ্দা থেকে পূর্বাচল এই দুই রুটে নির্মাণাধীন প্রকল্পটির কাজ এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।

২০২২ সালে শুরু হওয়া কাজের এখন পর্যন্ত নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করতে পারেনি ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। উল্টো যে দুটি অংশের কাজের জন্য দরপত্র শেষে চুক্তি হয়েছিল, সেগুলোও থেমে গেছে।

কাজ শুরু না হওয়ায় প্রভাব পড়ছে প্রকল্পের খরচে। জাপানের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকার অর্থায়নে আন্তর্জাতিক টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০২২ সালের দিকে প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৮-১৯ সালে ধারণামূলক নকশার ভিত্তিতে উন্নয়ন প্রকল্প (ডিপিপি) প্রস্তুত করা হয়। ডিপিপি অনুযায়ী প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫২ হাজার ৫শ ৬১ কোটি টাকা।

এমআরটি-১ প্রকল্পের কর্মকর্তারা বলেন, পাইপলাইন স্থাপনের কাজ দেরি হলে পাতালপথে মেট্রোরেল নির্মাণও পিছিয়ে যাবে। তখন নির্মাণসামগ্রীর বাজারমূল্য বেড়ে গেলে প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি পাবে।

পাতাল পথে মেট্রোরেল নির্মাণ শুরুর আগে পরিকল্পনা ছিল কুড়িল বিশ্বরোড এলাকা থেকে কিছু যানবাহন পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়ক হয়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, স্বদেশ প্রপার্টিজ এলাকা হয়ে আফতাবনগর হাউজিং এলাকার মধ্য দিয়ে রামপুরা আসবে।

সিপি-০৪ প্যাকেজের আওতায় এ স্টেশনগুলো নির্মাণে আন্তর্জাতিক ঠিকাদার নিয়োগ করা হবে। এ লক্ষ্যে এখন বিভিন্ন দরপত্রের আর্থিক মূল্যমান নিরীক্ষা চলছে।

এমআরটি-১ প্রকল্পের কর্মকর্তারা বলছেন, ঠিকাদার নিয়োগের আগে ইউটিলিটি স্থানান্তর কাজ শেষ না করা গেলে মেট্রোরেল প্রকল্পের দাতা সংস্থা জাইকা নির্মাণকাজে নানা আপত্তি জানাবে। কারণ, মেট্রোরেল চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ঠিকাদার নিয়োগে জাইকার সম্মতিপত্র নিতে হবে।

এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের ভূতল (আন্ডারগ্রাউন্ড) অংশে ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর ২৪ কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ব্রিগেড বেশ কয়েকজন ঠিকাদার নিয়োগ করেছে। তবে ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ গতি না পাওয়ায় সেই ঠিকাদাররা প্রগতি সরণিতে কাজ শুরু করতে পারছেন না।

এমআরটি-১ প্রকল্পের কর্মকর্তারা আবুল কাসেম ভূঁঞা বলেন, ‘উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতায় যে সড়কগুলো রয়েছে, তাতে খোঁড়াখুঁড়ি করতে গেলে তাদের অনুমতি নিতে হয়। প্রকল্প অফিস থেকে আমরা আবেদন জানালেও অনেক সময় তাদের সহযোগিতা মিলছে না।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ