ঢাকা ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার Logo প্রাণ ফিরছে লোগাং ইউপি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদে Logo পানছড়িতে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক Logo পানছড়িতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া-রাবিশ ব্যবহার Logo মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ Logo অষ্টগ্রামে জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে অতর্কিত হামলা, ছাত্রদল সভাপতিসহ আহত ৬ Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে স্বেচ্ছাসেবক দলের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ঘরে-বাইরে নিরাপত্তাহীনতা, সারাদেশে বাধাহীন ‘মব’-২০২৫ Logo সড়ক পাশে ফেলে যাওয়া দুই শিশুর বাবার বাড়ি খাগড়াছড়ি Logo দেশে এমন জানাজা আগে কেউ দেখেনি

এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে যা বললেন মাউশির ডিজি

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৪:৫২:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২১
  • / ১৩৩৯ বার পড়া হয়েছে

সরকার আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিলেও করোনা পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে না আসলে শিক্ষার্থীদের চলমান অ্যাসাইনমেন্ট প্রক্রিয়ায় মূল্যায়ন করেই পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ মোহাম্মদ গোলাম ফারুক।

নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অ্যাসাইনমেন্ট এবং করোনা পরবর্তী শ্রেণি কার্যক্রম চালুর পূর্ব প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ উপলক্ষে শনিবার (২৮ আগস্ট) সকালে নারায়ণগঞ্জ হাইস্কুল এন্ড কলেজে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার জন্য সরকার আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী ১৮ বছর বয়সের ঊর্ধ্বে সকল শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনার পর কলেজ খুলে দেওয়া হবে।

তবে স্কুলের শিক্ষার্থীদের বয়স ১৮ বছরের নিচে হওয়ায় যেহেতু এই মুহূর্তে তাদের টিকার আওতায় আনা যাচ্ছে না, তাই স্কুল খোলার ব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রী আগামী সপ্তাহে কারিগরি কমিটির সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। তাদের পরামর্শ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

মতবিনিময় সভা শেষে দুপুরে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ মোহাম্মদ গোলাম ফারুক নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুল এন্ড কলেজের এসএসসি, এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

পরে তিনি পার্শ্ববর্তী নারায়ণগঞ্জ কলেজ এবং মর্গ্যান বালিকা উচ্চা বিদ্যালয় ও কলেজ পরিদর্শন করেন এবং প্রতিষ্ঠান দুইটির শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন।

এর আগে গত ১২ আগস্ট শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি গণমাধ্যমকে জানান, করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে চলতি বছরের নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এবং আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্তমানে দিন দিন করোনা সংক্রমণের হার কমছে। কিছুদিন আগেও এই সংক্রমণের হার ছিল ৩০-৩২ শতাংশ। এখন সেটা কমে ২২-২৩ শতাংশে নেমে এসেছে। গত এক সপ্তাহ ধরে এই হার কমছে। আমরা আশা করছি, পরিস্থিতি অনুকূলে থকালে নভেম্বরের মাঝামাঝি এইচএসসি এবং ডিসেম্বরের শুরুতে এইচএসসি পরীক্ষা নিতে পারব। আমাদের সেই প্রস্তুতি আছে।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে ফরম পূরণও শুরু হয়েছে। এসএসসির ফরম পূরণ আগেই শুরু হয়েছে। আজ থেকে এইচএসসিও ফরম পূরণ শুরু হলো। এই ফরম পূরণের জন্য তাদের কোথাও যেতে হবে না; কলেজ থেকেই করে দেওয়া হবে। তাদের সিলেবাসও অনেক কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের যে অ্যাসাইমেন্ট দেওয়া হয়েছে; সেগুলো যদি তারা করে এবং বইটা পড়ে তাহলে তাদের প্রস্তুতিটা হয়ে যাবে, তারা পরীক্ষা দিতে পারবে।

ডা. দীপু মনি বলেন, আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি আছে। টিকা কর্যক্রমও চলছে। আশা করা যাচ্ছে, ওই সময়ে (নভেম্বর-ডিসেম্বর) পরিস্থিতি অনুকূলে আসবে। আমরা পরীক্ষা নিতে পারব ইনশাল্লাহ। আর কোনো কারণে যদি পরিস্থিতি অনুকূলে না আসে তখন প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
[irp]

এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে যা বললেন মাউশির ডিজি

আপডেট সময় : ০৪:৫২:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২১

সরকার আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিলেও করোনা পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে না আসলে শিক্ষার্থীদের চলমান অ্যাসাইনমেন্ট প্রক্রিয়ায় মূল্যায়ন করেই পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ মোহাম্মদ গোলাম ফারুক।

নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অ্যাসাইনমেন্ট এবং করোনা পরবর্তী শ্রেণি কার্যক্রম চালুর পূর্ব প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ উপলক্ষে শনিবার (২৮ আগস্ট) সকালে নারায়ণগঞ্জ হাইস্কুল এন্ড কলেজে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার জন্য সরকার আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী ১৮ বছর বয়সের ঊর্ধ্বে সকল শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনার পর কলেজ খুলে দেওয়া হবে।

তবে স্কুলের শিক্ষার্থীদের বয়স ১৮ বছরের নিচে হওয়ায় যেহেতু এই মুহূর্তে তাদের টিকার আওতায় আনা যাচ্ছে না, তাই স্কুল খোলার ব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রী আগামী সপ্তাহে কারিগরি কমিটির সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। তাদের পরামর্শ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

মতবিনিময় সভা শেষে দুপুরে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ মোহাম্মদ গোলাম ফারুক নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুল এন্ড কলেজের এসএসসি, এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

পরে তিনি পার্শ্ববর্তী নারায়ণগঞ্জ কলেজ এবং মর্গ্যান বালিকা উচ্চা বিদ্যালয় ও কলেজ পরিদর্শন করেন এবং প্রতিষ্ঠান দুইটির শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন।

এর আগে গত ১২ আগস্ট শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি গণমাধ্যমকে জানান, করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে চলতি বছরের নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এবং আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্তমানে দিন দিন করোনা সংক্রমণের হার কমছে। কিছুদিন আগেও এই সংক্রমণের হার ছিল ৩০-৩২ শতাংশ। এখন সেটা কমে ২২-২৩ শতাংশে নেমে এসেছে। গত এক সপ্তাহ ধরে এই হার কমছে। আমরা আশা করছি, পরিস্থিতি অনুকূলে থকালে নভেম্বরের মাঝামাঝি এইচএসসি এবং ডিসেম্বরের শুরুতে এইচএসসি পরীক্ষা নিতে পারব। আমাদের সেই প্রস্তুতি আছে।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে ফরম পূরণও শুরু হয়েছে। এসএসসির ফরম পূরণ আগেই শুরু হয়েছে। আজ থেকে এইচএসসিও ফরম পূরণ শুরু হলো। এই ফরম পূরণের জন্য তাদের কোথাও যেতে হবে না; কলেজ থেকেই করে দেওয়া হবে। তাদের সিলেবাসও অনেক কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের যে অ্যাসাইমেন্ট দেওয়া হয়েছে; সেগুলো যদি তারা করে এবং বইটা পড়ে তাহলে তাদের প্রস্তুতিটা হয়ে যাবে, তারা পরীক্ষা দিতে পারবে।

ডা. দীপু মনি বলেন, আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি আছে। টিকা কর্যক্রমও চলছে। আশা করা যাচ্ছে, ওই সময়ে (নভেম্বর-ডিসেম্বর) পরিস্থিতি অনুকূলে আসবে। আমরা পরীক্ষা নিতে পারব ইনশাল্লাহ। আর কোনো কারণে যদি পরিস্থিতি অনুকূলে না আসে তখন প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
[irp]