ঢাকা ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কাওরান বাজার থেকে বস্তাবন্দি ৩৯৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০১:৪০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২১
  • / ১০৭৩ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক নিউজ:

রাজধানীর কাওরান বাজার এলাকা থেকে বিলাসবহুল প্রাইভেটকার থেকে বস্তাবন্দি ৩৯৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করছে র‌্যাব। এ সময় ফেনসিডিল ব্যবসায় জড়িত মো. শরিফ মিয়াকে আটকও করা হয়। শুক্রবার র‌্যাব-২ এ মিডিয়া কর্মকর্তা এএসপি মো. আবদুল্লাহ আল মামুন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে একটি প্রাইভেটকারযোগে ফেনসিডিলের একটি বড় চালান বিক্রির উদ্দেশ্যে রাজধানীর কাওরান বাজারে আসছে- এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাওরান বাজারের সোনার বাংলা মাছের আড়তের সামনে পাকা সড়কের ওপর চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়। চেকপোস্টে সন্দেহভাজন  সন্দেহভাজন প্রাইভেটকার তল্লাশি করা হয়। প্রথমে গাড়ির চালক ও মাদক ব্যবসায়ী শরীফ মিয়া ফেনসিডিল সংক্রান্ত কোনো তথ্য দেননি।

জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে কারের পেছনে থাকা বস্তার ভেতরে ৩৯৪ বোতল ফেনসিডিল থাকার কথা জানান শরীফ। পরে ওই ফেনসিডিলগুলো উদ্ধার করা হয়; যার বাজার মূল্য ৫ লাখ ৯১ হাজার টাকা। এ সময় ফেনসিডিল ব্যবসায় জড়িত শরিফ মিয়াকেও আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শরীফ মিয়া স্বীকার করেছে যে, অবৈধভাবে বাংলাদেশে আনা ফেনসিডিল স্বল্প মূল্যে ক্রয় করা হয়। পরে বিভিন্ন কৌশলে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখকে ফাঁকি দিয়ে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীদের কাছে চড়া দামে বিক্রি ও সরবরাহ করা হয়।

ট্যাগস :

কাওরান বাজার থেকে বস্তাবন্দি ৩৯৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার

আপডেট সময় : ০১:৪০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২১

ডেস্ক নিউজ:

রাজধানীর কাওরান বাজার এলাকা থেকে বিলাসবহুল প্রাইভেটকার থেকে বস্তাবন্দি ৩৯৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করছে র‌্যাব। এ সময় ফেনসিডিল ব্যবসায় জড়িত মো. শরিফ মিয়াকে আটকও করা হয়। শুক্রবার র‌্যাব-২ এ মিডিয়া কর্মকর্তা এএসপি মো. আবদুল্লাহ আল মামুন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে একটি প্রাইভেটকারযোগে ফেনসিডিলের একটি বড় চালান বিক্রির উদ্দেশ্যে রাজধানীর কাওরান বাজারে আসছে- এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাওরান বাজারের সোনার বাংলা মাছের আড়তের সামনে পাকা সড়কের ওপর চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়। চেকপোস্টে সন্দেহভাজন  সন্দেহভাজন প্রাইভেটকার তল্লাশি করা হয়। প্রথমে গাড়ির চালক ও মাদক ব্যবসায়ী শরীফ মিয়া ফেনসিডিল সংক্রান্ত কোনো তথ্য দেননি।

জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে কারের পেছনে থাকা বস্তার ভেতরে ৩৯৪ বোতল ফেনসিডিল থাকার কথা জানান শরীফ। পরে ওই ফেনসিডিলগুলো উদ্ধার করা হয়; যার বাজার মূল্য ৫ লাখ ৯১ হাজার টাকা। এ সময় ফেনসিডিল ব্যবসায় জড়িত শরিফ মিয়াকেও আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শরীফ মিয়া স্বীকার করেছে যে, অবৈধভাবে বাংলাদেশে আনা ফেনসিডিল স্বল্প মূল্যে ক্রয় করা হয়। পরে বিভিন্ন কৌশলে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখকে ফাঁকি দিয়ে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীদের কাছে চড়া দামে বিক্রি ও সরবরাহ করা হয়।