ঢাকা ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কিশোরগঞ্জে একসেঙ্গ তিন কন্যা সন্তান জন্ম দিলেন প্রসূতি

Doinik Astha
Doinik Astha
  • আপডেট সময় : ১২:১২:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫
  • / ১২২৪ বার পড়া হয়েছে

কি‌শোরগ‌ঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক‌ গর্ভবতী নারী তিন কন‌্যা সন্তা‌নের জন্ম দি‌য়ে‌ছেন।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকালে ওই নারী একে একে তিন কন্যা সন্তান প্রসব ক‌রেন।

নেকলেস বেগম নামের ১৯ বছর বয়সী ওই মা ভোরে হাসপাতালে ভর্তি হন। বিয়ের পর এটাই তার প্রথম সন্তান প্রসব।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, তিনি নিজে জানতেন না, তার গর্ভে তিনটি শিশু রয়েছে, কারণ তিনি কোনো ডাক্তারি পরীক্ষা বা আল্ট্রাসাউন্ড করাননি। প্রসূতির স্বামী আলী হোসেন একজন কৃষক। তারা কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার গোপদিঘী গ্রামের বাসিন্দা।

তিন কন্যা সন্তানের নিরাপদ প্রসবের বিষয়‌টি তত্ত্বাবধান ক‌রেন হাসপাতা‌লের সিনিয়র স্টাফ নার্স (ইনচার্জ) মৌসুমী বেগম ও মিডওয়াইফ সাবিহা সুলতানা রিংকি।

নার্সরা জানান, মা ও সন্তানরা সবাই বর্তমানে সুস্থ এবং নিরাপদ রয়েছে। দুপুরের দিকে সন্তানদের নিয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে গেছেন নেকলেস বেগম।

করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রিয়াদ শাহেদ রনি বলেন, এ ধরনের নিরাপদ প্রসব আমাদের স্বাস্থ্যসেবার সফলতা। আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাব যাতে প্রত্যেক মায়ের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত হয়। নবজাতক ও মায়েদের সুস্থতা আমাদের অগ্রাধিকার।

কিশোরগঞ্জে একসেঙ্গ তিন কন্যা সন্তান জন্ম দিলেন প্রসূতি

আপডেট সময় : ১২:১২:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫

কি‌শোরগ‌ঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক‌ গর্ভবতী নারী তিন কন‌্যা সন্তা‌নের জন্ম দি‌য়ে‌ছেন।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকালে ওই নারী একে একে তিন কন্যা সন্তান প্রসব ক‌রেন।

নেকলেস বেগম নামের ১৯ বছর বয়সী ওই মা ভোরে হাসপাতালে ভর্তি হন। বিয়ের পর এটাই তার প্রথম সন্তান প্রসব।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, তিনি নিজে জানতেন না, তার গর্ভে তিনটি শিশু রয়েছে, কারণ তিনি কোনো ডাক্তারি পরীক্ষা বা আল্ট্রাসাউন্ড করাননি। প্রসূতির স্বামী আলী হোসেন একজন কৃষক। তারা কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার গোপদিঘী গ্রামের বাসিন্দা।

তিন কন্যা সন্তানের নিরাপদ প্রসবের বিষয়‌টি তত্ত্বাবধান ক‌রেন হাসপাতা‌লের সিনিয়র স্টাফ নার্স (ইনচার্জ) মৌসুমী বেগম ও মিডওয়াইফ সাবিহা সুলতানা রিংকি।

নার্সরা জানান, মা ও সন্তানরা সবাই বর্তমানে সুস্থ এবং নিরাপদ রয়েছে। দুপুরের দিকে সন্তানদের নিয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে গেছেন নেকলেস বেগম।

করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রিয়াদ শাহেদ রনি বলেন, এ ধরনের নিরাপদ প্রসব আমাদের স্বাস্থ্যসেবার সফলতা। আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাব যাতে প্রত্যেক মায়ের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত হয়। নবজাতক ও মায়েদের সুস্থতা আমাদের অগ্রাধিকার।