ঢাকা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ক্ষমতায় এসে যা করতে চায় জাতীয় পার্টি

Doinik Astha
Doinik Astha
  • আপডেট সময় : ১১:১৭:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০২৩
  • / ১০৪২ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় পার্টির মহাসচিব অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, বিগত নির্বাচনে আমরা আওয়ামী লীগকে সাহায্য করেছি। আমরা ভেবেছিলাম আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল, বঙ্গবন্ধুর দল। বিএনপিকে সাপোর্ট না করে আওয়ামী লীগকে সাপোর্ট করলে তারা সুশাসন কায়েম করবে, দুর্নীতি বন্ধ করবে, মানুষের কল্যাণ করবে, লুটপাট করবে না। কিন্তু আমরা খুবই আশাহত হয়েছি। 

তিনি বলেন, আমরা আমাদের জন্য তো কিছু চাইনি। সরকার সমস্ত কিছুকে কুক্ষিগত করে রেখেছে। আমরা আর কারও ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হতে চাই না। আগামীতে আমরা এককভাবে নির্বাচন করতে চাই। আগামী নির্বাচনে আমরা ৩০০ আসনে প্রার্থী দেব।

শুক্রবার দুপুরে খুলনার ডাক বাংলাস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে জেলা জাতীয় পার্টির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, দেশের মানুষ বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের ওপর অসন্তুষ্ট। মানুষ মন থেকে দুটি দলকে চায় না। আমরা ক্ষমতায় গেলে প্রাদেশিক সরকার ব্যবস্থা চালু করব। ঢাকাকেন্দ্রিক প্রশাসনকে আমরা বিকেন্দ্রীকরণ করব। কর্মবিমুখ শিক্ষার পরিবর্তে কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করব।

তিনি বলেন, আমরা নির্বাচন পদ্ধতির পরিবর্তন চাই। বর্তমান নির্বাচন সিস্টেম একটা ভুল সিস্টেম। আমরা চাই আনুপাতিক হারে নির্বাচন, যে নির্বাচনে প্রার্থী থাকবে না। মার্কা থাকবে। মার্কায় ভোট কাস্টিং হবে। ভোটে যে দল যত পার্সেন্ট ভোট পাবে, সে দল থেকে তত পার্সেন্ট এমপি হবে।

মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, প্রতিবেশী দেশ নেপালে ৫০ শতাংশ ইলেকশন এই আনুপাতিক হার সিস্টেমে হয়। নেপাল পারলে আমরা পারবো না কেন? কারণ বড় দুটি দল চায় না। তারা চায় একা একা নির্বাচন করতে।

সম্মেলনে শফিকুল ইসলাম মধু এবং এম হাদিউজ্জামানকে পুনরায় সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব।

 

ট্যাগস :

ক্ষমতায় এসে যা করতে চায় জাতীয় পার্টি

আপডেট সময় : ১১:১৭:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০২৩

জাতীয় পার্টির মহাসচিব অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, বিগত নির্বাচনে আমরা আওয়ামী লীগকে সাহায্য করেছি। আমরা ভেবেছিলাম আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল, বঙ্গবন্ধুর দল। বিএনপিকে সাপোর্ট না করে আওয়ামী লীগকে সাপোর্ট করলে তারা সুশাসন কায়েম করবে, দুর্নীতি বন্ধ করবে, মানুষের কল্যাণ করবে, লুটপাট করবে না। কিন্তু আমরা খুবই আশাহত হয়েছি। 

তিনি বলেন, আমরা আমাদের জন্য তো কিছু চাইনি। সরকার সমস্ত কিছুকে কুক্ষিগত করে রেখেছে। আমরা আর কারও ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হতে চাই না। আগামীতে আমরা এককভাবে নির্বাচন করতে চাই। আগামী নির্বাচনে আমরা ৩০০ আসনে প্রার্থী দেব।

শুক্রবার দুপুরে খুলনার ডাক বাংলাস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে জেলা জাতীয় পার্টির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, দেশের মানুষ বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের ওপর অসন্তুষ্ট। মানুষ মন থেকে দুটি দলকে চায় না। আমরা ক্ষমতায় গেলে প্রাদেশিক সরকার ব্যবস্থা চালু করব। ঢাকাকেন্দ্রিক প্রশাসনকে আমরা বিকেন্দ্রীকরণ করব। কর্মবিমুখ শিক্ষার পরিবর্তে কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করব।

তিনি বলেন, আমরা নির্বাচন পদ্ধতির পরিবর্তন চাই। বর্তমান নির্বাচন সিস্টেম একটা ভুল সিস্টেম। আমরা চাই আনুপাতিক হারে নির্বাচন, যে নির্বাচনে প্রার্থী থাকবে না। মার্কা থাকবে। মার্কায় ভোট কাস্টিং হবে। ভোটে যে দল যত পার্সেন্ট ভোট পাবে, সে দল থেকে তত পার্সেন্ট এমপি হবে।

মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, প্রতিবেশী দেশ নেপালে ৫০ শতাংশ ইলেকশন এই আনুপাতিক হার সিস্টেমে হয়। নেপাল পারলে আমরা পারবো না কেন? কারণ বড় দুটি দল চায় না। তারা চায় একা একা নির্বাচন করতে।

সম্মেলনে শফিকুল ইসলাম মধু এবং এম হাদিউজ্জামানকে পুনরায় সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব।