ঢাকা ০১:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo গুইমারায় শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo খাগড়াছড়িতে অতিঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলিতে সুষ্ঠু ভোট গ্রহণের দাবিতে ৪ প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন Logo মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে নিয়ে মিথ্যাচার কোনোভাবেই কাম্য নয়-মাহদী Logo ১৬ মাসে ৫৬০ হয়রানি, ১১৪৪ সাংবাদিক আক্রান্ত Logo ভোলায় প্রচারকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ Logo উখিয়ায় বিএনপি ছেড়ে ৫শ নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান Logo প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে তারেক রহমান: দ্য ইকোনমিস্ট Logo খাগড়াছড়ি প্রার্থীদের সাথে খাগড়াছড়িতে সেনা বাহীনির মতবিনিময় Logo খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে ৬ প্রার্থীর বৈঠকের গুঞ্জন Logo খাগড়াছড়িতে ২০৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৮৫টিকেই ঝুঁকিপূর্ণ

খাগড়াছড়িতে জোরপূর্বক দেহ ব্যবসা, আটক-৪

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১২:২৮:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ মে ২০২৩
  • / ১০৬০ বার পড়া হয়েছে

খাগড়াছড়িতে জোরপূর্বক দেহ ব্যবসা, আটক-৪

রহিম হৃদয়/খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ

অভিযুক্ত ইসমাইল হোসেন ও আমেনা বেগম

খাগড়াছড়িতে কাজ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক দেহ ব্যবসা করানোর অভিযোগে ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (১৭ মে) বিকালে অভিযুক্তদের নিজ বাড়ি সদর উপজেলার গামারীঢালা থেকে আটক করা হয়।খাগড়াছড়ি সদর থানার ওসি আরিফুর রহমান ৪ জনকে আটক খবর নিশ্চিত করেন।

 

ঘটনার বিবরণে জানাযায়, আমেনা বেগম কাজ দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে জেলা সদরের গামারীঢালা এলাকার তার নিজ বাড়িতে ভিকটিম কিশোরীকে নিয়ে গিয়ে বাধ্য করেন পতিতা বিক্রি করতে। কিশোরীকে জোরপূর্বক আটকে রেখে চালানো হয় পাশবিক নির্যাতন।

 

ভিকটিম কিশোরী জানান, কাজের সন্ধানে তিনি খাগড়াছড়ি বাজারে আসেন। তখন এক মহিলা তাকে মাসে ৪ হাজার টাকা বেতনে কাজের প্রস্তাবে বাড়িতে নিয়ে যান। বাড়ি নিয়ে গিয়ে জোর পূর্বক তাকে পতিতা বিক্রির কাজে বাধ্য করা হয়। নিত্য নতুন খরিদ্দার দিয়ে তার ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হতো মহিলার বাড়িতে।

 

গত মঙ্গলবার সুযোগ পেয়ে পালিয়ে আশ্রয় নেন গামারীঢালা বাজারে। পরে স্থানীয় এক নারীর সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয়। বুধবার সকালে জেলা সদরের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভিকটিমের পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে নেয়া হয় পুলিশ হেফাজতে।

 

খাগড়াছড়ি ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের প্রোগ্রাম অফিসার রনজিৎ সরকার জানান, ভিকটিম কিশোরীকে বুধবার সকালে সদর হাসপাতালে আনা হলে তাকে সব ধরণের সহযোগিতা দেয়া হয়। পরে আইনি সহায়তার জন্য সদর থানা হেফাজতে পাঠানো হয়।

 

আটককৃতরা হলেন,আমেনা বেগম,তার মা সেতেরা বেগম পুটি,শামিমা আক্তার,ইসমাইল হোসেন।

 

খাগড়াছড়ি সদর থানার ওসি আরিফুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় কিশোরী বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছে। মামলার অভিযোগের ভিত্তিতে এখন পর্যন্ত ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

ট্যাগস :

খাগড়াছড়িতে জোরপূর্বক দেহ ব্যবসা, আটক-৪

আপডেট সময় : ১২:২৮:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ মে ২০২৩

খাগড়াছড়িতে জোরপূর্বক দেহ ব্যবসা, আটক-৪

রহিম হৃদয়/খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ

অভিযুক্ত ইসমাইল হোসেন ও আমেনা বেগম

খাগড়াছড়িতে কাজ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক দেহ ব্যবসা করানোর অভিযোগে ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (১৭ মে) বিকালে অভিযুক্তদের নিজ বাড়ি সদর উপজেলার গামারীঢালা থেকে আটক করা হয়।খাগড়াছড়ি সদর থানার ওসি আরিফুর রহমান ৪ জনকে আটক খবর নিশ্চিত করেন।

 

ঘটনার বিবরণে জানাযায়, আমেনা বেগম কাজ দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে জেলা সদরের গামারীঢালা এলাকার তার নিজ বাড়িতে ভিকটিম কিশোরীকে নিয়ে গিয়ে বাধ্য করেন পতিতা বিক্রি করতে। কিশোরীকে জোরপূর্বক আটকে রেখে চালানো হয় পাশবিক নির্যাতন।

 

ভিকটিম কিশোরী জানান, কাজের সন্ধানে তিনি খাগড়াছড়ি বাজারে আসেন। তখন এক মহিলা তাকে মাসে ৪ হাজার টাকা বেতনে কাজের প্রস্তাবে বাড়িতে নিয়ে যান। বাড়ি নিয়ে গিয়ে জোর পূর্বক তাকে পতিতা বিক্রির কাজে বাধ্য করা হয়। নিত্য নতুন খরিদ্দার দিয়ে তার ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হতো মহিলার বাড়িতে।

 

গত মঙ্গলবার সুযোগ পেয়ে পালিয়ে আশ্রয় নেন গামারীঢালা বাজারে। পরে স্থানীয় এক নারীর সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয়। বুধবার সকালে জেলা সদরের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভিকটিমের পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে নেয়া হয় পুলিশ হেফাজতে।

 

খাগড়াছড়ি ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের প্রোগ্রাম অফিসার রনজিৎ সরকার জানান, ভিকটিম কিশোরীকে বুধবার সকালে সদর হাসপাতালে আনা হলে তাকে সব ধরণের সহযোগিতা দেয়া হয়। পরে আইনি সহায়তার জন্য সদর থানা হেফাজতে পাঠানো হয়।

 

আটককৃতরা হলেন,আমেনা বেগম,তার মা সেতেরা বেগম পুটি,শামিমা আক্তার,ইসমাইল হোসেন।

 

খাগড়াছড়ি সদর থানার ওসি আরিফুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় কিশোরী বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছে। মামলার অভিযোগের ভিত্তিতে এখন পর্যন্ত ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।