ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খাগড়াছড়ির মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন বিষয়ক তৃতীয় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৬:৫২:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • / ১০৯১ বার পড়া হয়েছে

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছঃ খাগড়াছড়ি পৌরসভার মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন বিষয়ক তৃতীয় মতবিনিময় সভা আজ বুধবার (১লা সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর ও খাগড়াছড়ি পৌরসভার আয়োজনে পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্টিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, খাগড়াছড়ি পৌর মেয়র নির্মলেন্দু চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নগর বিশেষজ্ঞ আবদুল্লাহ আল মামুন, এলজিইডি’র সহকারী প্রকৌশলী আবদুল্লাহ আল কাফী, খাগড়াছড়ি পৌর সভার সচিব পারভিন খন্দকার।

পৌর সভার উন্নয়নে মাস্টার প্ল্যান নিয়ে মতবিনিময় কালে বক্তারা বলেন, একটি পৌরসভার উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা। যা ইতিমধ্যে এটা অতিক্রম করেছে এ পৌরসভা। পরিস্কার শহর গড়ে তুলতে পৌরসভার পরিচ্ছন্ন কর্মীরা কাজ করে যাচ্ছে। তাদের পাশা-পাশি জনসাধারণকেও সচেতন হওয়ার আহবান জানিয়ে বক্তারা আরো বলেন, খাওয়া-দাওয়ার পর প্যাকেট কিংবা পলিথিন গুলো রাস্তায় যেখানে সেখানে ফেলে দেওয়া হয়। যাহা পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করে, সেখান থেকে আমাদেরকে বের হয়ে আসতে হবে। এলো মেলো ভাবে না ফেলে নিদিষ্ট স্থানে রেখে পুড়িয়ে ফেলা নিরাপদ হবে, জনসচেতনতার মধ্য দিয়ে বাস যোগ্য, দুষণ মুক্ত মডেল পৌরসভা গড়ে তুলা সম্ভব হবে।

খাগড়াছড়ির মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন বিষয়ক তৃতীয় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০৬:৫২:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২১

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছঃ খাগড়াছড়ি পৌরসভার মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন বিষয়ক তৃতীয় মতবিনিময় সভা আজ বুধবার (১লা সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর ও খাগড়াছড়ি পৌরসভার আয়োজনে পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্টিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, খাগড়াছড়ি পৌর মেয়র নির্মলেন্দু চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নগর বিশেষজ্ঞ আবদুল্লাহ আল মামুন, এলজিইডি’র সহকারী প্রকৌশলী আবদুল্লাহ আল কাফী, খাগড়াছড়ি পৌর সভার সচিব পারভিন খন্দকার।

পৌর সভার উন্নয়নে মাস্টার প্ল্যান নিয়ে মতবিনিময় কালে বক্তারা বলেন, একটি পৌরসভার উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা। যা ইতিমধ্যে এটা অতিক্রম করেছে এ পৌরসভা। পরিস্কার শহর গড়ে তুলতে পৌরসভার পরিচ্ছন্ন কর্মীরা কাজ করে যাচ্ছে। তাদের পাশা-পাশি জনসাধারণকেও সচেতন হওয়ার আহবান জানিয়ে বক্তারা আরো বলেন, খাওয়া-দাওয়ার পর প্যাকেট কিংবা পলিথিন গুলো রাস্তায় যেখানে সেখানে ফেলে দেওয়া হয়। যাহা পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করে, সেখান থেকে আমাদেরকে বের হয়ে আসতে হবে। এলো মেলো ভাবে না ফেলে নিদিষ্ট স্থানে রেখে পুড়িয়ে ফেলা নিরাপদ হবে, জনসচেতনতার মধ্য দিয়ে বাস যোগ্য, দুষণ মুক্ত মডেল পৌরসভা গড়ে তুলা সম্ভব হবে।