ঢাকা ০৬:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গভীর সমুদ্র বিষয়ক চুক্তিতে স্বাক্ষর করলো বাংলাদেশ

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১২:০১:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ১০৯৪ বার পড়া হয়েছে

গভীর সমুদ্র বিষয়ক চুক্তিতে স্বাক্ষর করলো বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

গভীর সমুদ্রে সম্পদ আহরণ ও সুষ্ঠু ব্যবহার সংক্রান্ত জাতিসংঘের একটি চুক্তিতে (ট্রিটি) স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। গতকাল বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দফতরে বায়োলজিক্যাল ডাইভারসিটি অব এরিয়াস বিয়ন্ড ন্যাশনাল জুরিসডিকশন শীর্ষক এ সন্ধিপত্রে স্বাক্ষর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নতুন চুক্তি অনুযায়ী, অন্য কোনো দেশ বা কোম্পানি ২শ নটিক্যাল মাইলের পরে ভাসমান কোন সম্পদ (মেরিন জেনেটিক রিসোর্সেস) আহরণ করতে চায়, তাহলে তার একটি অংশ ওই অঞ্চলের মালিকানা যে দেশের, সেই দেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে দিতে হবে।

জাতিসংঘের নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো দেশের তটরেখা বা উপকূল থেকে ৩শ ৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত যে সমুদ্র রয়েছে, সেটির ওপর ওই দেশের সার্বভৌম অধিকার রয়েছে। এরমধ্যে ২শ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত পানিতে ভাসমান অর্থাৎ মাছসহ অন্যান্য সম্পদ এবং সমুদ্রের তলদেশে যে সম্পদ রয়েছে সব কিছুর মালিক ওই দেশ। তবে ২শ নটিক্যাল মাইলের পরে শুধু সমুদ্রের তলদেশে যে সম্পদ রয়েছে সেটির মালিক ওই দেশ। এর অর্থ হলো, ২শ নটিক্যাল মাইলের পরে ভাসমান সম্পদ অন্য যেকোনো দেশ আহরণ করার অধিকার রাখে।

গভীর সুমদ্রে ভাসমান সম্পদ আহরণের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে
মেরিন প্রটেকটেড অঞ্চলে সম্পদ আহরণ করা যাবে না। অতিরিক্ত মাত্রায় মাছ ধরা যাবে না।
পরিবেশের ওপর প্রভাব পর্যালোচনা করতে হবে।

উন্নয়নশীল দেশগুলো যাতে গভীর সমুদ্রে সম্পদ আহরণ করতে পারে, সেজন্য সক্ষমতা বৃদ্ধি ও প্রযুক্তি হস্তান্তর করতে হবে। সমুদ্র দূষণ রোধ করতে হবে এবং গবেষণার জন্য অর্থ ব্যয় করতে হবে।

ট্যাগস :

গভীর সমুদ্র বিষয়ক চুক্তিতে স্বাক্ষর করলো বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ১২:০১:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩

গভীর সমুদ্র বিষয়ক চুক্তিতে স্বাক্ষর করলো বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

গভীর সমুদ্রে সম্পদ আহরণ ও সুষ্ঠু ব্যবহার সংক্রান্ত জাতিসংঘের একটি চুক্তিতে (ট্রিটি) স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। গতকাল বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দফতরে বায়োলজিক্যাল ডাইভারসিটি অব এরিয়াস বিয়ন্ড ন্যাশনাল জুরিসডিকশন শীর্ষক এ সন্ধিপত্রে স্বাক্ষর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নতুন চুক্তি অনুযায়ী, অন্য কোনো দেশ বা কোম্পানি ২শ নটিক্যাল মাইলের পরে ভাসমান কোন সম্পদ (মেরিন জেনেটিক রিসোর্সেস) আহরণ করতে চায়, তাহলে তার একটি অংশ ওই অঞ্চলের মালিকানা যে দেশের, সেই দেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে দিতে হবে।

জাতিসংঘের নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো দেশের তটরেখা বা উপকূল থেকে ৩শ ৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত যে সমুদ্র রয়েছে, সেটির ওপর ওই দেশের সার্বভৌম অধিকার রয়েছে। এরমধ্যে ২শ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত পানিতে ভাসমান অর্থাৎ মাছসহ অন্যান্য সম্পদ এবং সমুদ্রের তলদেশে যে সম্পদ রয়েছে সব কিছুর মালিক ওই দেশ। তবে ২শ নটিক্যাল মাইলের পরে শুধু সমুদ্রের তলদেশে যে সম্পদ রয়েছে সেটির মালিক ওই দেশ। এর অর্থ হলো, ২শ নটিক্যাল মাইলের পরে ভাসমান সম্পদ অন্য যেকোনো দেশ আহরণ করার অধিকার রাখে।

গভীর সুমদ্রে ভাসমান সম্পদ আহরণের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে
মেরিন প্রটেকটেড অঞ্চলে সম্পদ আহরণ করা যাবে না। অতিরিক্ত মাত্রায় মাছ ধরা যাবে না।
পরিবেশের ওপর প্রভাব পর্যালোচনা করতে হবে।

উন্নয়নশীল দেশগুলো যাতে গভীর সমুদ্রে সম্পদ আহরণ করতে পারে, সেজন্য সক্ষমতা বৃদ্ধি ও প্রযুক্তি হস্তান্তর করতে হবে। সমুদ্র দূষণ রোধ করতে হবে এবং গবেষণার জন্য অর্থ ব্যয় করতে হবে।