ঢাকা ০৩:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo খাগড়াছড়িতে একমঞ্চে জনগণের মুখোমুখি ১০ প্রার্থী Logo পানছড়িতে ধানের শীষের সমর্থনে শ্রমিক দলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo শেরপুরে জামায়াত–বিএনপি সংঘর্ষে নিহত-১, আহত অন্তত-৪ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামীর বাংলাদেশের দিকনির্দেশনা নির্ধারণ-এয়াকুব আলী Logo খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে Logo পানছড়িতে অষ্টপ্রহার ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে বিএনপি Logo পানছড়িতে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান Logo আপনারা থাকার কষ্ট করছেন, আমরা এখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিং করে দিতে চাই Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার

চেক জালিয়াতির মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

News Editor
  • আপডেট সময় : ১০:০০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • / ১১২৫ বার পড়া হয়েছে

বহুল আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতাল প্রতারণা মামলার প্রধান আসামি ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে তিন লাখ টাকার চেক জালিয়াতির অভিযোগে মুন্সিগঞ্জ আদালতে মামলা হয়েছে। মামলাটি আমলে নিয়ে সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) মুন্সিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-৪ এ মামলা করেন বালু ব্যবসায়ী হুমায়ুন কবির। আদালতের বিচারক আরফাতুল রাকিব মামলাটি আমলে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ দেন।

আরও পড়ুনঃ ভিপি নুর আমার সঙ্গে নীলক্ষেতে দেখা করতে আসেন: ঢাবি ছাত্রী

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, টঙ্গিবাড়ী উপজেলার আব্দুল্লাহপুর এলাকার মৃত আবুবক্কর চোকদারের ছেলে মো. হুমায়ুন কবির ওরফে শোভন চোকদার দীর্ঘদিন ঢাকার মিরপুর-১২-এ প্রিয়াঙ্কা হাউসিংয়ের ব্যবসা করে আসছিলেন। তার প্রতিষ্ঠানে সাহেদ বালু কিনতে গেলে হুমায়ুন কবির শোভনের সঙ্গে পরিচয় হয়।

হুমায়ুন কবিরের কাছ থেকে ১২ লাখ ৫৭ হাজার ৮১৬ টাকার বালু কিনে নগদ দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা দেন সাহেদ। বাকি টাকা পরে দেয়ার কথা বলেন। ৩ জুলাই হুমায়ুনকে প্রাইম বাংকের দুই লাখ টাকার একটি চেক দেন সাহেদ। পরে একই বাংকের হিসাব নম্বরের এক লাখ টাকার আরও একটি চেক দেন সাহেদ। টাকা উত্তোলনের জন্য জনতা ব্যাংক টঙ্গিবাড়ী আব্দুল্লাহপুর শাখায় চেক দুটি জমা দিলে সাহেদের অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকায় ডিসঅনার করে ফেরত দেয়া হয়। পরে মুন্সিগঞ্জ আদালতে চেক ডিসঅনারের মামলা করলে সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ দেন বিচারক।

মামলার বাদী হুমায়ুন কবির বলেন, এক বছর আগে সাহেদকে আমি প্রায় সাড়ে ১২ লাখ টাকার বালু দেই। আমাকে নগদ দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং তিন লাখ টাকার চেক দেন সাহেদ। বাকি টাকা পরে দেবেন বলে জানান। কিন্তু সাহেদের অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকায় চেক ডিসঅনার করে ফেরত দেয়া হয়। এজন্য মামলা করেছি।

বাদীর আইনজীবী নিখিল চন্দ্র মল্লিক বলেন, রোববার আদালতে মামলা করেছি। আদালত সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

চেক জালিয়াতির মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

আপডেট সময় : ১০:০০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

বহুল আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতাল প্রতারণা মামলার প্রধান আসামি ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে তিন লাখ টাকার চেক জালিয়াতির অভিযোগে মুন্সিগঞ্জ আদালতে মামলা হয়েছে। মামলাটি আমলে নিয়ে সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) মুন্সিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-৪ এ মামলা করেন বালু ব্যবসায়ী হুমায়ুন কবির। আদালতের বিচারক আরফাতুল রাকিব মামলাটি আমলে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ দেন।

আরও পড়ুনঃ ভিপি নুর আমার সঙ্গে নীলক্ষেতে দেখা করতে আসেন: ঢাবি ছাত্রী

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, টঙ্গিবাড়ী উপজেলার আব্দুল্লাহপুর এলাকার মৃত আবুবক্কর চোকদারের ছেলে মো. হুমায়ুন কবির ওরফে শোভন চোকদার দীর্ঘদিন ঢাকার মিরপুর-১২-এ প্রিয়াঙ্কা হাউসিংয়ের ব্যবসা করে আসছিলেন। তার প্রতিষ্ঠানে সাহেদ বালু কিনতে গেলে হুমায়ুন কবির শোভনের সঙ্গে পরিচয় হয়।

হুমায়ুন কবিরের কাছ থেকে ১২ লাখ ৫৭ হাজার ৮১৬ টাকার বালু কিনে নগদ দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা দেন সাহেদ। বাকি টাকা পরে দেয়ার কথা বলেন। ৩ জুলাই হুমায়ুনকে প্রাইম বাংকের দুই লাখ টাকার একটি চেক দেন সাহেদ। পরে একই বাংকের হিসাব নম্বরের এক লাখ টাকার আরও একটি চেক দেন সাহেদ। টাকা উত্তোলনের জন্য জনতা ব্যাংক টঙ্গিবাড়ী আব্দুল্লাহপুর শাখায় চেক দুটি জমা দিলে সাহেদের অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকায় ডিসঅনার করে ফেরত দেয়া হয়। পরে মুন্সিগঞ্জ আদালতে চেক ডিসঅনারের মামলা করলে সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ দেন বিচারক।

মামলার বাদী হুমায়ুন কবির বলেন, এক বছর আগে সাহেদকে আমি প্রায় সাড়ে ১২ লাখ টাকার বালু দেই। আমাকে নগদ দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং তিন লাখ টাকার চেক দেন সাহেদ। বাকি টাকা পরে দেবেন বলে জানান। কিন্তু সাহেদের অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকায় চেক ডিসঅনার করে ফেরত দেয়া হয়। এজন্য মামলা করেছি।

বাদীর আইনজীবী নিখিল চন্দ্র মল্লিক বলেন, রোববার আদালতে মামলা করেছি। আদালত সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।