ঢাকা ০৪:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছেলেদের স্কুলে ভর্তির তালিকায় মেয়ের নাম

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৪:৩০:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২১
  • / ১১০৮ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক নিউজ:ছেলেদের স্কুলে ভর্তির সুযোগ পেলো মেয়ে। আবার, মেয়েদের স্কুলে নাম এসেছে ছেলের। ভর্তি লটারিতে এমন বিভ্রাট আলোচনার জন্ম দিয়েছে সারা দেশে। এবার এমন ভুলের শিকার অন্তত অর্ধশত শিক্ষার্থী। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, লটারিতে সব নির্ধারণ হওয়ায় কিছুই করার নেই তাদেরও।

ময়মনসিংহের এই বালিকা বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন, তিন বালক। ১১ জানুয়ারি কেন্দ্রীয়ভাবে স্কুল ভর্তির লটারির পর বিষয়টি ঝড় তোলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। নামে বিভ্রাট ঘটলেও মূলত সুযোগ পেয়েছেন, বালিকারাই।

তবে, এই স্কুলে এমনকাণ্ড না ঘটলেও দেশের অনেক স্থানেই, বালক বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন বালিকারা। মেয়েদের স্কুলেও ভর্তির তালিকায় নাম পাওয়া গেছে ছেলেদের।

সারা দেশে এমন ভুলের শিকার অন্তত অর্ধশত শিক্ষার্থী। মাউশি বলছে, লটারিতে সব নির্ধারণ হওয়ায় কিছুই করার নেই তাদেরও।

এবছর দেশের ৩৯০ টি বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত আসন শূণ্য ছিলো ৭৭ হাজার ১৪০টি। যা বিপরীতে আবেদন জমা পড়ে ৫ লাখ ৭৪ হাজার ৯২৯টি।

ট্যাগস :

ছেলেদের স্কুলে ভর্তির তালিকায় মেয়ের নাম

আপডেট সময় : ০৪:৩০:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২১

ডেস্ক নিউজ:ছেলেদের স্কুলে ভর্তির সুযোগ পেলো মেয়ে। আবার, মেয়েদের স্কুলে নাম এসেছে ছেলের। ভর্তি লটারিতে এমন বিভ্রাট আলোচনার জন্ম দিয়েছে সারা দেশে। এবার এমন ভুলের শিকার অন্তত অর্ধশত শিক্ষার্থী। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, লটারিতে সব নির্ধারণ হওয়ায় কিছুই করার নেই তাদেরও।

ময়মনসিংহের এই বালিকা বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন, তিন বালক। ১১ জানুয়ারি কেন্দ্রীয়ভাবে স্কুল ভর্তির লটারির পর বিষয়টি ঝড় তোলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। নামে বিভ্রাট ঘটলেও মূলত সুযোগ পেয়েছেন, বালিকারাই।

তবে, এই স্কুলে এমনকাণ্ড না ঘটলেও দেশের অনেক স্থানেই, বালক বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন বালিকারা। মেয়েদের স্কুলেও ভর্তির তালিকায় নাম পাওয়া গেছে ছেলেদের।

সারা দেশে এমন ভুলের শিকার অন্তত অর্ধশত শিক্ষার্থী। মাউশি বলছে, লটারিতে সব নির্ধারণ হওয়ায় কিছুই করার নেই তাদেরও।

এবছর দেশের ৩৯০ টি বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত আসন শূণ্য ছিলো ৭৭ হাজার ১৪০টি। যা বিপরীতে আবেদন জমা পড়ে ৫ লাখ ৭৪ হাজার ৯২৯টি।