ঢাকা ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo ঢাকায় পাকিস্তান দিবস উদযাপন Logo তিন দেশের মধ্যস্ততায় কমছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা Logo স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জামায়াতের কর্মসূচি ঘোষণা Logo বাড়ি ভাঙচুর লুটপাট, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে বিএনপি Logo ট্রাম্পের হামলা স্থগিতের পর ইরান জুড়ে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক হামলা Logo নারায়ণগঞ্জে চাঁদা না দেওয়ায় গুঁড়িয়ে দিয়েছে বাড়ি Logo বড় হুমকির মুখে বৈশ্বিক অর্থনীতি: আইইএর প্রধান Logo যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করবে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী Logo তারেক–মোদির ঈদ শুভেচ্ছা, পূর্বের বন্ধুত্বের সেতুবন্ধনে বাংলাদেশ Logo সামনে বাড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম: মির্জা ফখরুল

জানা গোলো রেলমন্ত্রীর আত্মীয় পরিচয়

Md Elias
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মে ২০২২
  • / ১০৯১ বার পড়া হয়েছে

জানা গোলো রেলমন্ত্রীর আত্মীয় পরিচয়

এম এইচ ইলিয়াছঃ

অবশেষে পাওয়া গেলো রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলামের আত্মীয় পরিচয়।
তাঁরা তিনজনই রেলমন্ত্রীর স্ত্রী শাম্মী আক্তারের নিকটাত্মীয়। ভ্রাম্যমাণ টিকিট পরিদর্শক (টিটিই) শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেওয়া মোঃ ইমরুল কায়েস রেলমন্ত্রীর স্ত্রী শাম্মী আক্তারের মামাতো বোন ইয়াসমিন আক্তারের ছেলে।

ঘটনার রাঁতে রেলমন্ত্রীর স্ত্রী শাম্মী আক্তার ও ইয়াসমিন আক্তার এক সঙ্গেই ছিলেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন ইয়াসমিন আক্তার।

তাঁর ভাষ্যমতে, তাঁর ছেলে ইমরুল কায়েস ফোন দিয়ে ট্রেনে ঝামেলার কথা জানালে রেলমন্ত্রীর স্ত্রী শাম্মী আক্তার রেলওয়ের একজন কর্মকর্তাকে ফোন করে টিটিই শফিকুল ইসলামকে বরখাস্ত করতে বলেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইমরুল কায়েসদের বাড়ি ঈশ্বরদী উপজেলা সদরের নূর মহল্লায়। তাঁর সঙ্গে অপর যে দুজন ছিলেন, তাঁরা হলেন শাম্মী আক্তারের মামাতো ভাই ফারুক হোসেন ও হাসান আলী। ইমরুল কায়েস নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পাস করেছেন। বর্তমানে তিনি একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে কর্মরত।

ইমরুল কায়েসের মা ইয়াসমিন আক্তার বলেন, ৫ মে রাতে তাঁর ছেলে টিকিট না পাওয়ায় নুরুল আলম নামের রেলওয়ের এক সহকারী বাণিজ্যিক কর্মকর্তাকে (এসিও) ফোন দেন শাম্মী আক্তার। রেলমন্ত্রীর স্ত্রীর পরিচয় পেয়ে স্টেশনমাস্টার টিকিট করতে হবে না বলে জানান। তিনি বলেছিলেন, ‘আপনার আত্মীয়ের টিকিট করতে হবে না।’ সে কারণেই ইমরুল কায়েস টিকিট ছাড়া ট্রেনে ওঠেন। পরে তাঁদের সম্মান দেখিয়ে এসি কামরায় বসানো হয়। ইয়াসমিন আক্তার বলছেন, ওরা (তিন যাত্রী) একটু আরামের জন্য এসি কামরায় বসেছিলেন।

তিনি আরো বলেন, ট্রেন ছাড়লে টিটি এসে ছেলেদের সঙ্গে খারাপ আচরণ শুরু করেন। তিনি ছেলেকে ‘ট্রেন কি তোর বাপের’ বলে গালি দেন। রাত তিনটার দিকে ছেলে ফোন দিয়ে এসব জানালে তাঁরা শাম্মীকে ফোন দেন। পরিচয় পাওয়ার পরও টিটিইর এই আচরণে শাম্মী রেগে গিয়ে রেলের পাকশী বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তাকে (ডিটিও) ফোন দিয়ে টিটিইকে বরখাস্ত করতে বলেন। পরে তিনি টিটিইকে বরখাস্ত করেন।

ট্যাগস :

জানা গোলো রেলমন্ত্রীর আত্মীয় পরিচয়

আপডেট সময় : ০২:৪৪:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মে ২০২২

জানা গোলো রেলমন্ত্রীর আত্মীয় পরিচয়

এম এইচ ইলিয়াছঃ

অবশেষে পাওয়া গেলো রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলামের আত্মীয় পরিচয়।
তাঁরা তিনজনই রেলমন্ত্রীর স্ত্রী শাম্মী আক্তারের নিকটাত্মীয়। ভ্রাম্যমাণ টিকিট পরিদর্শক (টিটিই) শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেওয়া মোঃ ইমরুল কায়েস রেলমন্ত্রীর স্ত্রী শাম্মী আক্তারের মামাতো বোন ইয়াসমিন আক্তারের ছেলে।

ঘটনার রাঁতে রেলমন্ত্রীর স্ত্রী শাম্মী আক্তার ও ইয়াসমিন আক্তার এক সঙ্গেই ছিলেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন ইয়াসমিন আক্তার।

তাঁর ভাষ্যমতে, তাঁর ছেলে ইমরুল কায়েস ফোন দিয়ে ট্রেনে ঝামেলার কথা জানালে রেলমন্ত্রীর স্ত্রী শাম্মী আক্তার রেলওয়ের একজন কর্মকর্তাকে ফোন করে টিটিই শফিকুল ইসলামকে বরখাস্ত করতে বলেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইমরুল কায়েসদের বাড়ি ঈশ্বরদী উপজেলা সদরের নূর মহল্লায়। তাঁর সঙ্গে অপর যে দুজন ছিলেন, তাঁরা হলেন শাম্মী আক্তারের মামাতো ভাই ফারুক হোসেন ও হাসান আলী। ইমরুল কায়েস নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পাস করেছেন। বর্তমানে তিনি একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে কর্মরত।

ইমরুল কায়েসের মা ইয়াসমিন আক্তার বলেন, ৫ মে রাতে তাঁর ছেলে টিকিট না পাওয়ায় নুরুল আলম নামের রেলওয়ের এক সহকারী বাণিজ্যিক কর্মকর্তাকে (এসিও) ফোন দেন শাম্মী আক্তার। রেলমন্ত্রীর স্ত্রীর পরিচয় পেয়ে স্টেশনমাস্টার টিকিট করতে হবে না বলে জানান। তিনি বলেছিলেন, ‘আপনার আত্মীয়ের টিকিট করতে হবে না।’ সে কারণেই ইমরুল কায়েস টিকিট ছাড়া ট্রেনে ওঠেন। পরে তাঁদের সম্মান দেখিয়ে এসি কামরায় বসানো হয়। ইয়াসমিন আক্তার বলছেন, ওরা (তিন যাত্রী) একটু আরামের জন্য এসি কামরায় বসেছিলেন।

তিনি আরো বলেন, ট্রেন ছাড়লে টিটি এসে ছেলেদের সঙ্গে খারাপ আচরণ শুরু করেন। তিনি ছেলেকে ‘ট্রেন কি তোর বাপের’ বলে গালি দেন। রাত তিনটার দিকে ছেলে ফোন দিয়ে এসব জানালে তাঁরা শাম্মীকে ফোন দেন। পরিচয় পাওয়ার পরও টিটিইর এই আচরণে শাম্মী রেগে গিয়ে রেলের পাকশী বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তাকে (ডিটিও) ফোন দিয়ে টিটিইকে বরখাস্ত করতে বলেন। পরে তিনি টিটিইকে বরখাস্ত করেন।