ঢাকা ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo খাগড়াছড়িতে একমঞ্চে জনগণের মুখোমুখি ১০ প্রার্থী Logo পানছড়িতে ধানের শীষের সমর্থনে শ্রমিক দলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo শেরপুরে জামায়াত–বিএনপি সংঘর্ষে নিহত-১, আহত অন্তত-৪ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামীর বাংলাদেশের দিকনির্দেশনা নির্ধারণ-এয়াকুব আলী Logo খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে Logo পানছড়িতে অষ্টপ্রহার ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে বিএনপি Logo পানছড়িতে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান Logo আপনারা থাকার কষ্ট করছেন, আমরা এখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিং করে দিতে চাই Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার

জেলহত্যা দিবসে দেখা মিলল হাজী সেলিমের

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৩:৫০:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২০
  • / ১১০০ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর কলাবাগানে নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় ছেলে ইরফান সেলিম গ্রেফতার হওয়ার পর এক সপ্তাহের বেশি সময় আড়ালে ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিম। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) জেলহত্যা দিবসের অনুষ্ঠানে তাকে দেখা গেছে।

সকালে নাজিমউদ্দিন রোডে ঢাকার পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে যান হাজী সেলিম। এ সময় বড় ছেলে সোলায়মান সেলিম তার সঙ্গে ছিলেন।

হত্যাকাণ্ডের পেছনে বড় কোনো মোটিভ ছিল ষড়যন্ত্রকারীদের

জানা যায়, সকাল সোয়া ৯টার দিকে একটি সাদা এসইউভিতে চড়ে নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কারাগারে জেলহত্যা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেন হাজী সেলিম। এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান পৌনে ১০টার দিকে।

ওই অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও হাজী সেলিমের মধ্যে কোন ধরনের কথা হয়নি।

এদিকে ছেলে গ্রেফতার হওয়ার পর হাজী সেলিমকে বাইরে খুব একটা দেখা না গেলেও গত শুক্রবার চকবাজার শাহী জামে মসজিদে তিনি নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত ২৫ অক্টোবর রাতে এমপি হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধর করা হয়। রাজধানীর কলাবাগানে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জিডি হলেও পর দিন ভোরে হাজী সেলিমের ছেলেসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

মামলার আসামিরা হলেন- ইরফান সেলিম, তার বডিগার্ড মোহাম্মদ জাহিদ, হাজী সেলিমের মদিনা গ্রুপের প্রটোকল অফিসার এবি সিদ্দিক দীপু এবং গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাত আরও দু-তিন জন। দীপুকে তিন দিন ও মিজানুরকে একদিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।

২৬ অক্টোবর ভোরে মামলা দায়েরের পর দুপুরে র‌্যাব পুরান ঢাকায় চকবাজারের ২৬, দেবীদাস লেনে হাজী সেলিমের বাসায় অভিযান চালায়। পরে হাজী সেলিমের ছেলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী জাহিদকে হেফাজতে নেয়। বাসায় অবৈধভাবে মদ ও ওয়াকিটকি রাখার দায়ে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের দুই জনকে এক বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন।

২৭ অক্টোবর ডিএসসিসি’র কাউন্সিলর পদ থেকে ইরফানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। বর্তমানে ইরফান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে (রিমান্ড) আছেন।

জেলহত্যা দিবসে দেখা মিলল হাজী সেলিমের

আপডেট সময় : ০৩:৫০:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২০

রাজধানীর কলাবাগানে নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় ছেলে ইরফান সেলিম গ্রেফতার হওয়ার পর এক সপ্তাহের বেশি সময় আড়ালে ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিম। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) জেলহত্যা দিবসের অনুষ্ঠানে তাকে দেখা গেছে।

সকালে নাজিমউদ্দিন রোডে ঢাকার পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে যান হাজী সেলিম। এ সময় বড় ছেলে সোলায়মান সেলিম তার সঙ্গে ছিলেন।

হত্যাকাণ্ডের পেছনে বড় কোনো মোটিভ ছিল ষড়যন্ত্রকারীদের

জানা যায়, সকাল সোয়া ৯টার দিকে একটি সাদা এসইউভিতে চড়ে নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কারাগারে জেলহত্যা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেন হাজী সেলিম। এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান পৌনে ১০টার দিকে।

ওই অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও হাজী সেলিমের মধ্যে কোন ধরনের কথা হয়নি।

এদিকে ছেলে গ্রেফতার হওয়ার পর হাজী সেলিমকে বাইরে খুব একটা দেখা না গেলেও গত শুক্রবার চকবাজার শাহী জামে মসজিদে তিনি নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত ২৫ অক্টোবর রাতে এমপি হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধর করা হয়। রাজধানীর কলাবাগানে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জিডি হলেও পর দিন ভোরে হাজী সেলিমের ছেলেসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

মামলার আসামিরা হলেন- ইরফান সেলিম, তার বডিগার্ড মোহাম্মদ জাহিদ, হাজী সেলিমের মদিনা গ্রুপের প্রটোকল অফিসার এবি সিদ্দিক দীপু এবং গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাত আরও দু-তিন জন। দীপুকে তিন দিন ও মিজানুরকে একদিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।

২৬ অক্টোবর ভোরে মামলা দায়েরের পর দুপুরে র‌্যাব পুরান ঢাকায় চকবাজারের ২৬, দেবীদাস লেনে হাজী সেলিমের বাসায় অভিযান চালায়। পরে হাজী সেলিমের ছেলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী জাহিদকে হেফাজতে নেয়। বাসায় অবৈধভাবে মদ ও ওয়াকিটকি রাখার দায়ে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের দুই জনকে এক বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন।

২৭ অক্টোবর ডিএসসিসি’র কাউন্সিলর পদ থেকে ইরফানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। বর্তমানে ইরফান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে (রিমান্ড) আছেন।