ঢাকা ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে Logo পানছড়িতে অষ্টপ্রহার ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে বিএনপি Logo পানছড়িতে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান Logo আপনারা থাকার কষ্ট করছেন, আমরা এখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিং করে দিতে চাই Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার Logo প্রাণ ফিরছে লোগাং ইউপি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদে Logo পানছড়িতে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক Logo পানছড়িতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া-রাবিশ ব্যবহার Logo মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

ঠাকুরগাঁওয়ে লকডাউনের কারনে দিশেহারা নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষরা

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৩:৫২:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১
  • / ১০৪২ বার পড়া হয়েছে

মোঃ ফরিদ হোসাইন মাসুম ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ সরকারি নির্দেশনায় ঠাকুরগাঁওয়ে বিভিন্ন উপজেলায় করােনাভাইরাস বিস্তার রােধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পৌর শহর ও গ্রামঞ্চলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে । শুধুমাত্র কাঁচাবাজার , ওষুধের দোকান ও নিত্যপণ্যের দোকান খােলা রাখার অনুমতি দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ।

কিন্তু এসব দোকানও সন্ধ্যার পর বন্ধ হয়ে যাচ্ছে । গণপরিবহন বন্ধ থাকায় জনশূন্য হয়ে পড়েছে রাস্তা – ঘাট । লকডাউনের কবলে পরে দিশেহারা নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষরা । শহর ও গ্রামের রাস্তায় দু’একটি করে রিকশা , অটোরিকশা দেখা গেলেও ভাড়া পাচ্ছেন না চালকরা ।

এ অবস্থায় বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ । এদিকে , জেলা – উপজেলায় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও মাইকিং করে দোকানপাট , যান চলাচল বন্ধ রাখাসহ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা অব্যাহত রেখেছে স্থানীয় প্রশাসন । আর এ নির্দেশনা কার্যকর করতে প্রশাসনের পাশাপাশি কাজ করছে পুলিশ । ঠাকুরগাঁও শহরের রিকশাচালক শফিকুল ইসলাম জানান , একদিন রিকশা না চালালে খাবার জোটে না ।

[irp]

তাই রিকশা নিয়ে সকাল থেকে শহরে ঘুরছি । শহরে রাস্তায় তেমন লােকজন নেই , তাই যাত্রী মিলছে না । প্রতিদিন ৩০০-৪০০ টাকা রােজগার করি । বর্তমানে এমন অবস্থা সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ৩০ টাকা রােজগার হয়েছে আয় ।

রােজগার করতে না পারলে কিস্তি দেব কি করে , পরিবারের মুখেও খাবার জুটবে না শহরের আরেক রিকশাচালক আব্দুল কাদের ও শহিদুল জানান , আমরা গরিব মানুষ প্রতিদিন রিকশা চালিয়ে চাল – ডাল কিনে খাই । বিধি নিষেধ থাকলেও উপায় নেই । আমাদের । তাই সব বিধিনিষেধ উপেক্ষা করেই রিকশা নিয়ে ঘুরছি । এ অবস্থা চলতে থাকলে পরিবার পরিজন নিয়ে অনাহারেই থাকতে হবে ।

এসময় যদি কেউ সাহায্য করতাে অনেক উপকার হতাে । এ অবস্থায় এইসব মানুষের পাশে এসে দাঁড়াতে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান ঠাকুরগাঁও শ্রমিক নেতা বদিউজ্জামান বাদল । তিনি বলেন , সকলের কল্যাণের জন্যই সবাইকে ঘরে থাকতে বলা হয়েছে ।

কিন্তু আশেপাশে এমন অনেকেই রয়েছেন , যারা দিনের রােজগার দিয়ে সেদিনের আহারের ব্যবস্থা করেন । পাশাপাশি কিছু ভাসমান মানুষও রয়েছে ।

সেই সকল খেটে খাওয়া পরিশ্রমী মানুষ যাতে না খেয়ে না থাকেন , সে ব্যাপারে আমাদের সকলেই এগিয়ে আসতে হবে ।

ট্যাগস :

ঠাকুরগাঁওয়ে লকডাউনের কারনে দিশেহারা নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষরা

আপডেট সময় : ০৩:৫২:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১

মোঃ ফরিদ হোসাইন মাসুম ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ সরকারি নির্দেশনায় ঠাকুরগাঁওয়ে বিভিন্ন উপজেলায় করােনাভাইরাস বিস্তার রােধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পৌর শহর ও গ্রামঞ্চলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে । শুধুমাত্র কাঁচাবাজার , ওষুধের দোকান ও নিত্যপণ্যের দোকান খােলা রাখার অনুমতি দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ।

কিন্তু এসব দোকানও সন্ধ্যার পর বন্ধ হয়ে যাচ্ছে । গণপরিবহন বন্ধ থাকায় জনশূন্য হয়ে পড়েছে রাস্তা – ঘাট । লকডাউনের কবলে পরে দিশেহারা নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষরা । শহর ও গ্রামের রাস্তায় দু’একটি করে রিকশা , অটোরিকশা দেখা গেলেও ভাড়া পাচ্ছেন না চালকরা ।

এ অবস্থায় বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ । এদিকে , জেলা – উপজেলায় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও মাইকিং করে দোকানপাট , যান চলাচল বন্ধ রাখাসহ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা অব্যাহত রেখেছে স্থানীয় প্রশাসন । আর এ নির্দেশনা কার্যকর করতে প্রশাসনের পাশাপাশি কাজ করছে পুলিশ । ঠাকুরগাঁও শহরের রিকশাচালক শফিকুল ইসলাম জানান , একদিন রিকশা না চালালে খাবার জোটে না ।

[irp]

তাই রিকশা নিয়ে সকাল থেকে শহরে ঘুরছি । শহরে রাস্তায় তেমন লােকজন নেই , তাই যাত্রী মিলছে না । প্রতিদিন ৩০০-৪০০ টাকা রােজগার করি । বর্তমানে এমন অবস্থা সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ৩০ টাকা রােজগার হয়েছে আয় ।

রােজগার করতে না পারলে কিস্তি দেব কি করে , পরিবারের মুখেও খাবার জুটবে না শহরের আরেক রিকশাচালক আব্দুল কাদের ও শহিদুল জানান , আমরা গরিব মানুষ প্রতিদিন রিকশা চালিয়ে চাল – ডাল কিনে খাই । বিধি নিষেধ থাকলেও উপায় নেই । আমাদের । তাই সব বিধিনিষেধ উপেক্ষা করেই রিকশা নিয়ে ঘুরছি । এ অবস্থা চলতে থাকলে পরিবার পরিজন নিয়ে অনাহারেই থাকতে হবে ।

এসময় যদি কেউ সাহায্য করতাে অনেক উপকার হতাে । এ অবস্থায় এইসব মানুষের পাশে এসে দাঁড়াতে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান ঠাকুরগাঁও শ্রমিক নেতা বদিউজ্জামান বাদল । তিনি বলেন , সকলের কল্যাণের জন্যই সবাইকে ঘরে থাকতে বলা হয়েছে ।

কিন্তু আশেপাশে এমন অনেকেই রয়েছেন , যারা দিনের রােজগার দিয়ে সেদিনের আহারের ব্যবস্থা করেন । পাশাপাশি কিছু ভাসমান মানুষও রয়েছে ।

সেই সকল খেটে খাওয়া পরিশ্রমী মানুষ যাতে না খেয়ে না থাকেন , সে ব্যাপারে আমাদের সকলেই এগিয়ে আসতে হবে ।