ঢাকা ০৪:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে Logo পানছড়িতে অষ্টপ্রহার ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে বিএনপি Logo পানছড়িতে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান Logo আপনারা থাকার কষ্ট করছেন, আমরা এখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিং করে দিতে চাই Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার Logo প্রাণ ফিরছে লোগাং ইউপি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদে Logo পানছড়িতে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক Logo পানছড়িতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া-রাবিশ ব্যবহার Logo মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

তরমুজ চাষে ভাগ্য বাদলের অপেক্ষায় ঠাকুরগাঁওয়ে ফরিদুল ও ফয়জুল

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৭:০৪:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ১০৭৯ বার পড়া হয়েছে

তরমুজ চাষে ভাগ্য বাদলের অপেক্ষায় ঠাকুরগাঁওয়ে ফরিদুল ও ফয়জুল

 

আব্দুল্লাহ আজাদ/ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ

ফরিদুল ও ফয়জুল সম্পর্কে চাচা ও ভাতিজা আগে থেকে মৌসুমী তরমুজের চাষ করে আসছেন তবে এবার বাণিজ্যিকভাবে মাচায় তরমুজ চাষ করে সফলতার অপেক্ষায় রয়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের এই কৃষকরা ।

অসময়ে তরমুজ চাষ করে দ্বিগুণ লাভের কথা ভাবছেন তারা। এছাড়াও মাচায় তরমুজ চাষ দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে অনেক কৃষক এটি চাষের পরিকল্পনা নিয়েছেন। মাচায় তরমুজ দেখার জন্য উৎসুক মানুষ প্রতিদিন ভিড় করছে তরমুজ ক্ষেতে।

ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন উপজেলায় অসময়ে বাণিজ্যিকভাবে মাচায় তরমুজ চাষ হচ্ছে। ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২৭  একর (৫৪ বিঘা) জমিতে মাচায় তরমুজ চাষ করা হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার ভাতারমাড়ি ফার্মের ৩নং খঁনগাঁও ইউনিয়ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়  প্রায় দেড় একর (তিন বিঘা) জমিতে মাচায় তরমুজ চাষ করে এলাকায় সাড়া ফেলেছেন ফরিদুল ও ফয়জুল।

তরমুজ চাষী ফয়জুল ও ফরিদুল বলেন, আমরা প্রতিবারেই সিজিনাল যে তরমুজটা হয় সেটা আবাদ করে থাকি কিন্তু এবার আমি এই গ্রীষ্মকালীন যে তরমুজ সেটা চাষ করেছি। আমারা প্রায় দেড় একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছি এতে আমার খরচ হয়েছে প্রায় দেড় লাখ টাকার মতো। আমি আশা করি তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা তরমুজ বিক্রি করতে পারবো। বর্তমান বাজার ব্যবস্থা ভালো থাকলে আমরা প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা বিক্রি করতে পারব বলে আশা করি ।

তারা আরও বলেন, আগে বর্ষা মৌসুমে তরমুজ চাষ করতো না কৃষক। কিন্তু প্রযুক্তির উন্নতির ফলে এখন বর্ষাকালেও মাচায় তরমুজ চাষ হচ্ছে। বৃষ্টির পানিতে বীজ যেন পচে নষ্ট না হয় সেজন্য উন্নতমানের পলিথিন ব্যবহার করা হয়েছে। যার ফলে অল্প সময়ের মধ্যে বীজ অঙ্কুরোদগম হয়ে চারা বেরিয়ে আসে। বর্তমানে মাচায় এখন অনেক তরমুজ ঝুলছে। প্রতিটি তরমুজ ৩-৪ কেজি ওজনের। লাল ও হলুদ বর্ণের এ তরমুজগুলো দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি খেতে অনেক সুস্বাদু।

ঠাকুরগাঁও সদর থেকে তরমুজ ক্ষেত দেখতে আসা দর্শনার্থী সাব্বির বলেন, আমি আগে এমন তরমুজ চাষ দেখি নাই তাই দেখতে আসলাম তরমুজগুলো দেখতে অনেক সুন্দর। আর এই সময়ে মাচায় তরমুজ চাষ হয় এটা দেখার জন্যই শহর থেকে ছুটে আসা।

ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক  আলমগীর কবির  বলেন, মাচায় তরমুজ চাষে উৎপাদন খরচ খুব একটা বেশি না। এই তরমুজ অনেক মিষ্টি ও সুস্বাদু। চাষিরা যাতে তরমুজ কোন অসুবিধা ছাড়াই বাজারজাত করতে পারে সেজন্য আমরা সকল ধরনের সহযোগীতা করবো। নতুন এই পদ্ধতি গোটা জেলায় প্রায় (২৭) একর জমি চাষ হয়েছে। আমরা তাদের সকল সহযোগিতা দিয়ে আসছি।

ট্যাগস :

তরমুজ চাষে ভাগ্য বাদলের অপেক্ষায় ঠাকুরগাঁওয়ে ফরিদুল ও ফয়জুল

আপডেট সময় : ০৭:০৪:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৩

তরমুজ চাষে ভাগ্য বাদলের অপেক্ষায় ঠাকুরগাঁওয়ে ফরিদুল ও ফয়জুল

 

আব্দুল্লাহ আজাদ/ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ

ফরিদুল ও ফয়জুল সম্পর্কে চাচা ও ভাতিজা আগে থেকে মৌসুমী তরমুজের চাষ করে আসছেন তবে এবার বাণিজ্যিকভাবে মাচায় তরমুজ চাষ করে সফলতার অপেক্ষায় রয়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের এই কৃষকরা ।

অসময়ে তরমুজ চাষ করে দ্বিগুণ লাভের কথা ভাবছেন তারা। এছাড়াও মাচায় তরমুজ চাষ দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে অনেক কৃষক এটি চাষের পরিকল্পনা নিয়েছেন। মাচায় তরমুজ দেখার জন্য উৎসুক মানুষ প্রতিদিন ভিড় করছে তরমুজ ক্ষেতে।

ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন উপজেলায় অসময়ে বাণিজ্যিকভাবে মাচায় তরমুজ চাষ হচ্ছে। ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২৭  একর (৫৪ বিঘা) জমিতে মাচায় তরমুজ চাষ করা হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার ভাতারমাড়ি ফার্মের ৩নং খঁনগাঁও ইউনিয়ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়  প্রায় দেড় একর (তিন বিঘা) জমিতে মাচায় তরমুজ চাষ করে এলাকায় সাড়া ফেলেছেন ফরিদুল ও ফয়জুল।

তরমুজ চাষী ফয়জুল ও ফরিদুল বলেন, আমরা প্রতিবারেই সিজিনাল যে তরমুজটা হয় সেটা আবাদ করে থাকি কিন্তু এবার আমি এই গ্রীষ্মকালীন যে তরমুজ সেটা চাষ করেছি। আমারা প্রায় দেড় একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছি এতে আমার খরচ হয়েছে প্রায় দেড় লাখ টাকার মতো। আমি আশা করি তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা তরমুজ বিক্রি করতে পারবো। বর্তমান বাজার ব্যবস্থা ভালো থাকলে আমরা প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা বিক্রি করতে পারব বলে আশা করি ।

তারা আরও বলেন, আগে বর্ষা মৌসুমে তরমুজ চাষ করতো না কৃষক। কিন্তু প্রযুক্তির উন্নতির ফলে এখন বর্ষাকালেও মাচায় তরমুজ চাষ হচ্ছে। বৃষ্টির পানিতে বীজ যেন পচে নষ্ট না হয় সেজন্য উন্নতমানের পলিথিন ব্যবহার করা হয়েছে। যার ফলে অল্প সময়ের মধ্যে বীজ অঙ্কুরোদগম হয়ে চারা বেরিয়ে আসে। বর্তমানে মাচায় এখন অনেক তরমুজ ঝুলছে। প্রতিটি তরমুজ ৩-৪ কেজি ওজনের। লাল ও হলুদ বর্ণের এ তরমুজগুলো দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি খেতে অনেক সুস্বাদু।

ঠাকুরগাঁও সদর থেকে তরমুজ ক্ষেত দেখতে আসা দর্শনার্থী সাব্বির বলেন, আমি আগে এমন তরমুজ চাষ দেখি নাই তাই দেখতে আসলাম তরমুজগুলো দেখতে অনেক সুন্দর। আর এই সময়ে মাচায় তরমুজ চাষ হয় এটা দেখার জন্যই শহর থেকে ছুটে আসা।

ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক  আলমগীর কবির  বলেন, মাচায় তরমুজ চাষে উৎপাদন খরচ খুব একটা বেশি না। এই তরমুজ অনেক মিষ্টি ও সুস্বাদু। চাষিরা যাতে তরমুজ কোন অসুবিধা ছাড়াই বাজারজাত করতে পারে সেজন্য আমরা সকল ধরনের সহযোগীতা করবো। নতুন এই পদ্ধতি গোটা জেলায় প্রায় (২৭) একর জমি চাষ হয়েছে। আমরা তাদের সকল সহযোগিতা দিয়ে আসছি।