ঢাকা ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেশে ৬৫১ শীর্ষ চাঁদাবাজ: আটকে শিগগিরই সমন্বিত অভিযান

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০১:১৭:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • / ১০১৮ বার পড়া হয়েছে

দেশে ৬৫১ শীর্ষ চাঁদাবাজ: আটকে শিগগিরই সমন্বিত অভিযান

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছ/আহসান হাবিবঃ

সারা দেশে শীর্ষ চাঁদাবাজ ৬শ ৫১ জন। এর মধ্যে খোদ রাজধানী ঢাকাতেই রয়েছে ৩শ ২৪ জন। এদের বড় একটি অংশ শুধু চাঁদাবাজি নয়, মাদকসহ বহুমাত্রিক অপরাধের সঙ্গে জড়িত।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সারা দেশে সক্রিয় চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে শিগগিরই সমন্বিত অভিযান শুরু হবে। এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় থেকে রাজধানী ঢাকাসহ দেশজুড়ে এই অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। বিভিন্ন সংস্থার তালিকা সমন্বয়ের পর এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

৪ মার্চ ডিএমপি সদর দপ্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছিলেন, চাঁদাবাজ ও সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের তালিকা প্রস্তুত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই আলোকেই শিগগিরই রাজধানী ঢাকা থেকে দেশব্যাপী অভিযান শুরু হবে। তালিকা তৈরিতে পুলিশকে ‘নির্মোহ’ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা সরকারের প্রধান লক্ষ্য। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চূড়ান্ত তালিকায় যাদের নাম থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনা না করেই আটক অভিযান চালানো হবে। শুরুতেই আটক করা হবে তাদের, যাদের নাম অন্তত দুইটি সংস্থার তালিকায় রয়েছে। প্রভাবশালী চাঁদাবাজদের ধরতে অভিযানে সেনাবাহিনীর সহযোগিতাও নেওয়া হবে।

র‌্যাব সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে চাঁদাবাজ মাফিয়ার সংখ্যা অন্তত ৬শ ৫১ জন। ব্যাটালিয়নভিত্তিক তালিকায় র‌্যাব-১১ এলাকায় সর্বোচ্চ ১শ ১০ জনের নাম রয়েছে।

এ ছাড়া র‌্যাব-১২-এ ৬৩ জন, র‌্যাব-১-এ ৬১, র‌্যাব-৬-এ ৫৯, র‌্যাব-৭-এ ৫২ এবং র‌্যাব-৪-এ ৪২ জন অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। অন্যান্য ব্যাটালিয়নেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক চাঁদাবাজ রয়েছে, যা সারা দেশে সংগঠিত চাঁদাবাজি চক্রের বিস্তৃতি নির্দেশ করে।

র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল ইফতেখার আহমেদ বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‌্যাবের প্রতিটি সদস্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তারা তাদের সর্বোচ্চটা দিয়ে যাচ্ছেন। র‌্যাব অপরাধীকে অন্য কোনো পরিচয়ে বিবেচনা করে না।

জানা গেছে, তালিকায় থাকা ব্যক্তিরা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় নির্মাণাধীন ভবন, বাসস্ট্যান্ড, মহাসড়ক ও লঞ্চঘাটে টোলের নামে, হাওড়া এলাকায় পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী ও বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নামে নানা কায়দায় চাঁদাবাজি করে আসছে।

থানা পুলিশ, স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি), গোয়েন্দা পুলিশ, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)-এর বিভিন্ন ইউনিটসহ একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা পৃথকভাবে তালিকা প্রস্তুত করছে। ইতোমধ্যে এসব তালিকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া শুরু হয়েছে। সব তালিকা যাচাইবাছাই করে একটি সমন্বিত চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

ডিএমপির সূত্র মতে, অতীতে চাঁদাবাজদের সঙ্গে থানা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্যের যোগসাজশের অভিযোগ থাকায় শুধু থানা পর্যায়ের তালিকার ওপর নির্ভর করা হচ্ছে না। এজন্য ডিএমপির ইন্টারনাল ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন (আইআইডি) ও গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) আলাদাভাবে তালিকা করছে। পাশাপাশি এসবি ও অন্যান্য সংস্থার তালিকাও যুক্ত করা হচ্ছে, যাতে কোনো চাঁদাবাজ বাদ না পড়ে।

ডিএমপির ক্রাইম বিভাগের তালিকা অনুযায়ী, রাজধানীর ৫০ থানায় অন্তত ৩শ ২৪ জন চাঁদাবাজ সক্রিয় রয়েছে। এর মধ্যে তেজগাঁও বিভাগে সর্বোচ্চ ১শ ২৭ জন, মিরপুরে ৪২, গুলশানে ৩৯, উত্তরায় ৪১, ওয়ারীতে ২১, মতিঝিলে ১১, লালবাগে ২৪ এবং রমনা বিভাগে ১৯ জন রয়েছে।

থানাভিত্তিক হিসেবে তেজগাঁও এলাকায় সবচেয়ে বেশি চাঁদাবাজ সক্রিয়। কারওয়ান বাজার, ফার্মগেটসহ বিভিন্ন স্পটে প্রায় ৪০ জন চাঁদাবাজের দৌরাত্ম্য রয়েছে। এ ছাড়া মোহাম্মদপুর এলাকায় ৩১ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে ৩০ জন এবং মিরপুরের দারুসসালাম এলাকায় ২৬ জন চাঁদাবাজ সক্রিয় রয়েছে।

ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) ফারুক হোসেন বলেন, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে ডিএমপি। তালিকা প্রণয়নের কাজ শেষ হলে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে সারা দেশে চাঁদাবাজি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকার এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে। চাঁদাবাজ যে-ই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সাম্প্রতিক সময়ে চাঁদাবাজির একাধিক ঘটনায় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সামনে এসেছে।

দিনাজপুর, পটুয়াখালী, রাজশাহীসহ বিভিন্ন এলাকায় চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা শহরে চাঁদাবাজ চক্রের তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বসিলা এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগে ‘কালা ফারুক’ নামে এক ব্যক্তিকে আটক করার পর তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

দেশে ৬৫১ শীর্ষ চাঁদাবাজ: আটকে শিগগিরই সমন্বিত অভিযান

আপডেট সময় : ০১:১৭:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

দেশে ৬৫১ শীর্ষ চাঁদাবাজ: আটকে শিগগিরই সমন্বিত অভিযান

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছ/আহসান হাবিবঃ

সারা দেশে শীর্ষ চাঁদাবাজ ৬শ ৫১ জন। এর মধ্যে খোদ রাজধানী ঢাকাতেই রয়েছে ৩শ ২৪ জন। এদের বড় একটি অংশ শুধু চাঁদাবাজি নয়, মাদকসহ বহুমাত্রিক অপরাধের সঙ্গে জড়িত।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সারা দেশে সক্রিয় চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে শিগগিরই সমন্বিত অভিযান শুরু হবে। এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় থেকে রাজধানী ঢাকাসহ দেশজুড়ে এই অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। বিভিন্ন সংস্থার তালিকা সমন্বয়ের পর এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

৪ মার্চ ডিএমপি সদর দপ্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছিলেন, চাঁদাবাজ ও সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের তালিকা প্রস্তুত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই আলোকেই শিগগিরই রাজধানী ঢাকা থেকে দেশব্যাপী অভিযান শুরু হবে। তালিকা তৈরিতে পুলিশকে ‘নির্মোহ’ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা সরকারের প্রধান লক্ষ্য। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চূড়ান্ত তালিকায় যাদের নাম থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনা না করেই আটক অভিযান চালানো হবে। শুরুতেই আটক করা হবে তাদের, যাদের নাম অন্তত দুইটি সংস্থার তালিকায় রয়েছে। প্রভাবশালী চাঁদাবাজদের ধরতে অভিযানে সেনাবাহিনীর সহযোগিতাও নেওয়া হবে।

র‌্যাব সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে চাঁদাবাজ মাফিয়ার সংখ্যা অন্তত ৬শ ৫১ জন। ব্যাটালিয়নভিত্তিক তালিকায় র‌্যাব-১১ এলাকায় সর্বোচ্চ ১শ ১০ জনের নাম রয়েছে।

এ ছাড়া র‌্যাব-১২-এ ৬৩ জন, র‌্যাব-১-এ ৬১, র‌্যাব-৬-এ ৫৯, র‌্যাব-৭-এ ৫২ এবং র‌্যাব-৪-এ ৪২ জন অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। অন্যান্য ব্যাটালিয়নেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক চাঁদাবাজ রয়েছে, যা সারা দেশে সংগঠিত চাঁদাবাজি চক্রের বিস্তৃতি নির্দেশ করে।

র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল ইফতেখার আহমেদ বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‌্যাবের প্রতিটি সদস্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তারা তাদের সর্বোচ্চটা দিয়ে যাচ্ছেন। র‌্যাব অপরাধীকে অন্য কোনো পরিচয়ে বিবেচনা করে না।

জানা গেছে, তালিকায় থাকা ব্যক্তিরা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় নির্মাণাধীন ভবন, বাসস্ট্যান্ড, মহাসড়ক ও লঞ্চঘাটে টোলের নামে, হাওড়া এলাকায় পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী ও বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নামে নানা কায়দায় চাঁদাবাজি করে আসছে।

থানা পুলিশ, স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি), গোয়েন্দা পুলিশ, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)-এর বিভিন্ন ইউনিটসহ একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা পৃথকভাবে তালিকা প্রস্তুত করছে। ইতোমধ্যে এসব তালিকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া শুরু হয়েছে। সব তালিকা যাচাইবাছাই করে একটি সমন্বিত চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

ডিএমপির সূত্র মতে, অতীতে চাঁদাবাজদের সঙ্গে থানা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্যের যোগসাজশের অভিযোগ থাকায় শুধু থানা পর্যায়ের তালিকার ওপর নির্ভর করা হচ্ছে না। এজন্য ডিএমপির ইন্টারনাল ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন (আইআইডি) ও গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) আলাদাভাবে তালিকা করছে। পাশাপাশি এসবি ও অন্যান্য সংস্থার তালিকাও যুক্ত করা হচ্ছে, যাতে কোনো চাঁদাবাজ বাদ না পড়ে।

ডিএমপির ক্রাইম বিভাগের তালিকা অনুযায়ী, রাজধানীর ৫০ থানায় অন্তত ৩শ ২৪ জন চাঁদাবাজ সক্রিয় রয়েছে। এর মধ্যে তেজগাঁও বিভাগে সর্বোচ্চ ১শ ২৭ জন, মিরপুরে ৪২, গুলশানে ৩৯, উত্তরায় ৪১, ওয়ারীতে ২১, মতিঝিলে ১১, লালবাগে ২৪ এবং রমনা বিভাগে ১৯ জন রয়েছে।

থানাভিত্তিক হিসেবে তেজগাঁও এলাকায় সবচেয়ে বেশি চাঁদাবাজ সক্রিয়। কারওয়ান বাজার, ফার্মগেটসহ বিভিন্ন স্পটে প্রায় ৪০ জন চাঁদাবাজের দৌরাত্ম্য রয়েছে। এ ছাড়া মোহাম্মদপুর এলাকায় ৩১ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে ৩০ জন এবং মিরপুরের দারুসসালাম এলাকায় ২৬ জন চাঁদাবাজ সক্রিয় রয়েছে।

ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) ফারুক হোসেন বলেন, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে ডিএমপি। তালিকা প্রণয়নের কাজ শেষ হলে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে সারা দেশে চাঁদাবাজি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকার এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে। চাঁদাবাজ যে-ই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সাম্প্রতিক সময়ে চাঁদাবাজির একাধিক ঘটনায় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সামনে এসেছে।

দিনাজপুর, পটুয়াখালী, রাজশাহীসহ বিভিন্ন এলাকায় চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা শহরে চাঁদাবাজ চক্রের তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বসিলা এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগে ‘কালা ফারুক’ নামে এক ব্যক্তিকে আটক করার পর তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ