ঢাকা ১১:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo পানছড়িতে অষ্টপ্রহার ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে বিএনপি Logo পানছড়িতে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান Logo আপনারা থাকার কষ্ট করছেন, আমরা এখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিং করে দিতে চাই Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার Logo প্রাণ ফিরছে লোগাং ইউপি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদে Logo পানছড়িতে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক Logo পানছড়িতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া-রাবিশ ব্যবহার Logo মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ Logo অষ্টগ্রামে জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে অতর্কিত হামলা, ছাত্রদল সভাপতিসহ আহত ৬

নাইজেরিয়ায় যুদ্ধ থামিয়ে দিয়েছিলেন ফুটবলের রাজা!

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৪:৫২:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০
  • / ১১২৬ বার পড়া হয়েছে

৮০ পূর্ণ করেছেন ফুটবলের ‘কালোমানিক’ পেলে। আজ শুক্রবার এই ব্রাজিলীয় কিংবদন্তির ৮০তম জন্মদিন। ১৯৪০ সালের ২৩ অক্টোবর ব্রাজিলের সাওপাওলো শহরের ট্রেস কোরাকয়েসের এক বস্তিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন পেলে।  ব্রাজিলের হয়ে তিনটি বিশ্বকাপজয়ী (১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৭০) পেলের সম্পর্কে এমন কিছু ঘটনা আছে যা অনেকেই অজানা।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, ১৯৬৯ সালে নাকি পেলের খেলা দেখা দেখছে নাইজেরিয়ায় রক্তাক্ত যুদ্ধ থামিয়ে দেয়া হয়েছিল।  সেদিন বিদ্রোহীদের সঙ্গে আর যুদ্ধে জড়াননি সরকারি বাহিনী।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, পেলের সান্তোস এফসি ফুটবল ক্লাব ছিল ষাটের দশকে বিশ্বের জনপ্রিয় ক্লাবগুলোর একটি। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে গিয়ে এই ক্লাবটি প্রীতি ম্যাচে অংশ নিত।  ১৯৬৯ সালে নাইজেরিয়াতে বায়াফ্রা রাজ্যটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে এক রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।  আর ওই বছরের ৪ঠা ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ-বিধ্বস্ত নাইজেরিয়ায় এক প্রীতি ম্যাচ খেলতে গিয়েছিল পেলের সান্তোস।  দেশটির বেনিন সিটিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল খেলাটি। 

ওই খেলায় সান্তোস ২-১ গোলে স্থানীয় একাদশকে পরাজিত করে। আর সেই খেলাকে কেন্দ্র করে নাকি যুদ্ধই থেমে গিয়েছিল।

ফুটবল ক্লাব সান্তোস এফসির ইতিহাস নিয়ে কাজ করেন এমন একজন গবেষক গুইলহের্ম গুয়াশে বলেছেন, এ রকম একটি পরিস্থিতিতে নাইজেরিয়াতে খেলোয়াড়দের পাঠানোর ব্যাপারে ব্রাজিলের কর্মকর্তাদের মধ্যে অনেক দুশ্চিন্তা ছিল। এ কারণে বিবাদমান পক্ষগুলো তখন যুদ্ধবিরতিতে যেতে সম্মত হয়।

যদিও ঘটনাটির সত্যতা ১৯৭৭ সালে প্রকাশ পাওয়া পেলের আত্মজীবনীতে লেখা নেই।

তবে ২০০৭ সালে প্রকাশিত আরেকটি আত্মজীবনীতে পেলে নাইজেরিয়ার ওই ‘যুদ্ধবিরতির’ কথা উল্লেখ করেছেন।

তিনি লিখেছেন, এই প্রদর্শনী ম্যাচের জন্য গৃহযুদ্ধ থামান হবে বলে খেলোয়াড়দের জানানো হয়েছিল।  যুদ্ধ আক্রান্ত নাইজেরিয়ায় যাওয়া নিয়ে ব্রাজিলে ব্যাপক দুশ্চিন্ত কাজ করছিল। তখন নাইজেরিয়া থেকে আমাদের নিশ্চিত করা হয়, আমরা যখন ওখানে খেলতে যাব তখন বায়াফ্রানরা সেখানে আক্রমণ করবে না।

আর সেই ম্যাচ খেলে নিশ্চিন্তে ও সুস্থভাবেই দেশে ফিরেছিল পেলের দল।

ট্যাগস :

নাইজেরিয়ায় যুদ্ধ থামিয়ে দিয়েছিলেন ফুটবলের রাজা!

আপডেট সময় : ০৪:৫২:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০

৮০ পূর্ণ করেছেন ফুটবলের ‘কালোমানিক’ পেলে। আজ শুক্রবার এই ব্রাজিলীয় কিংবদন্তির ৮০তম জন্মদিন। ১৯৪০ সালের ২৩ অক্টোবর ব্রাজিলের সাওপাওলো শহরের ট্রেস কোরাকয়েসের এক বস্তিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন পেলে।  ব্রাজিলের হয়ে তিনটি বিশ্বকাপজয়ী (১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৭০) পেলের সম্পর্কে এমন কিছু ঘটনা আছে যা অনেকেই অজানা।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, ১৯৬৯ সালে নাকি পেলের খেলা দেখা দেখছে নাইজেরিয়ায় রক্তাক্ত যুদ্ধ থামিয়ে দেয়া হয়েছিল।  সেদিন বিদ্রোহীদের সঙ্গে আর যুদ্ধে জড়াননি সরকারি বাহিনী।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, পেলের সান্তোস এফসি ফুটবল ক্লাব ছিল ষাটের দশকে বিশ্বের জনপ্রিয় ক্লাবগুলোর একটি। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে গিয়ে এই ক্লাবটি প্রীতি ম্যাচে অংশ নিত।  ১৯৬৯ সালে নাইজেরিয়াতে বায়াফ্রা রাজ্যটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে এক রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।  আর ওই বছরের ৪ঠা ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ-বিধ্বস্ত নাইজেরিয়ায় এক প্রীতি ম্যাচ খেলতে গিয়েছিল পেলের সান্তোস।  দেশটির বেনিন সিটিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল খেলাটি। 

ওই খেলায় সান্তোস ২-১ গোলে স্থানীয় একাদশকে পরাজিত করে। আর সেই খেলাকে কেন্দ্র করে নাকি যুদ্ধই থেমে গিয়েছিল।

ফুটবল ক্লাব সান্তোস এফসির ইতিহাস নিয়ে কাজ করেন এমন একজন গবেষক গুইলহের্ম গুয়াশে বলেছেন, এ রকম একটি পরিস্থিতিতে নাইজেরিয়াতে খেলোয়াড়দের পাঠানোর ব্যাপারে ব্রাজিলের কর্মকর্তাদের মধ্যে অনেক দুশ্চিন্তা ছিল। এ কারণে বিবাদমান পক্ষগুলো তখন যুদ্ধবিরতিতে যেতে সম্মত হয়।

যদিও ঘটনাটির সত্যতা ১৯৭৭ সালে প্রকাশ পাওয়া পেলের আত্মজীবনীতে লেখা নেই।

তবে ২০০৭ সালে প্রকাশিত আরেকটি আত্মজীবনীতে পেলে নাইজেরিয়ার ওই ‘যুদ্ধবিরতির’ কথা উল্লেখ করেছেন।

তিনি লিখেছেন, এই প্রদর্শনী ম্যাচের জন্য গৃহযুদ্ধ থামান হবে বলে খেলোয়াড়দের জানানো হয়েছিল।  যুদ্ধ আক্রান্ত নাইজেরিয়ায় যাওয়া নিয়ে ব্রাজিলে ব্যাপক দুশ্চিন্ত কাজ করছিল। তখন নাইজেরিয়া থেকে আমাদের নিশ্চিত করা হয়, আমরা যখন ওখানে খেলতে যাব তখন বায়াফ্রানরা সেখানে আক্রমণ করবে না।

আর সেই ম্যাচ খেলে নিশ্চিন্তে ও সুস্থভাবেই দেশে ফিরেছিল পেলের দল।