ঢাকা ১২:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo পানছড়িতে অবৈধ কাঠ আটক করেছে বিজিবি Logo পানছড়িতে সেনাবাহিনীর মতবিনিময়, উপহার ও চিকিৎসা সেবা প্রদান Logo কিশোরগঞ্জে রওজা মনি হত্যার বিচার দাবিতে গ্রামবাসীর মানববন্ধন Logo ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে রেজাউল করিম খান চুন্নুর সমর্থকদের গণমিছিল Logo পানছড়িতে শিক্ষার্থীর হাতে ওয়াদুদ ভূঁইয়া ফাউন্ডেশনের অনুদান তুলে দিলো স্বেচ্ছা সেবক দল Logo পানছড়িতে অসহায়, গরীব ও দুস্থের মাঝে ৩ বিজিবির মানবিক সহায়তা বিতরণ Logo সীমান্ত কার্যক্রম নিয়ে প্রেস বিফ্রিং করেছে পানছড়ি বিজিবি Logo শেখ হাসিনার প্লট দুর্নীতির মামলায় রায় ঘোষণা আজ Logo মধ্যরাতে বঙ্গোপসাগরে ভূমিকম্প, কাঁপল টেকনাফ Logo গিনি-বিসাউয়ে ক্ষমতা দখল করল সেনাবাহিনী, প্রেসিডেন্ট গ্রেপ্তার

নিজের যোগ্যতায় আসতে হবে: সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাবর

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১০:৩৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / ১২০৯ বার পড়া হয়েছে

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির নেতা লুৎফুজ্জামান বাবর বলেছেন, “আগে যেমন জোর করে করতে পেরেছি, এখন পারবো না। মিডিয়া এখন স্ট্রং। নিজের যোগ্যতায় রিটেন পাশ ও শারীরিক যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। তারপর ভাইভাতে আমি সাহায্য করব।”

বাবরের এ বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, সময় বদলেছে — এখন আর প্রভাব, ক্ষমতা কিংবা রাজনৈতিক সুপারিশ দিয়ে যোগ্যতার পরীক্ষা উতরে যাওয়া সম্ভব নয়। প্রশাসন ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় গণমাধ্যমের তীক্ষ্ণ নজর এবং জনসচেতনতা এক ধরনের জবাবদিহিতা তৈরি করেছে, যা অতীতে ছিল না।

এক সময় যেসব প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার সাধারণ ঘটনা ছিল, এখন সেখানে মিডিয়া ও নাগরিক সমাজের ভূমিকা সেই সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আনছে। বাবরের মন্তব্যটি হয়তো সেই পরিবর্তিত বাস্তবতারই প্রতিফলন।

তবে প্রশ্ন থেকেই যায় — কেবল “মিডিয়ার ভয়” নয়, প্রশাসন ও রাজনীতির অভ্যন্তরীণ সংস্কার কতদূর হয়েছে? যোগ্যতা ও সততার ভিত্তিতে নিয়োগের যে সংস্কৃতি গড়ে উঠছে, তা টেকসই করতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা—দুটোই প্রয়োজন।

এই বক্তব্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়:
যোগ্যতার বিকল্প নেই। প্রভাব নয়, দক্ষতাই হোক সফলতার মানদণ্ড।

এমএইচ/আস্থা

ট্যাগস :

নিজের যোগ্যতায় আসতে হবে: সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাবর

আপডেট সময় : ১০:৩৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির নেতা লুৎফুজ্জামান বাবর বলেছেন, “আগে যেমন জোর করে করতে পেরেছি, এখন পারবো না। মিডিয়া এখন স্ট্রং। নিজের যোগ্যতায় রিটেন পাশ ও শারীরিক যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। তারপর ভাইভাতে আমি সাহায্য করব।”

বাবরের এ বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, সময় বদলেছে — এখন আর প্রভাব, ক্ষমতা কিংবা রাজনৈতিক সুপারিশ দিয়ে যোগ্যতার পরীক্ষা উতরে যাওয়া সম্ভব নয়। প্রশাসন ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় গণমাধ্যমের তীক্ষ্ণ নজর এবং জনসচেতনতা এক ধরনের জবাবদিহিতা তৈরি করেছে, যা অতীতে ছিল না।

এক সময় যেসব প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার সাধারণ ঘটনা ছিল, এখন সেখানে মিডিয়া ও নাগরিক সমাজের ভূমিকা সেই সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আনছে। বাবরের মন্তব্যটি হয়তো সেই পরিবর্তিত বাস্তবতারই প্রতিফলন।

তবে প্রশ্ন থেকেই যায় — কেবল “মিডিয়ার ভয়” নয়, প্রশাসন ও রাজনীতির অভ্যন্তরীণ সংস্কার কতদূর হয়েছে? যোগ্যতা ও সততার ভিত্তিতে নিয়োগের যে সংস্কৃতি গড়ে উঠছে, তা টেকসই করতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা—দুটোই প্রয়োজন।

এই বক্তব্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়:
যোগ্যতার বিকল্প নেই। প্রভাব নয়, দক্ষতাই হোক সফলতার মানদণ্ড।

এমএইচ/আস্থা