ঢাকা ০৮:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo খাগড়াছড়িতে একমঞ্চে জনগণের মুখোমুখি ১০ প্রার্থী Logo পানছড়িতে ধানের শীষের সমর্থনে শ্রমিক দলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo শেরপুরে জামায়াত–বিএনপি সংঘর্ষে নিহত-১, আহত অন্তত-৪ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামীর বাংলাদেশের দিকনির্দেশনা নির্ধারণ-এয়াকুব আলী Logo খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে Logo পানছড়িতে অষ্টপ্রহার ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে বিএনপি Logo পানছড়িতে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান Logo আপনারা থাকার কষ্ট করছেন, আমরা এখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিং করে দিতে চাই Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার

নোয়াখালীর চাটখিলে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আটক

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৮:৫২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০
  • / ১১২৯ বার পড়া হয়েছে
মোঃ বেল্লাল হোসেন নাঈম, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার নোয়াখলা থেকে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষনের অভিযোগে নোয়াখলা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মজিবুর রহমান শরিফ আটক করেছে চাটখিল থানা পুলিশ।বুধবার(২১ অক্টোবর) দুপুরে ভিকটিম বাদি হয়ে চাটখিল থানায় মামলা করলে পুলিশ তাকে স্থানীয় ইয়াছিন হাজির বাজার থেকে আটক করা হয়।শরিফ বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোরে নোয়াখলা গ্রামের প্রবাসী নুর আলমের স্ত্রীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ২ শিশু সন্তানের সামনে ধর্ষণ করেছে।
সে নোয়াখলা গ্রামের ওয়াছির বাড়ীর রফিক উল্যার ছেলে এবং উপজেলার ৮নং নোয়াখলা ইউনিয়ন (পশ্চিম) যুবলীগের সভাপতি। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি সহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অনেক মামলা রয়েছে।প্রায় দু’বছর আগে পুলিশ পরিচয়ে ঘরে ঢুকে এক কিশোরীকে ধর্ষন করে আলোচিত হন এই শরীফ।স্থানীয় সূত্র এবং থানায় ধর্ষিতার দায়ের করা অভিযোগ থেকে জানা যায়, বুধবার ভোর ৫টার সময় সন্ত্রাসী শরিফ একই বাড়ীর প্রবাসী নুর আলমের ঘরের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে পড়ে। ঘরের ভিতরে প্রবাসীর স্ত্রীর শয়ন কক্ষে গিয়ে অস্ত্র ঠেকিয়ে জিম্মি করে তাকে বিবস্ত্র করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষিতার ২ শিশু সন্তান জেগে থাকলেও তাদের সামনেই তাদের মাকে ধর্ষণ করে। এ সময় শরিফ বাহিনীর কয়েকজন সশস্ত্র ক্যাডার ঘরের চারপাশে পাহারা দিতে থাকে। তাদের ভয়ে বাড়ির লোকজন কেউ এগিয়ে আসেনি। 
শরিফের বিরুদ্ধে থানায় ও কোর্টে ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, টেন্ডারবাজি সহ অনেক মামলা থাকলেও পুলিশ রহস্যজনক কারণে তাকে এতদিন গ্রেফতার করেনি। ইতোপূর্বে তার বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণের অভিযোগ হলে আওয়ামী যুবলীগের প্রভাবশালী নেতৃবৃন্দ তার পক্ষ নিয়ে চাটখিলে মানববন্ধন করে এর প্রতিবাদ জানায়। নোয়াখলা ইউনিয়ন সহ চাটখিল দক্ষিণাঞ্চলে শরিফ ও তার বাহিনীর সদস্যদের কাছে জিম্মি হয়ে আছে এলাকাবাসী। এ বাহিনীর বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না।
শরীফের বিরুদ্ধে এর আগেও কয়েকটি ধর্ষন মামলাসহ ৭/৮ টি মামলা রয়েছে বলে জানা যায়।চাটখিল থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে তিনি জানান, এ ঘটনায় ভিকটিম অভিযোগ করার সাথে সাথে আমরা অভিযান চালিয়ে আসামীকে গ্রেফতার করেছি।শরিফের সহযোগীদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

নোয়াখালীর চাটখিলে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আটক

আপডেট সময় : ০৮:৫২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০
মোঃ বেল্লাল হোসেন নাঈম, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার নোয়াখলা থেকে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষনের অভিযোগে নোয়াখলা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মজিবুর রহমান শরিফ আটক করেছে চাটখিল থানা পুলিশ।বুধবার(২১ অক্টোবর) দুপুরে ভিকটিম বাদি হয়ে চাটখিল থানায় মামলা করলে পুলিশ তাকে স্থানীয় ইয়াছিন হাজির বাজার থেকে আটক করা হয়।শরিফ বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোরে নোয়াখলা গ্রামের প্রবাসী নুর আলমের স্ত্রীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ২ শিশু সন্তানের সামনে ধর্ষণ করেছে।
সে নোয়াখলা গ্রামের ওয়াছির বাড়ীর রফিক উল্যার ছেলে এবং উপজেলার ৮নং নোয়াখলা ইউনিয়ন (পশ্চিম) যুবলীগের সভাপতি। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি সহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অনেক মামলা রয়েছে।প্রায় দু’বছর আগে পুলিশ পরিচয়ে ঘরে ঢুকে এক কিশোরীকে ধর্ষন করে আলোচিত হন এই শরীফ।স্থানীয় সূত্র এবং থানায় ধর্ষিতার দায়ের করা অভিযোগ থেকে জানা যায়, বুধবার ভোর ৫টার সময় সন্ত্রাসী শরিফ একই বাড়ীর প্রবাসী নুর আলমের ঘরের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে পড়ে। ঘরের ভিতরে প্রবাসীর স্ত্রীর শয়ন কক্ষে গিয়ে অস্ত্র ঠেকিয়ে জিম্মি করে তাকে বিবস্ত্র করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষিতার ২ শিশু সন্তান জেগে থাকলেও তাদের সামনেই তাদের মাকে ধর্ষণ করে। এ সময় শরিফ বাহিনীর কয়েকজন সশস্ত্র ক্যাডার ঘরের চারপাশে পাহারা দিতে থাকে। তাদের ভয়ে বাড়ির লোকজন কেউ এগিয়ে আসেনি। 
শরিফের বিরুদ্ধে থানায় ও কোর্টে ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, টেন্ডারবাজি সহ অনেক মামলা থাকলেও পুলিশ রহস্যজনক কারণে তাকে এতদিন গ্রেফতার করেনি। ইতোপূর্বে তার বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণের অভিযোগ হলে আওয়ামী যুবলীগের প্রভাবশালী নেতৃবৃন্দ তার পক্ষ নিয়ে চাটখিলে মানববন্ধন করে এর প্রতিবাদ জানায়। নোয়াখলা ইউনিয়ন সহ চাটখিল দক্ষিণাঞ্চলে শরিফ ও তার বাহিনীর সদস্যদের কাছে জিম্মি হয়ে আছে এলাকাবাসী। এ বাহিনীর বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না।
শরীফের বিরুদ্ধে এর আগেও কয়েকটি ধর্ষন মামলাসহ ৭/৮ টি মামলা রয়েছে বলে জানা যায়।চাটখিল থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে তিনি জানান, এ ঘটনায় ভিকটিম অভিযোগ করার সাথে সাথে আমরা অভিযান চালিয়ে আসামীকে গ্রেফতার করেছি।শরিফের সহযোগীদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।