ঢাকা ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাটের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় বিপাকে কৃষক

News Editor
  • আপডেট সময় : ০১:১৮:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • / ১১৩১ বার পড়া হয়েছে

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলায় পাটের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় কৃষক বিপাকে পড়েছে। বিভিন্ন এনজিও থেকে লোন নিয়ে চাষ করে তা ন্যায্যমূল্যে বিক্রি না করতে পেরে তারা দিশাহারা।

রোববার উপজেলার ধীপুর ইউনিয়নের কৃষক জসিম শেখ বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে ঋণ নিয়ে পাট রোপণ করি। এবার দেরিতে বর্ষার পানি আশায় এ অঞ্চলের পাট লম্বা ও মোটা হয়েছে। প্রতি মণ পাট রোপণ থেকে শুরু করে পরিচর্যা করে তা কাটা, ধোয়া ও শুকানো বাবদ প্রায় দুই হাজার টাকা খরচ হয়।

তা বাজারে বিক্রি হচ্ছে মণপ্রতি ১৬ থেকে ১৮০০ টাকা দরে। মণপ্রতি তিন থেকে চারশ টাকা লোকশান গুনতে হচ্ছে।

তবে পাটখড়ির মাধ্যমে চালান উঠলেও তেমন লাভ হচ্ছে না।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এ উপজেলায় ৭৩৬ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে। প্রতি হেক্টর জমিতে দেড় টন করে পাট উৎপাদন হয়েছে। তবে দাম না থাকায় কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ট্যাগস :

পাটের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় বিপাকে কৃষক

আপডেট সময় : ০১:১৮:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলায় পাটের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় কৃষক বিপাকে পড়েছে। বিভিন্ন এনজিও থেকে লোন নিয়ে চাষ করে তা ন্যায্যমূল্যে বিক্রি না করতে পেরে তারা দিশাহারা।

রোববার উপজেলার ধীপুর ইউনিয়নের কৃষক জসিম শেখ বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে ঋণ নিয়ে পাট রোপণ করি। এবার দেরিতে বর্ষার পানি আশায় এ অঞ্চলের পাট লম্বা ও মোটা হয়েছে। প্রতি মণ পাট রোপণ থেকে শুরু করে পরিচর্যা করে তা কাটা, ধোয়া ও শুকানো বাবদ প্রায় দুই হাজার টাকা খরচ হয়।

তা বাজারে বিক্রি হচ্ছে মণপ্রতি ১৬ থেকে ১৮০০ টাকা দরে। মণপ্রতি তিন থেকে চারশ টাকা লোকশান গুনতে হচ্ছে।

তবে পাটখড়ির মাধ্যমে চালান উঠলেও তেমন লাভ হচ্ছে না।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এ উপজেলায় ৭৩৬ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে। প্রতি হেক্টর জমিতে দেড় টন করে পাট উৎপাদন হয়েছে। তবে দাম না থাকায় কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।