ঢাকা ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo আবার মাইনাস তৎপরতায় ডিপ স্টেট: মাসুদ কামাল Logo বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও বিএনপি নিয়ে নতুন ষড়যন্ত্র Logo পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের দাবিতে খাগড়াছড়িতে সংবাদ সম্মেলন Logo পানছড়িতে অবৈধ কাঠ আটক করেছে বিজিবি Logo পানছড়িতে সেনাবাহিনীর মতবিনিময়, উপহার ও চিকিৎসা সেবা প্রদান Logo কিশোরগঞ্জে রওজা মনি হত্যার বিচার দাবিতে গ্রামবাসীর মানববন্ধন Logo ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে রেজাউল করিম খান চুন্নুর সমর্থকদের গণমিছিল Logo পানছড়িতে শিক্ষার্থীর হাতে ওয়াদুদ ভূঁইয়া ফাউন্ডেশনের অনুদান তুলে দিলো স্বেচ্ছা সেবক দল Logo পানছড়িতে অসহায়, গরীব ও দুস্থের মাঝে ৩ বিজিবির মানবিক সহায়তা বিতরণ Logo সীমান্ত কার্যক্রম নিয়ে প্রেস বিফ্রিং করেছে পানছড়ি বিজিবি

পাবনায় উপনির্বাচন নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষে সংঘর্ষ, আহত ১৫

News Editor
  • আপডেট সময় : ১০:১৪:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • / ১১০৩ বার পড়া হয়েছে

পাবনা ৪ আসনের উপনির্বাচনে কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে দলীয় প্রতিনিধি সভা শেষে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিমেল রানাসহ অন্তত ৫ জন ছুরিকাহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ১৫ জন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সোমবার বিকেলে ঈশ্বরদী বাসস্ট্যান্ডে সভা শেষে দলীয় প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের বাড়িতে খেতে যান বিএনপি নেতাকর্মীরা।

আরও পড়ুনঃ চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ

এ সময় কেন্দ্রীয় নেতা আমান উল্লাহ আমান, খায়রুল কবীর খোকন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদারের সামনেই কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন জেলা যুবদলের সম্পাদক হিমেল রানা ও ছাত্রদলের সাবেক সম্পাদক তসলিম হাসান সুইটের সমর্থকরা। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে ছুরিকাহত হন জেলা যুবদলের সম্পাদক হিমেল রানা, যুগ্ম সম্পাদক সাব্বির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ত্রাণ সম্পাদক রানা মিয়াসহ পাঁচ জন।

গুরুতর অবস্থায় তাদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তিনজনকে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। এ সময় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় অন্তত দশ জন আহত হয়। পরিস্থিতি শান্ত হলে, কর্মসূচী সংক্ষিপ্ত করে ঢাকায় চলে যান বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা।

পাবনা জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিমেল রানা বলেন, কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে কথা বলার জন্য আমরা হাবিবুর রহমান হাবিবের বাড়িতে অপেক্ষায় ছিলাম। হঠাৎ করেই ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তসলিম হাসান সুইটের নেতৃত্বে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা আমাদের উপর হামলা করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই যুবদলের নেতাদের হত্যার উদ্দেশ্যে ছুরিকাঘাত করে। দলের ভেতর ঘাপটি মেরে থাকা কুচক্রী মহল সরকারের উদ্দেশ্য সফল করতে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে।

হামলায় নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সম্পাদক তসলিম হাসান সুইট বলেন, বিএনপির কিছু সাবেক নেতা ও যুবদলের নেতারা প্রথম থেকেই নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন না। এরপরেও, আমরা রাত দিন পরিশ্রম করে মাঠ গুছিয়ে এনেছি। কেন্দ্রীয় নেতাদের বিব্রত করতেই অহেতুক অস্থিরতার সৃষ্টি করা হয়েছে।

তবে, সংঘর্ষের ঘটনা নির্বাচন কেন্দ্রীক নয় দাবী করে বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, যুবদলের ছেলেদের মধ্যে একটু ভুলবোঝাবুঝি হয়েছিল। এটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। বড় করে দেখার মতো কিছু নয়।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ নাসীর উদ্দিন বলেন, খাওয়া দাওয়া নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষে মারামারির কথা শুনেছি। কোন পক্ষই আমাদের কাছে অভিযোগ করে নি। তবে, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশী নিরপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

এদিকে, রবিবার দুপুরে ঈশ্বরদী বাসস্ট্যান্ডে হাবিবুর রহমান হাবিবের পক্ষে নির্বাচনী পথসভায় অংশ নেন কেন্দ্রীয় নেতারা। এ সময় বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমান উল্লা আমান, যুগ্ম মহাসচিব খাইরুল কবির খোকন, নাজিম উদ্দিন আলম, মুস্তাফিজুর রহমান বাবুল, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু প্রমুখ।

পাবনায় উপনির্বাচন নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষে সংঘর্ষ, আহত ১৫

আপডেট সময় : ১০:১৪:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

পাবনা ৪ আসনের উপনির্বাচনে কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে দলীয় প্রতিনিধি সভা শেষে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিমেল রানাসহ অন্তত ৫ জন ছুরিকাহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ১৫ জন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সোমবার বিকেলে ঈশ্বরদী বাসস্ট্যান্ডে সভা শেষে দলীয় প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের বাড়িতে খেতে যান বিএনপি নেতাকর্মীরা।

আরও পড়ুনঃ চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ

এ সময় কেন্দ্রীয় নেতা আমান উল্লাহ আমান, খায়রুল কবীর খোকন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদারের সামনেই কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন জেলা যুবদলের সম্পাদক হিমেল রানা ও ছাত্রদলের সাবেক সম্পাদক তসলিম হাসান সুইটের সমর্থকরা। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে ছুরিকাহত হন জেলা যুবদলের সম্পাদক হিমেল রানা, যুগ্ম সম্পাদক সাব্বির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ত্রাণ সম্পাদক রানা মিয়াসহ পাঁচ জন।

গুরুতর অবস্থায় তাদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তিনজনকে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। এ সময় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় অন্তত দশ জন আহত হয়। পরিস্থিতি শান্ত হলে, কর্মসূচী সংক্ষিপ্ত করে ঢাকায় চলে যান বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা।

পাবনা জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিমেল রানা বলেন, কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে কথা বলার জন্য আমরা হাবিবুর রহমান হাবিবের বাড়িতে অপেক্ষায় ছিলাম। হঠাৎ করেই ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তসলিম হাসান সুইটের নেতৃত্বে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা আমাদের উপর হামলা করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই যুবদলের নেতাদের হত্যার উদ্দেশ্যে ছুরিকাঘাত করে। দলের ভেতর ঘাপটি মেরে থাকা কুচক্রী মহল সরকারের উদ্দেশ্য সফল করতে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে।

হামলায় নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সম্পাদক তসলিম হাসান সুইট বলেন, বিএনপির কিছু সাবেক নেতা ও যুবদলের নেতারা প্রথম থেকেই নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন না। এরপরেও, আমরা রাত দিন পরিশ্রম করে মাঠ গুছিয়ে এনেছি। কেন্দ্রীয় নেতাদের বিব্রত করতেই অহেতুক অস্থিরতার সৃষ্টি করা হয়েছে।

তবে, সংঘর্ষের ঘটনা নির্বাচন কেন্দ্রীক নয় দাবী করে বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, যুবদলের ছেলেদের মধ্যে একটু ভুলবোঝাবুঝি হয়েছিল। এটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। বড় করে দেখার মতো কিছু নয়।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ নাসীর উদ্দিন বলেন, খাওয়া দাওয়া নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষে মারামারির কথা শুনেছি। কোন পক্ষই আমাদের কাছে অভিযোগ করে নি। তবে, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশী নিরপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

এদিকে, রবিবার দুপুরে ঈশ্বরদী বাসস্ট্যান্ডে হাবিবুর রহমান হাবিবের পক্ষে নির্বাচনী পথসভায় অংশ নেন কেন্দ্রীয় নেতারা। এ সময় বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমান উল্লা আমান, যুগ্ম মহাসচিব খাইরুল কবির খোকন, নাজিম উদ্দিন আলম, মুস্তাফিজুর রহমান বাবুল, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু প্রমুখ।