পুলিশের হাত থেকে পালাতে গিয়ে টিকটক হৃদয় গুলিবিদ্ধ
- আপডেট সময় : ০৫:৩৩:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মে ২০২১
- / ১০৬১ বার পড়া হয়েছে
পুলিশের হাত থেকে পালাতে গিয়ে টিকটক হৃদয় গুলিবিদ্ধ
জেলা প্রতিনিধিঃ ভারতের কেরালায় বাংলাদেশি তরুণীকে যৌন নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেপ্তার টিকটক হৃদয়সহ দুইজন পালাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ অন্য যুবকের নাম সাগর।
শুক্রবার (২৮ মে) সকালে পুলিশের হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করলে তারা গুলিবিদ্ধ হন।ভারতীয় পুলিশ জানিয়েছে, গুলিবিদ্ধ হৃদয় ও সাগরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়।
এর আগে ওই তরুণীকে নির্যাতনের ঘটনায় ২ নারীসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বেঙ্গালুরুর পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে ঢাকার হাতিরঝিল থানায় মানব পাচার আইনে মামলা করা হয়েছে।
বেঙ্গালুরু পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তারের পর শুক্রবার তদন্তের জন্য থানা থেকে চার তরুণকে তাদের আবাসস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানই টিকটক হৃদয় ও সাগর পুলিশকে আক্রমণ করে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ গুলি চালায়। এতে হৃদয় ও সাগর হাঁটুতে গুলিবিদ্ধ হন।
পুলিশ ধারণা করছে, নির্যাতনের শিকার ওই তরুণী কর্ণাটকে নেই। তিনি পাশের কোনো রাজ্যে চলে গেছেন। তার সন্ধানে বিশেষ একটি আভিযানিক দল মাঠে নেমেছে।
ওই তরুণীর ওপর অমানুষিক যৌন নির্যাতনের একটি ভিডিও সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ওই ভিডিওর সূত্র ধরে অনুসন্ধান করে রিফাতুল ইসলাম হৃদয় নামের এক নির্যাতনকারীকে শনাক্ত করেছে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগ।
রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় তার বাসা। তিনি এলাকায় টিকটক হৃদয় বাবু নামে পরিচিত। যৌন নির্যাতনের যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে, সেটি ১৫ থেকে ১৬ দিন আগের। প্রায় ২০ বছর বয়সী ভিকটিমও হাতিরঝিল থানা এলাকায় থাকতেন।
তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. শহিদুল্লাহ জানান, ভিকটিমের বিস্তারিত পরিচয় জানতে চাইলে হৃদয় হোয়াটসঅ্যাপে একটি ভারতীয় পরিচয়পত্র পাঠান। আধার কার্ড নামে পরিচিত এই পরিচয়পত্রটি সাধারণত ভারতীয় নাগরিকদের দেওয়া হয়।
হৃদয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ভিকটিমের পরিচয় পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ। ভিকটিমের বাবা নিশ্চিত করেছেন নির্যাতিত মেয়েটি তারই সন্তান। পরিবারের সঙ্গে মেয়েটির গত দুই বছর কোনো যোগাযোগ নেই।
ভাইরাল হওয়া যৌন নির্যাতনের ঘটনায় ওই যুবক ও তার কয়েকজন বন্ধু জড়িত ছিলেন। হৃদয়ের বাসা তল্লাশি করে তার এনআইডি কার্ড, জেএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও রমনা থানায় তার নামে করা একটি ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার এজাহারের কপি পাওয়া গেছে।
[irp]



















