ঢাকা ০২:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশে জ্বালানির মজুত কত? চলবে যত দিন

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৫:২৪:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
  • / ১০০৬ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে জ্বালানির মজুত কত? চলবে যত দিন

আস্থা ডেস্কঃ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেশের জ্বালানি সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে চলছে আলোচনা। দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেলের মজুদ রয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে গতকাল পর্যন্ত ৭টি জাহাজের এলসি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান।

গত মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কারওয়ান বাজার বিপিসি ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, জ্বালানির মধ্যে ডিজেল ১৪ দিন, অকটেন ২৮ দিন, পেট্রল ১৫ দিন, ফার্নেস ৯৩ দিন ও জেড ফুয়েল ৫৫ দিনের মজুদ রয়েছে।

তিনি আরো জানান, যুদ্ধ পরিস্থিতি নজরে রেখে তেলের বিকল্প বাজার খোঁজার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। তবে বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ মজুত রয়েছে, তাতে দাম বাড়ার শঙ্কা নেই।

সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, পরিশোধিত জ্বালানিতে তাৎক্ষণিক সংকট না থাকলেও অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানিতে ব্যাঘাত ঘটলে চাপ তৈরি হতে পারে।

বিপিসি’র মজুতের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, জ্বালানি তেলের মজুত ১৪ থেকে ২১ দিনের মধ্যে শেষ হতে পারে। তবে আরো দুটি জাহাজ চট্টগ্রামে তেল নিয়ে এসেছে, যার একটির খালাস শুরু হয়েছে।

তবে মধ্যপ্রাচ্যের সংকট আরো ঘনীভূত হলে জ্বালানি তেল আমদানিতে সংকট বাড়তে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :

বাংলাদেশে জ্বালানির মজুত কত? চলবে যত দিন

আপডেট সময় : ০৫:২৪:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশে জ্বালানির মজুত কত? চলবে যত দিন

আস্থা ডেস্কঃ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেশের জ্বালানি সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে চলছে আলোচনা। দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেলের মজুদ রয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে গতকাল পর্যন্ত ৭টি জাহাজের এলসি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান।

গত মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কারওয়ান বাজার বিপিসি ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, জ্বালানির মধ্যে ডিজেল ১৪ দিন, অকটেন ২৮ দিন, পেট্রল ১৫ দিন, ফার্নেস ৯৩ দিন ও জেড ফুয়েল ৫৫ দিনের মজুদ রয়েছে।

তিনি আরো জানান, যুদ্ধ পরিস্থিতি নজরে রেখে তেলের বিকল্প বাজার খোঁজার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। তবে বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ মজুত রয়েছে, তাতে দাম বাড়ার শঙ্কা নেই।

সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, পরিশোধিত জ্বালানিতে তাৎক্ষণিক সংকট না থাকলেও অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানিতে ব্যাঘাত ঘটলে চাপ তৈরি হতে পারে।

বিপিসি’র মজুতের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, জ্বালানি তেলের মজুত ১৪ থেকে ২১ দিনের মধ্যে শেষ হতে পারে। তবে আরো দুটি জাহাজ চট্টগ্রামে তেল নিয়ে এসেছে, যার একটির খালাস শুরু হয়েছে।

তবে মধ্যপ্রাচ্যের সংকট আরো ঘনীভূত হলে জ্বালানি তেল আমদানিতে সংকট বাড়তে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।