ঢাকা ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মন্ত্রণালয়, পার্বত্য জেলা পরিষদ ও বাজার ফান্ডের কাছে জবাব চেয়েছে হাইকোর্ট

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৯:২৪:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫
  • / ১৯২৯ বার পড়া হয়েছে

মন্ত্রণালয়, পার্বত্য জেলা পরিষদ ও বাজার ফান্ডের কাছে জবাব চেয়েছে হাইকোর্ট

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছঃ

পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন ১৯৮৯-এর কিছু বিতর্কিত ধারা অস্পষ্ট এবং বৈষম্যের পথ তৈরি করার অভিযোগ এনে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়-স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, পার্বত্য জেলা পরিষদ খাগড়াছড়ি ও বাজার ফান্ডের কাছে জবাব চেয়েছে হাইকোর্ট।

সম অধিকার আন্দোলনের খাগড়াছড়ি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আসাদ উল্লাহ সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ মূলে হাইকোর্টে পিটিশন দাখিল করেন। পিটিশন নং ১০০৩৯/২০২৫ খ্রিঃ।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন ১৯৮৯-এর কিছু ধারা, বিশেষ করে ৩২(২) এবং কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালার ৪(২), অস্পষ্ট ও বৈষম্যমূলক। এর ফলে চাকরিতে সমান সুযোগ পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার (সংবিধানের ২৬, ২৭, ২৮, ২৯ ও ৩১ অনুচ্ছেদ) ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। এসব বিতর্কিত ধারা অস্পষ্ট এবং বৈষম্যের পথ তৈরি আরও বিস্তৃত করছে।

এই রিটে বিবাদী করা হয়েছে রাষ্ট্র, আইন মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশকালীন চেয়ারম্যানকে এবং খাগড়াছড়ি বাজার ফান্ড প্রশাসককে।

বিচারপতি মোঃ আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি ফয়েজ আহমেদ এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটের শুনানি শেষে চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের কাছে জবাব চেয়েছে হাইকোর্ট।

শুনানিতে বাদীপক্ষে ছিলেন, আইনজীবী এম. জি. মাহমুদ শাহীন

অপরদিকে রাষ্ট্রের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহফুজুর রহমান মিলনসহ আরও কয়েকজন সরকারি আইনজীবী।

সমঅধিকার আন্দোলনের খাগড়াছড়ি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও রিটকারী আসাদ উল্লাহ বলেন, পার্বত্য জেলা পরিষদ খাগড়াছড়িতে অসাংবিধানিকভাবে বৈষম্যমূলক নিয়োগ এবং সংবিধান লংঘন করে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে, আর এই কার্যক্রমকে রহিত করে সর্বক্ষেত্রে সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে সমান সুযোগ দেওয়ার জন্যই উচ্চ আদালতে রিট করা হয়েছে। যার প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে চার সপ্তাহের সময় দিয়ে জবাব চাওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :

মন্ত্রণালয়, পার্বত্য জেলা পরিষদ ও বাজার ফান্ডের কাছে জবাব চেয়েছে হাইকোর্ট

আপডেট সময় : ০৯:২৪:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫

মন্ত্রণালয়, পার্বত্য জেলা পরিষদ ও বাজার ফান্ডের কাছে জবাব চেয়েছে হাইকোর্ট

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছঃ

পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন ১৯৮৯-এর কিছু বিতর্কিত ধারা অস্পষ্ট এবং বৈষম্যের পথ তৈরি করার অভিযোগ এনে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়-স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, পার্বত্য জেলা পরিষদ খাগড়াছড়ি ও বাজার ফান্ডের কাছে জবাব চেয়েছে হাইকোর্ট।

সম অধিকার আন্দোলনের খাগড়াছড়ি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আসাদ উল্লাহ সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ মূলে হাইকোর্টে পিটিশন দাখিল করেন। পিটিশন নং ১০০৩৯/২০২৫ খ্রিঃ।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন ১৯৮৯-এর কিছু ধারা, বিশেষ করে ৩২(২) এবং কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালার ৪(২), অস্পষ্ট ও বৈষম্যমূলক। এর ফলে চাকরিতে সমান সুযোগ পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার (সংবিধানের ২৬, ২৭, ২৮, ২৯ ও ৩১ অনুচ্ছেদ) ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। এসব বিতর্কিত ধারা অস্পষ্ট এবং বৈষম্যের পথ তৈরি আরও বিস্তৃত করছে।

এই রিটে বিবাদী করা হয়েছে রাষ্ট্র, আইন মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশকালীন চেয়ারম্যানকে এবং খাগড়াছড়ি বাজার ফান্ড প্রশাসককে।

বিচারপতি মোঃ আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি ফয়েজ আহমেদ এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটের শুনানি শেষে চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের কাছে জবাব চেয়েছে হাইকোর্ট।

শুনানিতে বাদীপক্ষে ছিলেন, আইনজীবী এম. জি. মাহমুদ শাহীন

অপরদিকে রাষ্ট্রের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহফুজুর রহমান মিলনসহ আরও কয়েকজন সরকারি আইনজীবী।

সমঅধিকার আন্দোলনের খাগড়াছড়ি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও রিটকারী আসাদ উল্লাহ বলেন, পার্বত্য জেলা পরিষদ খাগড়াছড়িতে অসাংবিধানিকভাবে বৈষম্যমূলক নিয়োগ এবং সংবিধান লংঘন করে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে, আর এই কার্যক্রমকে রহিত করে সর্বক্ষেত্রে সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে সমান সুযোগ দেওয়ার জন্যই উচ্চ আদালতে রিট করা হয়েছে। যার প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে চার সপ্তাহের সময় দিয়ে জবাব চাওয়া হয়েছে।