ঢাকা ০৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিরপুরের সেই ‘গায়েবী কান্নার’ রহস্য জানা গেলে

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ১২:২৬:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ মে ২০২১
  • / ১০৭৫ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ রাজধানীর মিরপুরের একটি নির্মাণাধীন আবাসিক প্রকল্প থেকে প্রায়ই রাতেই ভেসে আসত কান্নার শব্দ। স্থানীয়রা কোনোভাবেই এ কান্নার উৎস খুঁজে পাচ্ছিলেন না। এ নিয়ে এলাকায় তৈরি হয়েছিল রহস্য।

এই রহস্যের সমাধানে ‘বাংলাদেশ পুলিশ ফেসবুক পেজ’–এ খুদে বার্তা পাঠান স্থানীয় এক ব্যক্তি। বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্তে নামে মিরপুর মডেল থানার পুলিশ। তাদের তদন্তে বেরিয়ে আসে গায়েবী কান্নার রহস্য।

পুলিশ জানতে, নির্মাণাধীন ওই আবাসিক প্রকল্পের পরিত্যক্ত এক কক্ষে স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তান নিয়ে বাস করেন মো. জাহাঙ্গীর। প্রতিরাতে দুই শিশুকে মারধর করতেন তিনি। সেই দুই শিশুর কান্নার শব্দই শুনতেন স্থানীয়রা।

[irp]

শুক্রবার (৭) দুই সন্তানকে মারধরের অভিযোগে জাহাঙ্গীরকে আটক করে পুলিশ। সন্তানদের মারধর করবেন না, এমন মুচলেকা দেওয়ায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। জাহাঙ্গীরের বাড়ি ভোলার চরফ্যাশনে। তিনি ওই আবাসিক প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কাজ করছেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের সহকারী মহাপরিদর্শক মো. সোহেল রানার পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আবাসিক প্রকল্পের ভিতরে নির্মাণাধীন ও বর্তমানে পরিত্যক্ত একটি ভবনে পরিবার নিয়ে থাকেন জাহাঙ্গীর। নির্মাণাধীন প্রকল্পের পরিবেশটা বেশ ভুতুড়ে।

এখানেই প্রতিদিন তিনি তাঁর সন্তানদের হাত-পা বেঁধে মারধর করতেন। ছেলেদের কান্না শোনা যেত দূর থেকে। ফেসবুকে বার্তাটি পেয়ে সাদা পোশাকে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে ও রহস্যের সমাধান করতে সমর্থ হয়।

ট্যাগস :

মিরপুরের সেই ‘গায়েবী কান্নার’ রহস্য জানা গেলে

আপডেট সময় : ১২:২৬:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ মে ২০২১

অনলাইন ডেস্কঃ রাজধানীর মিরপুরের একটি নির্মাণাধীন আবাসিক প্রকল্প থেকে প্রায়ই রাতেই ভেসে আসত কান্নার শব্দ। স্থানীয়রা কোনোভাবেই এ কান্নার উৎস খুঁজে পাচ্ছিলেন না। এ নিয়ে এলাকায় তৈরি হয়েছিল রহস্য।

এই রহস্যের সমাধানে ‘বাংলাদেশ পুলিশ ফেসবুক পেজ’–এ খুদে বার্তা পাঠান স্থানীয় এক ব্যক্তি। বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্তে নামে মিরপুর মডেল থানার পুলিশ। তাদের তদন্তে বেরিয়ে আসে গায়েবী কান্নার রহস্য।

পুলিশ জানতে, নির্মাণাধীন ওই আবাসিক প্রকল্পের পরিত্যক্ত এক কক্ষে স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তান নিয়ে বাস করেন মো. জাহাঙ্গীর। প্রতিরাতে দুই শিশুকে মারধর করতেন তিনি। সেই দুই শিশুর কান্নার শব্দই শুনতেন স্থানীয়রা।

[irp]

শুক্রবার (৭) দুই সন্তানকে মারধরের অভিযোগে জাহাঙ্গীরকে আটক করে পুলিশ। সন্তানদের মারধর করবেন না, এমন মুচলেকা দেওয়ায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। জাহাঙ্গীরের বাড়ি ভোলার চরফ্যাশনে। তিনি ওই আবাসিক প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কাজ করছেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের সহকারী মহাপরিদর্শক মো. সোহেল রানার পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আবাসিক প্রকল্পের ভিতরে নির্মাণাধীন ও বর্তমানে পরিত্যক্ত একটি ভবনে পরিবার নিয়ে থাকেন জাহাঙ্গীর। নির্মাণাধীন প্রকল্পের পরিবেশটা বেশ ভুতুড়ে।

এখানেই প্রতিদিন তিনি তাঁর সন্তানদের হাত-পা বেঁধে মারধর করতেন। ছেলেদের কান্না শোনা যেত দূর থেকে। ফেসবুকে বার্তাটি পেয়ে সাদা পোশাকে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে ও রহস্যের সমাধান করতে সমর্থ হয়।