ঢাকা ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মৌলভীবাজারে গৃহবধূর হাতে লেখা ‘সুইসাইড নোট’

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৯:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • / ১০৯২ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে আসমা বেগম নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার সকালে ওই উপজেলার আলিশারকুল গ্রামের একটি বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের হাতে একটি ‘সুইসাইড নোট’ লেখা ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।

আসমা বেগম ওই গ্রামের মতলিব মিয়ার মেয়ে। তার পরিবারের অভিযোগ, আসমাকে তার স্বামী পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে।

জানা গেছে, একই উপজেলার ভুনবীর ইউনিয়নের রাজপারা এলাকার ছোবহান মিয়ার ছেলে মো. আব্দুল হালিমের সঙ্গে চার মাস আগে বিয়ে হয় আসমা বেগমের। এটি ছিল তার দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে আসমা বেগমের আরেকটি বিয়ে হয়েছিল। সেই সংসার সংসারে একটি ছয় বছরের মেয়ে রয়েছে তার।

আসমার দ্বিতীয় স্বামূ আব্দুল হালিম বয়সে স্ত্রীর চেয়ে প্রায় আট বছরের ছোট। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ লেগেছিল।

নিহত আসমা বেগমের স্বামী আব্দুল হালিম জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতে তারা খাবার খেয়ে ঘুমাতে যান। রোববার সকাল সাড়ে ৬টায় ঘুম থেকে উঠে দেখেন তার স্ত্রী পাশে নেই। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে তিনি দেখেন ঘরের আড়ার সঙ্গে মাফলার পেঁচানো অবস্থায় তার স্ত্রীর লাশ ঝুলছে। তখন তিনি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে লাশটি নামায়। ওই সময় আসমা বেগমের বামহাতে কিছু লেখা ছিল।

আসমা বেগমের বড় বোন আলেয়া বেগম জানান, তার বোন আত্মহত্যা করতে পারেন না। পারিবারিক ঝামেলার কারণে স্বামী আব্দুল হালিম তাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করেছেন।

শ্রীমঙ্গল থানার ওসি মো. আব্দুস সালেক জানান, প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা মনে হচ্ছে। তবে স্বামীর প্ররোচনায় আসমা বেগম আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। হাতের লেখার ঘটনার রহস্য উদঘাটনে এক্সপার্ট দিয়ে পরীক্ষা করা হবে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগস :

মৌলভীবাজারে গৃহবধূর হাতে লেখা ‘সুইসাইড নোট’

আপডেট সময় : ০৬:৫৯:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১

জেলা প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে আসমা বেগম নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার সকালে ওই উপজেলার আলিশারকুল গ্রামের একটি বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের হাতে একটি ‘সুইসাইড নোট’ লেখা ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।

আসমা বেগম ওই গ্রামের মতলিব মিয়ার মেয়ে। তার পরিবারের অভিযোগ, আসমাকে তার স্বামী পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে।

জানা গেছে, একই উপজেলার ভুনবীর ইউনিয়নের রাজপারা এলাকার ছোবহান মিয়ার ছেলে মো. আব্দুল হালিমের সঙ্গে চার মাস আগে বিয়ে হয় আসমা বেগমের। এটি ছিল তার দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে আসমা বেগমের আরেকটি বিয়ে হয়েছিল। সেই সংসার সংসারে একটি ছয় বছরের মেয়ে রয়েছে তার।

আসমার দ্বিতীয় স্বামূ আব্দুল হালিম বয়সে স্ত্রীর চেয়ে প্রায় আট বছরের ছোট। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ লেগেছিল।

নিহত আসমা বেগমের স্বামী আব্দুল হালিম জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতে তারা খাবার খেয়ে ঘুমাতে যান। রোববার সকাল সাড়ে ৬টায় ঘুম থেকে উঠে দেখেন তার স্ত্রী পাশে নেই। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে তিনি দেখেন ঘরের আড়ার সঙ্গে মাফলার পেঁচানো অবস্থায় তার স্ত্রীর লাশ ঝুলছে। তখন তিনি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে লাশটি নামায়। ওই সময় আসমা বেগমের বামহাতে কিছু লেখা ছিল।

আসমা বেগমের বড় বোন আলেয়া বেগম জানান, তার বোন আত্মহত্যা করতে পারেন না। পারিবারিক ঝামেলার কারণে স্বামী আব্দুল হালিম তাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করেছেন।

শ্রীমঙ্গল থানার ওসি মো. আব্দুস সালেক জানান, প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা মনে হচ্ছে। তবে স্বামীর প্ররোচনায় আসমা বেগম আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। হাতের লেখার ঘটনার রহস্য উদঘাটনে এক্সপার্ট দিয়ে পরীক্ষা করা হবে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।