ঢাকা ১১:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে Logo পানছড়িতে অষ্টপ্রহার ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে বিএনপি Logo পানছড়িতে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান Logo আপনারা থাকার কষ্ট করছেন, আমরা এখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিং করে দিতে চাই Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার Logo প্রাণ ফিরছে লোগাং ইউপি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদে Logo পানছড়িতে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক Logo পানছড়িতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া-রাবিশ ব্যবহার Logo মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

রংপুরে করোনার সুযোগ নিয়ে নকল ব্যান্ডল দিয়ে তৈরী হচ্ছে বিড়ি 

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ১১:৫৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১
  • / ১১০২ বার পড়া হয়েছে

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

 

রংপুরে করোনার সুযোগ নিয়ে কাষ্টমসের চোখ ফাকি দিয়ে তৈরী হচ্ছে নানান নামের বিড়ি। এতে সরকার হারাচ্ছে কোটি কোটির রাজস্ব। যে সব এলাকায় বিড়ি তৈরী হয় সেখানে দেখা গেছে যে দিনের আলোয় বিড়ি উৎপাদিত হয় না কাষ্টম কমর্কতার ভয়ে অথচ করোন কালিন রাতের আধারে কোটি কোটি বিড়ি উৎপাদিত হচ্ছে যেন দেখার কেউ নেই। সেই বিড়ি আবার নানা কৌশলে রাতের বেলায় দেশের বিভিন্ন এলাকা দিয়ে চলে যাচ্ছে রাতের আধারে বা দিনের আলোয় । আর কাষ্টম করমকর্তার অবহেলায় এই বস বিড়ি দেশের প্রতিটি জেলায় পৌছে যায় খুব সহজে। এলাকার সাধারণ মানুষ মনে করেন সরকারকে ফাকি দিয়ে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাকি বিড়ি মালিকদের পেট ফুলিয়ে কলা গাছ হচ্ছে আর সরকার হারাচ্ছে তার রাজস্ব আয়। হারাগাছ এলাকাসহ গংগাচড়ার বড়াইবাড়ি গজঘন্টর হাবু, বুড়ির হাট. মৌলভীর বাজার, আনুরবাজার,ভরসা বাজার চৌদ্দো মাথা খলিফারবাজারসহ অনেক এলাকায় নকল ব্যান্ডোল দিয়ে বিড়ি উৎপাদিত হচ্ছে যাহা কিনা সাধারণ মানুষ জানে । তবে একটি বিষয় পরিস্কার হলো যে কাষ্টম করমকর্তার ছুটিতে থাকায় বিড়ি মালিকদের অনেকটাই উপকার হয়েছে তাদের আর ট্যাক্স দিতে হচ্ছেনা অফিস বন্ধ রাতে পুলিশকে মেন্যেজ করে তাদের নিজেস্ব পরিবহণ ব্যাবহার করে বিড়ি পাচার করা হচ্ছে। বিশেষ করে চোখে পড়ে ভোর রাতে ও সকালের দৃশ্য আর বিকালের দৃশ্যটি মটর গাড়িতে করে এই সব বিড়ি চোরাই পথে এবং লোকাল রোডে চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ও পার্সেল অফিসে। আর কাষ্টমস করমকর্তার নাকের ডগার উপর দিয়ে। এই সমস্ত অবৈধ বিড়ি চলে যাচ্ছে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় বিড়ি ব্যাবসায়ী রা অতি সাবধানে চলাফেরা করে থাকেন । আরও অভিযোগ উঠে যে কাষ্টমস করমকর্তাকে মেনেজ করে এই সমস্ত বিড়ি তৈরী হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে প্রতিদিন এই এলাকায় কাষ্টমস করমকর্তারা এসে ঘুষ নিয়ে চলে যান আর তাদের বলে যান যে আপনার আমাদের খুশি রাখলে আপনাদের খুশি রাখবো আমরা। আর মামলার ভয় দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা যাহা কিনা আমাদের কাম্য নয়। যেমন বিড়ি মারিকদের অবহেলা তেমনি কাষ্টমস কমকর্তারদের দুনীর্তির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। যাকে বলে চোরে চোরে মাসতা তো ভাই।

সাধারণ মানুষ মনে করেন এই সমস্ত এলাকায় কাষ্টম করমকর্তার অভিযান জরুরী। এই সব এলাকায় অনেক বিড়ি কোম্পানি নতুন করে ব্যাঙ এর ছাতার মত গজিয়ে উঠেছে

আর অনেক এলাকা থেকে এই সব বিড়ি কোম্পানিগুলি রাজস্ব ফাকির ভয়ে এই র্নিজন এলাকায় বিড়ি তৈরী হচ্ছে এখানকার মাতব্বরদের মেনেজ করে এই বস এলাকায় নকল ব্যান্ডোল দিয়ে বিড়ি উৎপাদিত হচ্ছে। এখনকার সাধারণ মানুষ মনে করেন এই এলাগুলিতে সব অবৈধ বিড়ি উৎপাদনে সরকারে সু দৃষ্টি থাকবে বলে মনে করেন তারা।

ট্যাগস :

রংপুরে করোনার সুযোগ নিয়ে নকল ব্যান্ডল দিয়ে তৈরী হচ্ছে বিড়ি 

আপডেট সময় : ১১:৫৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

 

রংপুরে করোনার সুযোগ নিয়ে কাষ্টমসের চোখ ফাকি দিয়ে তৈরী হচ্ছে নানান নামের বিড়ি। এতে সরকার হারাচ্ছে কোটি কোটির রাজস্ব। যে সব এলাকায় বিড়ি তৈরী হয় সেখানে দেখা গেছে যে দিনের আলোয় বিড়ি উৎপাদিত হয় না কাষ্টম কমর্কতার ভয়ে অথচ করোন কালিন রাতের আধারে কোটি কোটি বিড়ি উৎপাদিত হচ্ছে যেন দেখার কেউ নেই। সেই বিড়ি আবার নানা কৌশলে রাতের বেলায় দেশের বিভিন্ন এলাকা দিয়ে চলে যাচ্ছে রাতের আধারে বা দিনের আলোয় । আর কাষ্টম করমকর্তার অবহেলায় এই বস বিড়ি দেশের প্রতিটি জেলায় পৌছে যায় খুব সহজে। এলাকার সাধারণ মানুষ মনে করেন সরকারকে ফাকি দিয়ে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাকি বিড়ি মালিকদের পেট ফুলিয়ে কলা গাছ হচ্ছে আর সরকার হারাচ্ছে তার রাজস্ব আয়। হারাগাছ এলাকাসহ গংগাচড়ার বড়াইবাড়ি গজঘন্টর হাবু, বুড়ির হাট. মৌলভীর বাজার, আনুরবাজার,ভরসা বাজার চৌদ্দো মাথা খলিফারবাজারসহ অনেক এলাকায় নকল ব্যান্ডোল দিয়ে বিড়ি উৎপাদিত হচ্ছে যাহা কিনা সাধারণ মানুষ জানে । তবে একটি বিষয় পরিস্কার হলো যে কাষ্টম করমকর্তার ছুটিতে থাকায় বিড়ি মালিকদের অনেকটাই উপকার হয়েছে তাদের আর ট্যাক্স দিতে হচ্ছেনা অফিস বন্ধ রাতে পুলিশকে মেন্যেজ করে তাদের নিজেস্ব পরিবহণ ব্যাবহার করে বিড়ি পাচার করা হচ্ছে। বিশেষ করে চোখে পড়ে ভোর রাতে ও সকালের দৃশ্য আর বিকালের দৃশ্যটি মটর গাড়িতে করে এই সব বিড়ি চোরাই পথে এবং লোকাল রোডে চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ও পার্সেল অফিসে। আর কাষ্টমস করমকর্তার নাকের ডগার উপর দিয়ে। এই সমস্ত অবৈধ বিড়ি চলে যাচ্ছে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় বিড়ি ব্যাবসায়ী রা অতি সাবধানে চলাফেরা করে থাকেন । আরও অভিযোগ উঠে যে কাষ্টমস করমকর্তাকে মেনেজ করে এই সমস্ত বিড়ি তৈরী হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে প্রতিদিন এই এলাকায় কাষ্টমস করমকর্তারা এসে ঘুষ নিয়ে চলে যান আর তাদের বলে যান যে আপনার আমাদের খুশি রাখলে আপনাদের খুশি রাখবো আমরা। আর মামলার ভয় দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা যাহা কিনা আমাদের কাম্য নয়। যেমন বিড়ি মারিকদের অবহেলা তেমনি কাষ্টমস কমকর্তারদের দুনীর্তির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। যাকে বলে চোরে চোরে মাসতা তো ভাই।

সাধারণ মানুষ মনে করেন এই সমস্ত এলাকায় কাষ্টম করমকর্তার অভিযান জরুরী। এই সব এলাকায় অনেক বিড়ি কোম্পানি নতুন করে ব্যাঙ এর ছাতার মত গজিয়ে উঠেছে

আর অনেক এলাকা থেকে এই সব বিড়ি কোম্পানিগুলি রাজস্ব ফাকির ভয়ে এই র্নিজন এলাকায় বিড়ি তৈরী হচ্ছে এখানকার মাতব্বরদের মেনেজ করে এই বস এলাকায় নকল ব্যান্ডোল দিয়ে বিড়ি উৎপাদিত হচ্ছে। এখনকার সাধারণ মানুষ মনে করেন এই এলাগুলিতে সব অবৈধ বিড়ি উৎপাদনে সরকারে সু দৃষ্টি থাকবে বলে মনে করেন তারা।