ঢাকা ০৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজধানীতে জেএমবি সদস্যের ১০ বছরের কারাদণ্ড অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৯:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২১
  • / ১০৯৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:রাজধানীর বিমানবন্দর থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারের ঘটনায় জেএমবি সদস্য সোহেল রানাকে ১০ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।রোববার ঢাকার মহানগর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৫ এর বিচারক মাকছুদা পারভীন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে আসামি সোহেলকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আসামির উপস্থিতিতে বিচারক রায় পড়া শুরু করেন। রায় পড়া শেষে আদালত রায়ের আদেশ দেন। এ সময় বিচারক সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রায়ের আদেশে বলা হয়, অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ১০ বছর এবং গুলি উদ্ধারের ঘটনায় তাকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। দুই ধারার সাজা এক সঙ্গে চলবে। সে ক্ষেত্রে তার ১০ বছর সাজা ভোগ করতে হবে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৬ জুন বিমানবন্দর এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।  মাসখানেক পর মামলায় চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হয়েছিল। এরপর আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে আদালত চার্জশিটভুক্ত ১০ জন সাক্ষীর মধ্যে সাতজনের সাক্ষ্য নিয়েছেন।

জিএমবি সদস্য সোহেল রানার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক এবং সন্ত্রাস বিরোধ আইনে আরো দুটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

ট্যাগস :

রাজধানীতে জেএমবি সদস্যের ১০ বছরের কারাদণ্ড অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৪:৫৯:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২১

নিউজ ডেস্ক:রাজধানীর বিমানবন্দর থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারের ঘটনায় জেএমবি সদস্য সোহেল রানাকে ১০ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।রোববার ঢাকার মহানগর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৫ এর বিচারক মাকছুদা পারভীন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে আসামি সোহেলকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আসামির উপস্থিতিতে বিচারক রায় পড়া শুরু করেন। রায় পড়া শেষে আদালত রায়ের আদেশ দেন। এ সময় বিচারক সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রায়ের আদেশে বলা হয়, অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ১০ বছর এবং গুলি উদ্ধারের ঘটনায় তাকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। দুই ধারার সাজা এক সঙ্গে চলবে। সে ক্ষেত্রে তার ১০ বছর সাজা ভোগ করতে হবে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৬ জুন বিমানবন্দর এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।  মাসখানেক পর মামলায় চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হয়েছিল। এরপর আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে আদালত চার্জশিটভুক্ত ১০ জন সাক্ষীর মধ্যে সাতজনের সাক্ষ্য নিয়েছেন।

জিএমবি সদস্য সোহেল রানার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক এবং সন্ত্রাস বিরোধ আইনে আরো দুটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।