ঢাকা ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাতের অন্ধকারে বাসার সবাইকে অচেতন করে দুর্ধর্ষ চুরি

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৭:৪১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ এপ্রিল ২০২১
  • / ১১২৯ বার পড়া হয়েছে

নিলয় বিশ্বাস,তজুমদ্দিন প্রতিনিধি:

ভোলার তজুমদ্দিনে রাতের অধারে ঘরের মধ্যে নেশা জাতীয়দ্রব্য স্প্রে করে জানালার গ্রীল ভেঙে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, মোবাইলসহ মালামাল নিয়ে যায় অজ্ঞাতনামা চোরেরা। এঘটনায় অচেতন ৪জনকে বাসায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের কালাশা গ্রামের রুহুল আমিন মাস্টারের বাসার সবাই রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। পরে রাতের কোন এক সময় অজ্ঞাতনামা চোরের বাহির থেকে ঘরের ভিতরে স্প্রে’র মাধ্যমে নেশা জাতীয়দ্রব্য স্প্রে করলে ঘরের সবাই অচেতন হয়ে পড়ে।

এ সময় জানালার গ্রীল ভেঙে ঘরে ডুকে অজ্ঞাতনামা চোরেরা ৭/৮ ভরি স্বর্ণ, নগদ ১০ হাজার টাকা, ৩টি মোবাইলসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যায়। পরে সকাল বেলায় রিজিয়ার বোন ইয়াছমিন বেগম হেলেন ডিমের জন্য এসে এ অবস্থা দেখে ডাক-চিৎকার দিলে পার্শ্ববর্তী লোকজন আসলে ঘটনার জানাজানি হয়।

অচেতনরা হলেন, আলহাজ্ব রুহুল আমিন হাওলাদার (৭৫), রিজিয়া বেগম (৭০), হাফসা বেগম (৩০) ও সাইফা (১০)। করোনার কারণে অচেতনদের হাসাপাতালে না এনে বাসায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পরে সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং আইনগত সহায়তা নিতে পরামর্শ দেন।

তজুমদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনায়েত হোসেন বরিশালটাইমসকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে থানায় এসে আইনগত সহায়তা নিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’

ট্যাগস :

রাতের অন্ধকারে বাসার সবাইকে অচেতন করে দুর্ধর্ষ চুরি

আপডেট সময় : ০৭:৪১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ এপ্রিল ২০২১

নিলয় বিশ্বাস,তজুমদ্দিন প্রতিনিধি:

ভোলার তজুমদ্দিনে রাতের অধারে ঘরের মধ্যে নেশা জাতীয়দ্রব্য স্প্রে করে জানালার গ্রীল ভেঙে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, মোবাইলসহ মালামাল নিয়ে যায় অজ্ঞাতনামা চোরেরা। এঘটনায় অচেতন ৪জনকে বাসায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের কালাশা গ্রামের রুহুল আমিন মাস্টারের বাসার সবাই রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। পরে রাতের কোন এক সময় অজ্ঞাতনামা চোরের বাহির থেকে ঘরের ভিতরে স্প্রে’র মাধ্যমে নেশা জাতীয়দ্রব্য স্প্রে করলে ঘরের সবাই অচেতন হয়ে পড়ে।

এ সময় জানালার গ্রীল ভেঙে ঘরে ডুকে অজ্ঞাতনামা চোরেরা ৭/৮ ভরি স্বর্ণ, নগদ ১০ হাজার টাকা, ৩টি মোবাইলসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যায়। পরে সকাল বেলায় রিজিয়ার বোন ইয়াছমিন বেগম হেলেন ডিমের জন্য এসে এ অবস্থা দেখে ডাক-চিৎকার দিলে পার্শ্ববর্তী লোকজন আসলে ঘটনার জানাজানি হয়।

অচেতনরা হলেন, আলহাজ্ব রুহুল আমিন হাওলাদার (৭৫), রিজিয়া বেগম (৭০), হাফসা বেগম (৩০) ও সাইফা (১০)। করোনার কারণে অচেতনদের হাসাপাতালে না এনে বাসায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পরে সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং আইনগত সহায়তা নিতে পরামর্শ দেন।

তজুমদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনায়েত হোসেন বরিশালটাইমসকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে থানায় এসে আইনগত সহায়তা নিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’