ঢাকা ০৯:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo পানছড়িতে অষ্টপ্রহার ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে বিএনপি Logo পানছড়িতে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান Logo আপনারা থাকার কষ্ট করছেন, আমরা এখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিং করে দিতে চাই Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার Logo প্রাণ ফিরছে লোগাং ইউপি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদে Logo পানছড়িতে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক Logo পানছড়িতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া-রাবিশ ব্যবহার Logo মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ Logo অষ্টগ্রামে জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে অতর্কিত হামলা, ছাত্রদল সভাপতিসহ আহত ৬

শরীয়তপুর-১ আসনের এমপি: চড়েন না সরকারি গাড়িতে, নেননি ফ্ল্যাটও

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৭:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২০
  • / ১২৫৬ বার পড়া হয়েছে

জনগণের ভোটে নির্বাচিত এবং ক্ষমতাসীন দলের এমপি হয়েও সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন না- এমন জনপ্রতিনিধি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। শুনতে একটু আশ্চর্যজনক মনে হলেও- এমনই একজন হলেন শরীয়তপুর-১ আসনের এমপি ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ইকবাল হোসেন অপু। তিনি নেননি সরকারি কোনো গাড়ি কিংবা এমপিদের থাকার জন্য ন্যাম ভবনের কোনো ফ্ল্যাটও।

রাজধানী ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে তার সঙ্গে দীর্ঘক্ষণের আলাপচারিতায় উঠে এসেছে এমপি হিসেবে তার সাদামাটা জীবন, রাজনৈতিক দর্শন ও এলাকার উন্নয়নসহ বেশ কিছু দিক।

দলীয় পরিচয় অপরাধীদের শাস্তি থেকে রেহাই দিতে পারবে না: কাদের

একাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা তাকে এ আসনে নির্বাচনে লড়তে মনোনয়ন দেন। এর আগে শরীয়তপুর-১ আসনের এমপি ছিলেন দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক।

এমপি নির্বাচিত হয়েও সততার সঙ্গে সাদামাটা জীবনই কাটাচ্ছেন ইকবাল হোসেন অপু। এখনো চড়েন- রিকশা, ভ্যান ও অটোতে।

আলাপচারিতায় উঠে এসেছে- চার দেয়ালের বদ্ধ এসি রুমে নিজের রাজনীতিকে আবদ্ধ করে রাখেননি। দাঁপিয়ে বেড়ান মাঠে। আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের সম্মুখে আমতলায় বসেই মানুষকে সেবা দেন ইকবাল হোসেন অপু। তার নির্বাচনী এলাকার কোনো মানুষ দেখা করতে এলে কালক্ষেপণ না করেই সময় দেন। সাধ্য অনুযায়ী করেন সহায়তাও।

তিনি মনে করেন, খেটে খাওয়া মানুষ এসি রুমে যেতে সংকোচবোধ করেন। এ কারণে নেতারা মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে বলেছিলেন, এমপি-মন্ত্রী হয়েছেন এই সাধারণ মানুষের ভোটে। তাদের পয়সায় আমরা বেতন পাই। এসব লোকজনের চেয়ে বড় কেউ হতে পারে না।

এক প্রশ্ন জবাবে তিনি বলেন, আমি বিলাসিতার জন্য রাজনীতি করি না। রাজনীতি করি, মানুষের সেবার জন্য। মানুষ যদি আমাদের কাছে আসতে না পারে, তাহলে রাজনীতি করে কী লাভ? তাহলে বঙ্গবন্ধুর আর্দশও বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না। দেহে প্রাণ থাকতে বঙ্গবন্ধুর আর্দশ ধারণ করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বপ্নের সোনার বাংলা বির্নিমাণে কাজ করে যাবো।

ইকবাল হোসেন অপু বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা, শেখ হাসিনার ভিশন-২০২১ এবং রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়ন করতে আমাকে আমার শরীয়তপুরবাসী যে দায়িত্ব দিয়েছেন, আমার জীবনের শেষ রক্তবিন্দু থাকা অবধি আমি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাব। ইনশাআল্লাহ।

তিনি জানান, নির্বাচনের আগে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় নিয়ে করোনার প্রথম থেকেই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

করোনাকালে ইকবাল হোসেন অপু তার নির্বাচনী এলাকায় টানা ৪ মাস অবস্থান করে জনগণের পাশে থেকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন। করোনাভাইরাসে কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় ৩৫ হাজার মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন তিনি। নিজে অসুস্থ হওয়ার পরও ঢাকায় চিকিৎসা করাতে আসেননি। এলাকার সরকারি হাসপাতালেই চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি।

শরীয়তপুর-১ আসনের এমপি: চড়েন না সরকারি গাড়িতে, নেননি ফ্ল্যাটও

আপডেট সময় : ০৯:৪৭:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২০

জনগণের ভোটে নির্বাচিত এবং ক্ষমতাসীন দলের এমপি হয়েও সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন না- এমন জনপ্রতিনিধি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। শুনতে একটু আশ্চর্যজনক মনে হলেও- এমনই একজন হলেন শরীয়তপুর-১ আসনের এমপি ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ইকবাল হোসেন অপু। তিনি নেননি সরকারি কোনো গাড়ি কিংবা এমপিদের থাকার জন্য ন্যাম ভবনের কোনো ফ্ল্যাটও।

রাজধানী ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে তার সঙ্গে দীর্ঘক্ষণের আলাপচারিতায় উঠে এসেছে এমপি হিসেবে তার সাদামাটা জীবন, রাজনৈতিক দর্শন ও এলাকার উন্নয়নসহ বেশ কিছু দিক।

দলীয় পরিচয় অপরাধীদের শাস্তি থেকে রেহাই দিতে পারবে না: কাদের

একাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা তাকে এ আসনে নির্বাচনে লড়তে মনোনয়ন দেন। এর আগে শরীয়তপুর-১ আসনের এমপি ছিলেন দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক।

এমপি নির্বাচিত হয়েও সততার সঙ্গে সাদামাটা জীবনই কাটাচ্ছেন ইকবাল হোসেন অপু। এখনো চড়েন- রিকশা, ভ্যান ও অটোতে।

আলাপচারিতায় উঠে এসেছে- চার দেয়ালের বদ্ধ এসি রুমে নিজের রাজনীতিকে আবদ্ধ করে রাখেননি। দাঁপিয়ে বেড়ান মাঠে। আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের সম্মুখে আমতলায় বসেই মানুষকে সেবা দেন ইকবাল হোসেন অপু। তার নির্বাচনী এলাকার কোনো মানুষ দেখা করতে এলে কালক্ষেপণ না করেই সময় দেন। সাধ্য অনুযায়ী করেন সহায়তাও।

তিনি মনে করেন, খেটে খাওয়া মানুষ এসি রুমে যেতে সংকোচবোধ করেন। এ কারণে নেতারা মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে বলেছিলেন, এমপি-মন্ত্রী হয়েছেন এই সাধারণ মানুষের ভোটে। তাদের পয়সায় আমরা বেতন পাই। এসব লোকজনের চেয়ে বড় কেউ হতে পারে না।

এক প্রশ্ন জবাবে তিনি বলেন, আমি বিলাসিতার জন্য রাজনীতি করি না। রাজনীতি করি, মানুষের সেবার জন্য। মানুষ যদি আমাদের কাছে আসতে না পারে, তাহলে রাজনীতি করে কী লাভ? তাহলে বঙ্গবন্ধুর আর্দশও বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না। দেহে প্রাণ থাকতে বঙ্গবন্ধুর আর্দশ ধারণ করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বপ্নের সোনার বাংলা বির্নিমাণে কাজ করে যাবো।

ইকবাল হোসেন অপু বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা, শেখ হাসিনার ভিশন-২০২১ এবং রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়ন করতে আমাকে আমার শরীয়তপুরবাসী যে দায়িত্ব দিয়েছেন, আমার জীবনের শেষ রক্তবিন্দু থাকা অবধি আমি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাব। ইনশাআল্লাহ।

তিনি জানান, নির্বাচনের আগে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় নিয়ে করোনার প্রথম থেকেই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

করোনাকালে ইকবাল হোসেন অপু তার নির্বাচনী এলাকায় টানা ৪ মাস অবস্থান করে জনগণের পাশে থেকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন। করোনাভাইরাসে কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় ৩৫ হাজার মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন তিনি। নিজে অসুস্থ হওয়ার পরও ঢাকায় চিকিৎসা করাতে আসেননি। এলাকার সরকারি হাসপাতালেই চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি।