ঢাকা ১০:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, অভিযুক্ত আটক

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৬:২২:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুলাই ২০২৩
  • / ১০৭৩ বার পড়া হয়েছে

শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, অভিযুক্ত আটক

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

জেলার নগরীর নওদাপাড়া এলাকার আজিম উদ্দিনের মেয়ে অপহৃত শিশু আনিকার (৮) মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ সোমবার (৩ জুলাই) ভোরে নগরীর ছোটবনগ্রাম খোরশেদের মোড়ের একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের শাহমখদুম থানার উপ-পুলিশ কমিশনার নূর আলম বলেন, ঈদ সেলামি দেয়ার কথা বলে নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ পুকুরে ফেলে দেয়া হয়েছিল।

তিনি আরো বলেন, গত শনিবার সন্ধ্যায় নওদাপাড়ায় থেকে আনিকাকে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনায় সেই রাতেই শিশুটির বাবা থানায় একটি জিডি করেন। এর পর পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধারে তদন্তে নামে। তদন্তের পর নগরীর বড় বনগ্রাম এলাকার শাহিনের ছেলে পলাশের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। তবে পলাশকে পাওয়া যাচ্ছিল না। এর পর আনিকাকে উদ্ধার ও পলাশকে ধরতে পুলিশের দুইটি টিম কাজ শুরু করে।

নুর আলম বলেন, ভোর ৪ টার দিকে নাটোরের একটি যাত্রী ছাওনি থেকে পলাশকে আটক করে পুলিশ। এর পর পলাশ পুলিশকে জানায় শিশু আনিকাকে হত্যা করে মরদেহ পুকুরে ফেলে দেয়া হয়েছে। পরে পলাশকে নিয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধারে অভিযানে নামে পুলিশ।

তিনি বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। আইনী পদক্ষেপ শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ট্যাগস :

শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, অভিযুক্ত আটক

আপডেট সময় : ০৬:২২:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুলাই ২০২৩

শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, অভিযুক্ত আটক

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

জেলার নগরীর নওদাপাড়া এলাকার আজিম উদ্দিনের মেয়ে অপহৃত শিশু আনিকার (৮) মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ সোমবার (৩ জুলাই) ভোরে নগরীর ছোটবনগ্রাম খোরশেদের মোড়ের একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের শাহমখদুম থানার উপ-পুলিশ কমিশনার নূর আলম বলেন, ঈদ সেলামি দেয়ার কথা বলে নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ পুকুরে ফেলে দেয়া হয়েছিল।

তিনি আরো বলেন, গত শনিবার সন্ধ্যায় নওদাপাড়ায় থেকে আনিকাকে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনায় সেই রাতেই শিশুটির বাবা থানায় একটি জিডি করেন। এর পর পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধারে তদন্তে নামে। তদন্তের পর নগরীর বড় বনগ্রাম এলাকার শাহিনের ছেলে পলাশের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। তবে পলাশকে পাওয়া যাচ্ছিল না। এর পর আনিকাকে উদ্ধার ও পলাশকে ধরতে পুলিশের দুইটি টিম কাজ শুরু করে।

নুর আলম বলেন, ভোর ৪ টার দিকে নাটোরের একটি যাত্রী ছাওনি থেকে পলাশকে আটক করে পুলিশ। এর পর পলাশ পুলিশকে জানায় শিশু আনিকাকে হত্যা করে মরদেহ পুকুরে ফেলে দেয়া হয়েছে। পরে পলাশকে নিয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধারে অভিযানে নামে পুলিশ।

তিনি বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। আইনী পদক্ষেপ শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।