ঢাকা ০১:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার Logo প্রাণ ফিরছে লোগাং ইউপি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদে Logo পানছড়িতে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক Logo পানছড়িতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া-রাবিশ ব্যবহার Logo মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ Logo অষ্টগ্রামে জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে অতর্কিত হামলা, ছাত্রদল সভাপতিসহ আহত ৬ Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে স্বেচ্ছাসেবক দলের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ঘরে-বাইরে নিরাপত্তাহীনতা, সারাদেশে বাধাহীন ‘মব’-২০২৫ Logo সড়ক পাশে ফেলে যাওয়া দুই শিশুর বাবার বাড়ি খাগড়াছড়ি

হাজি সেলিম পরিবারের অবৈধ সম্পদের খোঁজে দুদক

News Editor
  • আপডেট সময় : ০১:১৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০
  • / ১১৬৮ বার পড়া হয়েছে

নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধরের সূত্র ধরে এবার ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) হাজী মো. সেলিম ও তার পরিবারের অবৈধ সম্পদের খোঁজে মাঠে নামতে যাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান বলেছেন, হাজী সেলিম ও ইরফান সেলিমের সম্পদের প্রাথমিক তথ্য নেওয়া হচ্ছে। শিডিউলভুক্ত অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে দুদক কমিশনার আরও জানান, হাজী সেলিম এবং তার ছেলে ইরফান সেলিমের বিষয়ে আমরা বিভিন্ন প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সংবাদ দেখেছি। বিষয়গুলো আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বলেও লক্ষ করা যায়। তবে অবৈধ সম্পদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না তা পরিষ্কার নয়। অবৈধ সম্পদের বিষয়গুলো যদি দুদকের শিডিউলের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় এবং শিডিউলভুক্ত অপরাধের শামিল হয়, তাহলে আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখব এবং দুদকের আইন অনুসারে পরবর্তী সময়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি সরকারের জায়গা বা সম্পত্তি যদি দখল হয় এবং তা দুদক আইনের আওতাভুক্ত হলে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইরফানের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তের দায়িত্ব যাচ্ছে ডিবির হাতে

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, হাজী সেলিম ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে পুরান ঢাকার বেশকিছু এলাকায় সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি, ভবন ও মার্কেট দখলের অভিযোগ রয়েছে। ইতঃপূর্বে এসব নিয়ে কথা উঠলেও প্রভাবশালী হওয়ায় কঠোর কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। তবে এবার হাজী সেলিমের ছেলে বেপরোয়াভাবে নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনার সূত্র ধরে বড় ধরনের বেকায়দায় পড়েছে হাজী সেলিম পরিবার। বর্তমান সরকার ও ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতারাও হাজী সেলিমের দীর্ঘদিনের নানা সমালোচিত কর্মকাণ্ডে বিব্রত। সে কারণেই হাজী সেলিম ও তার পরিবারের আদ্যোপান্ত টানা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন অনেকে।

প্রসঙ্গত, গত রোববার রাতে রাজধানীর ধানমন্ডিতে মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেওয়ার প্রতিবাদ করায় নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমেদ খানকে বেধড়ক মারধর করে হাজী সেলিমের ছেলে ডিএসসিসির কাউন্সিলর (বরখাস্তকৃত) ইরফান সেলিম ও তার সহযোগীরা। এ ঘটনায় নৌবাহিনীর ওই কর্মকর্তা ধানমন্ডি থানায় তাকে হত্যাচেষ্টার মামলা করলে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে ইরফান ও তার সহযোগী আসামিদের গ্রেফতার করে। মূলত এ ঘটনার সূত্র ধরে হাজী সেলিম পরিবারের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর ‘অ্যাকশন’ শুরু হয়। গত ২৬ অক্টোবর র‌্যাব পুরান ঢাকার চকবাজারের ২৬ দেবীদাস লেনে হাজী সেলিমের বাসায় অভিযান চালায়। এ সময় ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী জাহিদকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এ সময় বাসায় অবৈধ মদ ও ওয়াকিটকি রাখার দায়ে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের দুজনকে এক বছর করে কারাদণ্ড দেন।

হাজি সেলিম পরিবারের অবৈধ সম্পদের খোঁজে দুদক

আপডেট সময় : ০১:১৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০

নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধরের সূত্র ধরে এবার ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) হাজী মো. সেলিম ও তার পরিবারের অবৈধ সম্পদের খোঁজে মাঠে নামতে যাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান বলেছেন, হাজী সেলিম ও ইরফান সেলিমের সম্পদের প্রাথমিক তথ্য নেওয়া হচ্ছে। শিডিউলভুক্ত অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে দুদক কমিশনার আরও জানান, হাজী সেলিম এবং তার ছেলে ইরফান সেলিমের বিষয়ে আমরা বিভিন্ন প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সংবাদ দেখেছি। বিষয়গুলো আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বলেও লক্ষ করা যায়। তবে অবৈধ সম্পদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না তা পরিষ্কার নয়। অবৈধ সম্পদের বিষয়গুলো যদি দুদকের শিডিউলের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় এবং শিডিউলভুক্ত অপরাধের শামিল হয়, তাহলে আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখব এবং দুদকের আইন অনুসারে পরবর্তী সময়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি সরকারের জায়গা বা সম্পত্তি যদি দখল হয় এবং তা দুদক আইনের আওতাভুক্ত হলে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইরফানের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তের দায়িত্ব যাচ্ছে ডিবির হাতে

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, হাজী সেলিম ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে পুরান ঢাকার বেশকিছু এলাকায় সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি, ভবন ও মার্কেট দখলের অভিযোগ রয়েছে। ইতঃপূর্বে এসব নিয়ে কথা উঠলেও প্রভাবশালী হওয়ায় কঠোর কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। তবে এবার হাজী সেলিমের ছেলে বেপরোয়াভাবে নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনার সূত্র ধরে বড় ধরনের বেকায়দায় পড়েছে হাজী সেলিম পরিবার। বর্তমান সরকার ও ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতারাও হাজী সেলিমের দীর্ঘদিনের নানা সমালোচিত কর্মকাণ্ডে বিব্রত। সে কারণেই হাজী সেলিম ও তার পরিবারের আদ্যোপান্ত টানা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন অনেকে।

প্রসঙ্গত, গত রোববার রাতে রাজধানীর ধানমন্ডিতে মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেওয়ার প্রতিবাদ করায় নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমেদ খানকে বেধড়ক মারধর করে হাজী সেলিমের ছেলে ডিএসসিসির কাউন্সিলর (বরখাস্তকৃত) ইরফান সেলিম ও তার সহযোগীরা। এ ঘটনায় নৌবাহিনীর ওই কর্মকর্তা ধানমন্ডি থানায় তাকে হত্যাচেষ্টার মামলা করলে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে ইরফান ও তার সহযোগী আসামিদের গ্রেফতার করে। মূলত এ ঘটনার সূত্র ধরে হাজী সেলিম পরিবারের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর ‘অ্যাকশন’ শুরু হয়। গত ২৬ অক্টোবর র‌্যাব পুরান ঢাকার চকবাজারের ২৬ দেবীদাস লেনে হাজী সেলিমের বাসায় অভিযান চালায়। এ সময় ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী জাহিদকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এ সময় বাসায় অবৈধ মদ ও ওয়াকিটকি রাখার দায়ে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের দুজনকে এক বছর করে কারাদণ্ড দেন।