ঢাকা ০১:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo পানছড়িতে অষ্টপ্রহার ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে বিএনপি Logo পানছড়িতে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান Logo আপনারা থাকার কষ্ট করছেন, আমরা এখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিং করে দিতে চাই Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার Logo প্রাণ ফিরছে লোগাং ইউপি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদে Logo পানছড়িতে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক Logo পানছড়িতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া-রাবিশ ব্যবহার Logo মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ Logo অষ্টগ্রামে জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে অতর্কিত হামলা, ছাত্রদল সভাপতিসহ আহত ৬

পায়েল হত্যা মামলায় ৩ জনের ফাসির নির্দেশ

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৩:০৬:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২০
  • / ১১১৯ বার পড়া হয়েছে

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাইদুর রহমান পায়েল হত্যা মামলায় হানিফ পরিবহন বাসের চালক হেলপার এবং সুপারভাইজার সহ 3 জনের মৃত্যুদণ্ড আদেশ দেন আদালত। রোববার দুপুরে বিচারক জাফর মোঃ কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

ঘটনাটি ঘটে 2018 সালের 21 শে জুলাই রাতে দুই বন্ধু আকিবুর রহমান ও মহিউদ্দিন শান্তর সঙ্গে হানিফ পরিবহনের (Hanif transport) বাসে করে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার পথে রওনা হন সাইদুর রহমান পায়েল। দুইদিন পর মুন্সিগঞ্জ উপজেলা ভাটেরচর সেতুর নিচে থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ, এমনটাই জানান গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা ।

মামলার আসামিরা স্বীকার করেন তারা ঘটনার দায় এড়াতে সাইদুর রহমান পায়েল কে হত্যা করেন। আসামিদের জবানবন্দিতে শোনা যায় 22 শে জুলাই ভোরে বাস থেকে নেমে প্রস্রাব করতে রাস্তায় যান পায়েল। বাসে ওঠার সময় দরজার সাথে লেগে আহত হলে এই দায় এড়াতে তিনজন মিলে আহত পায়েলের মুখে থেতলে দিয়ে নদীতে ফেলে দে। তাদের মধ্যবর্তী কোনো কথা কাটাকাটির কথা জানা যায় নি।

পায়েল হত্যা মামলায় গজারিয়া থানা পুলিশ গত ৩রা অক্টোবর তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করেন। বিভিন্ন সময়ে 14 জন সাক্ষীর ভিত্তিতে আদালত এই রায় দেন। আসামী পক্ষের ৪ জন সাক্ষী সাফাই হিসেবে সাক্ষ্য দেন। কিন্তু আসামী পক্ষের এই সাক্ষ্য প্রমাণ কোনো কাজে আসে নি।

পরে মুন্সীগঞ্জের জেলায় এই মামলার বিচারকার্য শুরু হলে পরিবারের আবেদনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ এই বিচার কার্যক্রম দ্রুত করার নির্দেশ দেন। সর্বশেষ 2019 সালের নভেম্বরের 18 তারিখে মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল 1 এর কাছে হস্তান্তর করা হয়। সর্বশেষ গত 4 অক্টোবর সকলের যুক্তির সাপেক্ষে এ বিচারের রায় ধার্য করেন বিচারপতি মোঃ কামরুজ্জামান। আহত পক্ষের সাক্ষী এবং মামলা দায়ের করা দের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে এ মামলার রায় দেন বিচারক। মামলার বিচার পড়ার সময় তিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। পরবর্তীতে তাদের জামিন আবেদন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারপতি আবু জাফর মোঃ কামরুজ্জামান। ফাসির কার্যকরের দিন এখনও জানানো হয় নি। তবে শীঘ্রও এই রায় দেওয়া হবে বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।
তবে এই মামলার ব্যাপারে হানিফ পরিবহন কোনো কথা বলে নি।

পায়েল হত্যা মামলায় ৩ জনের ফাসির নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৩:০৬:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২০

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাইদুর রহমান পায়েল হত্যা মামলায় হানিফ পরিবহন বাসের চালক হেলপার এবং সুপারভাইজার সহ 3 জনের মৃত্যুদণ্ড আদেশ দেন আদালত। রোববার দুপুরে বিচারক জাফর মোঃ কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

ঘটনাটি ঘটে 2018 সালের 21 শে জুলাই রাতে দুই বন্ধু আকিবুর রহমান ও মহিউদ্দিন শান্তর সঙ্গে হানিফ পরিবহনের (Hanif transport) বাসে করে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার পথে রওনা হন সাইদুর রহমান পায়েল। দুইদিন পর মুন্সিগঞ্জ উপজেলা ভাটেরচর সেতুর নিচে থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ, এমনটাই জানান গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা ।

মামলার আসামিরা স্বীকার করেন তারা ঘটনার দায় এড়াতে সাইদুর রহমান পায়েল কে হত্যা করেন। আসামিদের জবানবন্দিতে শোনা যায় 22 শে জুলাই ভোরে বাস থেকে নেমে প্রস্রাব করতে রাস্তায় যান পায়েল। বাসে ওঠার সময় দরজার সাথে লেগে আহত হলে এই দায় এড়াতে তিনজন মিলে আহত পায়েলের মুখে থেতলে দিয়ে নদীতে ফেলে দে। তাদের মধ্যবর্তী কোনো কথা কাটাকাটির কথা জানা যায় নি।

পায়েল হত্যা মামলায় গজারিয়া থানা পুলিশ গত ৩রা অক্টোবর তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করেন। বিভিন্ন সময়ে 14 জন সাক্ষীর ভিত্তিতে আদালত এই রায় দেন। আসামী পক্ষের ৪ জন সাক্ষী সাফাই হিসেবে সাক্ষ্য দেন। কিন্তু আসামী পক্ষের এই সাক্ষ্য প্রমাণ কোনো কাজে আসে নি।

পরে মুন্সীগঞ্জের জেলায় এই মামলার বিচারকার্য শুরু হলে পরিবারের আবেদনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ এই বিচার কার্যক্রম দ্রুত করার নির্দেশ দেন। সর্বশেষ 2019 সালের নভেম্বরের 18 তারিখে মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল 1 এর কাছে হস্তান্তর করা হয়। সর্বশেষ গত 4 অক্টোবর সকলের যুক্তির সাপেক্ষে এ বিচারের রায় ধার্য করেন বিচারপতি মোঃ কামরুজ্জামান। আহত পক্ষের সাক্ষী এবং মামলা দায়ের করা দের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে এ মামলার রায় দেন বিচারক। মামলার বিচার পড়ার সময় তিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। পরবর্তীতে তাদের জামিন আবেদন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারপতি আবু জাফর মোঃ কামরুজ্জামান। ফাসির কার্যকরের দিন এখনও জানানো হয় নি। তবে শীঘ্রও এই রায় দেওয়া হবে বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।
তবে এই মামলার ব্যাপারে হানিফ পরিবহন কোনো কথা বলে নি।