ঢাকা ১০:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo দুর্নীতির অভিযোগে শীর্ষে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ Logo চিফ প্রসিকিউটরের চেয়ারকে’ টাকা আয়ের হাতিয়ার করেছিল তাজুল ইসলাম Logo ডক্টর ইউনূসের বিরুদ্ধে হচ্ছে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা Logo নড়াইলের সিঙ্গাশোলপুরে আধিপত্য বিস্তারে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত-৪ Logo রাজধানীতে বিএনপি নেতা গুলিবিদ্ধ Logo ফ্যামিলি কার্ড পেতে আবেদন করবেন যেভাবে, যা যা লাগবে Logo মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবীতে শেরপুরে ছাত্রদলের মানববন্ধন Logo সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সম্পাদক প্রার্থী সুমন Logo হাজারের বেশি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন Logo সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে জনসচেতনতার লক্ষে খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন

যেসব খাবার প্রচুর খেলেও বাড়বে না ওজন

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৫:৪১:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • / ১১১১ বার পড়া হয়েছে
অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণ সুস্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়। বিশেষ করে যখন আপনার ওজন বাড়তির দিকে। প্রতিদিন আমরা যে পরিমাণ ক্যালরি গ্রহণ করি সেগুলো শরীরে চর্বি আকারে জমা হয়। ফলাফল ওজন বৃদ্ধি। তবে কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো প্লেট ভর্তি করে খেলেও ওজন বাড়ার ভয় থাকে না।

এই খাবারগুলোতে ক্যালরির পরিমাণ কম এবং ফাইবারে পূর্ণ থাকে। পুষ্টিতে ভরপুর এই খাবারগুলো শরীরের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম সচল রাখে এবং ওজন কমাতে সহায়তা করে।

গাজর: ভিটামিন এ সমৃদ্ধ এই সবজি চোখের সুস্থতা এবং দৃষ্টির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। শীতকালীন এই সবজিতে ক্যালরির পরিমাণ কম, ফাইবার সমৃদ্ধ এবং অন্যান্য পুষ্টিতে ভরপুর। স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

পপকর্ন: ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক চমৎকার খাবার এটি। প্রতি কাপ পপকর্নে মাত্র ৩০ ক্যালরি থাকে এবং এটি পলিফেনলস নামে এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে।  এটি হজমক্রিয়া ঠিক রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে।

সালাদ, স্মুদি স্যুপ এবং অন্যান্য মিষ্টান্ন তৈরিতে গাজর ব্যবহার করতে পারেন।

পালংশাক: শীতকালের জনপ্রিয় এই সবজিতে আয়রন, জিংক এবং ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন কে, ভিটামিন এ রয়েছে। এতে ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম। এটি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। ওমলেট এবং সালাদে এই শাক মেশাতে পারেন। সবুজ এই শাকে আয়রন, ফলিত এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান ত্বক, চুলের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এবং হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়ক।

গ্রিন ডাল: এতে প্রচুর ফাইবার এবং পটাশিয়াম রয়েছে যারা ওজন নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়ায় রয়েছেন তাদের জন্য উপকারী। এছাড়াও এটি ফলিত, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন বি১, ফসফরাস, আয়রন কপার, পটাশিয়াম এবং জিংকে ভরপুর। এগুলো ত্বকের স্বাস্থ্য, হজমক্রিয়া এবং অন্যান্য জটিল রোগের জন্য উপকারী।

আপেল: বিভিন্নভাবেই আপেল ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এর গন্ধ ক্ষুধা দমন করে। ভিটামিন সি, ভিটামিন কে এবং পটাশিয়ামের মতো পুষ্টি উপাদানে ভরপুর এই ফল দ্রুত হজমে সহায়ক এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

ট্যাগস :

যেসব খাবার প্রচুর খেলেও বাড়বে না ওজন

আপডেট সময় : ০৫:৪১:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১
অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণ সুস্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়। বিশেষ করে যখন আপনার ওজন বাড়তির দিকে। প্রতিদিন আমরা যে পরিমাণ ক্যালরি গ্রহণ করি সেগুলো শরীরে চর্বি আকারে জমা হয়। ফলাফল ওজন বৃদ্ধি। তবে কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো প্লেট ভর্তি করে খেলেও ওজন বাড়ার ভয় থাকে না।

এই খাবারগুলোতে ক্যালরির পরিমাণ কম এবং ফাইবারে পূর্ণ থাকে। পুষ্টিতে ভরপুর এই খাবারগুলো শরীরের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম সচল রাখে এবং ওজন কমাতে সহায়তা করে।

গাজর: ভিটামিন এ সমৃদ্ধ এই সবজি চোখের সুস্থতা এবং দৃষ্টির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। শীতকালীন এই সবজিতে ক্যালরির পরিমাণ কম, ফাইবার সমৃদ্ধ এবং অন্যান্য পুষ্টিতে ভরপুর। স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

পপকর্ন: ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক চমৎকার খাবার এটি। প্রতি কাপ পপকর্নে মাত্র ৩০ ক্যালরি থাকে এবং এটি পলিফেনলস নামে এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে।  এটি হজমক্রিয়া ঠিক রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে।

সালাদ, স্মুদি স্যুপ এবং অন্যান্য মিষ্টান্ন তৈরিতে গাজর ব্যবহার করতে পারেন।

পালংশাক: শীতকালের জনপ্রিয় এই সবজিতে আয়রন, জিংক এবং ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন কে, ভিটামিন এ রয়েছে। এতে ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম। এটি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। ওমলেট এবং সালাদে এই শাক মেশাতে পারেন। সবুজ এই শাকে আয়রন, ফলিত এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান ত্বক, চুলের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এবং হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়ক।

গ্রিন ডাল: এতে প্রচুর ফাইবার এবং পটাশিয়াম রয়েছে যারা ওজন নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়ায় রয়েছেন তাদের জন্য উপকারী। এছাড়াও এটি ফলিত, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন বি১, ফসফরাস, আয়রন কপার, পটাশিয়াম এবং জিংকে ভরপুর। এগুলো ত্বকের স্বাস্থ্য, হজমক্রিয়া এবং অন্যান্য জটিল রোগের জন্য উপকারী।

আপেল: বিভিন্নভাবেই আপেল ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এর গন্ধ ক্ষুধা দমন করে। ভিটামিন সি, ভিটামিন কে এবং পটাশিয়ামের মতো পুষ্টি উপাদানে ভরপুর এই ফল দ্রুত হজমে সহায়ক এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।