ঢাকা ১২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধানের চারার সাথে এ কেমন শত্রু তা?

News Editor
  • আপডেট সময় : ০২:৪৬:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • / ১০৮০ বার পড়া হয়েছে

ধানের চারার সাথে এ কেমন শত্রু তা?

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় পূর্ব শত্রু তার জেরে ক্ষতিকারক কীটনাশক ছিটিয়ে প্রতিপক্ষের ধানের চারা পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। প্রায় দেড় একর জমিতে কীটনাশক ছিটানোর ফলে ধান চারাগুলি ফ্যাকাশে রং ধারণ করেছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কৃষি কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী কৃষক। ঘটনাটি ঘটেছে ধামইরহাট উপজেলার উমার ইউনিয়নের চৌঘাট কাগজকুটা গ্রামে। ভুক্তভোগী কৃষক জানান, এতে তাঁর প্রায় এক লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চৌঘাট এলাকার আহাদুল ইসলাম ও পার্শ্ববতী আলমপুর ইউনিয়নের বীরগ্রাম এলাকার এনামুল ইসলামের মাঝে দীর্ঘদিন জমির মালিকানা সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল।

এর জের ধরে এনামুল ইসলাম ও তার ভাই নজরুল ইসলামসহ আরও কয়েকজন মিলে প্রায় দেড় একর জমিতে কীটনাশক ঢেলে দেন। ফলে সবে গজিয়ে উঠা ধানের চারাগুলো হলুদও ফ্যাকাশে রং ধারণ করে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কৃষক আহাদুল ইসলাম বলেন, আমরা ক্রয় সূত্রে ওই জমি প্রায় ৫০ বছর যাবৎ ভোগ দখল করে আসছি। কিছু ব্যক্তি আমাদের জমি বর্গা করার নামে জাল দলিল তৈরি করে ওই জমি নিজের বলে দাবি করেন। অভিযুক্ত এনামুল ইসলাম বলেন, ১৯৭২ সালে ওই জমি আমরা কিনেছি। মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকায় এবারো চাষাবাদ করতে গেলে তাঁরা বিভিন্নভাবে চাষাবাদে বাঁধা দেয়।

সেজন্য আমরা এ বছর জমিতে ধান রোপন করিনি। তবে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জমি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। জমিতে কীটনাশক দিয়ে ধান নষ্ট করার অভিযোগটি তিনি অস্বীকার করে বলেন, আমাদের সুনাম নষ্ট করার জন্য কেউ এসব কাজ করছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গণপতি রায় বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগস :

ধানের চারার সাথে এ কেমন শত্রু তা?

আপডেট সময় : ০২:৪৬:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১

ধানের চারার সাথে এ কেমন শত্রু তা?

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় পূর্ব শত্রু তার জেরে ক্ষতিকারক কীটনাশক ছিটিয়ে প্রতিপক্ষের ধানের চারা পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। প্রায় দেড় একর জমিতে কীটনাশক ছিটানোর ফলে ধান চারাগুলি ফ্যাকাশে রং ধারণ করেছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কৃষি কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী কৃষক। ঘটনাটি ঘটেছে ধামইরহাট উপজেলার উমার ইউনিয়নের চৌঘাট কাগজকুটা গ্রামে। ভুক্তভোগী কৃষক জানান, এতে তাঁর প্রায় এক লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চৌঘাট এলাকার আহাদুল ইসলাম ও পার্শ্ববতী আলমপুর ইউনিয়নের বীরগ্রাম এলাকার এনামুল ইসলামের মাঝে দীর্ঘদিন জমির মালিকানা সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল।

এর জের ধরে এনামুল ইসলাম ও তার ভাই নজরুল ইসলামসহ আরও কয়েকজন মিলে প্রায় দেড় একর জমিতে কীটনাশক ঢেলে দেন। ফলে সবে গজিয়ে উঠা ধানের চারাগুলো হলুদও ফ্যাকাশে রং ধারণ করে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কৃষক আহাদুল ইসলাম বলেন, আমরা ক্রয় সূত্রে ওই জমি প্রায় ৫০ বছর যাবৎ ভোগ দখল করে আসছি। কিছু ব্যক্তি আমাদের জমি বর্গা করার নামে জাল দলিল তৈরি করে ওই জমি নিজের বলে দাবি করেন। অভিযুক্ত এনামুল ইসলাম বলেন, ১৯৭২ সালে ওই জমি আমরা কিনেছি। মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকায় এবারো চাষাবাদ করতে গেলে তাঁরা বিভিন্নভাবে চাষাবাদে বাঁধা দেয়।

সেজন্য আমরা এ বছর জমিতে ধান রোপন করিনি। তবে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জমি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। জমিতে কীটনাশক দিয়ে ধান নষ্ট করার অভিযোগটি তিনি অস্বীকার করে বলেন, আমাদের সুনাম নষ্ট করার জন্য কেউ এসব কাজ করছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গণপতি রায় বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।