সাভারে কঠোর লকডাউনের দোকান খোলাতে ব্যবসায়ীকে জরিমানা
- আপডেট সময় : ০৫:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১
- / ১১৩৩ বার পড়া হয়েছে
মোঃ আহসান হাবীব,সাভার প্রতিনিধি ঢাকাঃ
বৃহস্পতিবার ১৫ এপ্রিল সাভারে কঠোর বিধিনিষেধের লকডাউনে নিত্যপন্যের বাইরের দোকানগুলো খেলছে ইঁদুর বিড়াল খেলা করছে ব্যবসায়ী রা ৷ প্রশাসন দেখলেই বন্ধ করে পালিয়ে যায় এবং প্রশাসন চলে যাওয়ার সাথে সাথেই দোকান খুলে বসে দোকানদার। সাভারে মহাসড়ক ঘেঁষে বড় মার্কেটগুলো বন্ধ থাকলেও খোলা রয়েছে পাড়া মহল্লার বিভিন্ন দোকান। নিত্য পণ্যের বাইরের দোকানগুলো ছাড়াও ছোট ছোট মার্কেটও খোলা রাখতে দেখা গেছে। আর এরকম প্রতিষ্ঠানকে অথর্দন্ড করেছেন সাভার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ। সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শুধুমাত্র মহাসড়ক ঘেঁষে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে পাড়া মহল্লার প্রায় সব দোকান খোলা রয়েছে। খোলা রয়েছে কাঠগড়া এলাকার আলম সুপার মার্কেটসহ ছোট ছোট নিত্য পণ্যের বাইরের দোকানপাট। এব্যাপারে সাভার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ বলেন, সাভারে লকডাউনের দ্বিতীয় দিনেও মানুষ জন এবং যান চলাচলের মাত্রা গতকালের চেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। একই সাথে মানুষের আইনভঙ্গ করার প্রবনতাও লক্ষ করা যাচ্ছে। তাই আমরা প্রথমে বাজারে এবং বাস স্ট্যান্ডে অভিযান চালিয়েছি যাতে করে মানুষ অকারনে ঘোরাঘুরি না করে। একই সাথে নিয়ম ভঙ্গ করে যে সকল প্রাইভেটকার ও পরিবহন এসেছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। আরও বলেন, বাজার সমুহে নির্ধারিত নিত্য পন্যের বাহিরে যে সকল দোকানপাট রয়েছে সেসকল মনিটরিং করতে গিয়ে দেখা গেছে অনেকটা ইঁদুর বিড়াল খেলার মত অবস্থা। আমাদের দেখা মাত্র দোকান বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে, আর যাওয়া মাত্র আবার খুলে বসা হচ্ছে। এরকম যে কয়টি দোকান খোলা পাওয়া গেছে তাদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। বাজার রোড়ের ইলেক্ট্রো মার্ট লিমিটেডের কনকা শো-রুম খোলা রাখার অপরাধে ২৫ হাজার, ওয়াল্টন শো-রুম ১৫ হাজার ও লাভলী স্যানীটারী প্রতিষ্ঠানকে ৭ হাজার করে মোট ৪৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন এধরনের অভিযান লকডাউনের প্রতিদিন পরিচালনা করা হবে।
এব্যাপারে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সায়েমুল হুদা বলেন, করোনা মোকাবেলায় লকডাউন বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে হবে। নইলে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাবে। করোনা নিয়ন্ত্রণে লকডাউনের কোন বিকল্প নেই।



















